বিপ্লবী বার্তা
সর্বশেষ
নেপালে বন্যায় নিহতের সংখ্যা ৬০০ ছুঁইছুঁই

নিখোঁজ প্রায় ২০০০ মানুষ

নেপালে বন্যায় নিহতের সংখ্যা ৬০০ ছুঁইছুঁই

নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় এক করুণ মানবিক বিপর্যয় নেমে এসেছে। পাহাড়ের ওপর থেকে ধেয়ে আসা প্রবল বানের তোড়ে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ছয়শো মানুষ।মৃত্যুর এই তালিকার পাশাপাশি এক বিশাল সংখ্যক মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের মধ্যে একটি বড় অংশই বিদেশি পর্যটক। নিখোঁজদের সন্ধানে দুর্ঘটনাকবলিত এলাকাগুলোতে উদ্ধার তৎপরতা চালানো হচ্ছে এবং তাদের জীবিত উদ্ধারে কাজ করছেন হাজার হাজার নিরাপত্তাকর্মী।এই প্রলয়ংকরী ঘটনার সূত্রপাত হয় হিমালয়ের বুক চিরে আসা নদীর পানি হঠাৎ তীব্র গতিতে বৃদ্ধি পাওয়ায়। পাহাড়ের ওপর থেকে নেমে আসা আকস্মিক ঢলের সঙ্গে যুক্ত হওয়া ভূমিধসের কাদা এবং পাথর এক ধ্বংসাত্মক রূপ ধারণ করে। বানের পানির এই তীব্র শক্তি তার গতিপথে থাকা বাড়িঘর, সেতু, গাছপালা এবং বৈদ্যুতিক খুঁটিসহ যাবতীয় অবকাঠামো মুহূর্তের মধ্যে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। নদীগুলোর পানি বিপৎসীমার অনেক ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত করে এই মর্মান্তিক ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের উপস্থিতি পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে। বিশেষ করে সংলগ্ন হিমালয় অঞ্চলের পর্যটন কেন্দ্র এবং পবিত্র স্থানগুলোতে দেশ-বিদেশের অসংখ্য ভ্রমণপিপাসু ও তীর্থযাত্রীর সমাগম ঘটেছিল। আকস্মিক এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে পড়ে তাদের একটি বড় অংশ আটকা পড়েন কিংবা ভেসে যান, যার ফলে বহু ভিন্ন দেশের নাগরিকদের এখন পর্যন্ত কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।এই দুর্যোগের প্রভাব পড়েছে পার্শ্ববর্তী তিব্বত অঞ্চলেও। সেখানেও বহু অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াও বেশ কয়েকজন নিখোঁজ ও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

কার্পাসডাঙ্গায় কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

কার্পাসডাঙ্গায় কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দামুড়হুদার কার্পাসডাঙ্গায় দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এই মহান কবির মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে কবির স্মৃতিবিজড়িত স্মৃতিফলকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।বৃহস্পতিবার (২৭ শে আগস্ট) সকাল সাড়ে  ৯:৩০ টায় মিশনপাড়ার আটচালা ঘরের পাশে কবির স্মৃতি স্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।এতে অংশ নেন স্থানীয় প্রশাসনের এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন, কবি-সাহিত্যিক ও সাধারণ মানুষ।দামুড়হুদা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নেতৃত্বে কার্পাসডাঙ্গায় অবস্থিত কবির স্মৃতিফলকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এ সময় উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দও ফুল দিয়ে জাতীয় কবির প্রতি শ্রদ্ধা জানান। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে কার্পাসডাঙ্গা নজরুল স্মৃতি পাঠাগার প্রাঙ্গণে কবির বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।এ সময় বক্তারা বলেন, মানবতার প্রেম ও সাম্যের চেতনায় দীপ্ত কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর ডাকনাম ছিল ‘দুখু মিয়া’। শৈশব থেকেই দারিদ্র্য ও নানা প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই করে বেড়ে ওঠেন তিনি। তার আরও বলেন, পরবর্তী সময়ে সাহিত্য, সংগীত ও সাংবাদিকতার মাধ্যমে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিতে অসামান্য অবদান রাখেন।নজরুলের সৃষ্টিশীল জীবন ছিল মাত্র ২৩ বছরের। এই স্বল্প সময়ে তার কবিতা, গান, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ ও নাটক বাংলা সাহিত্যকে নতুন মাত্রা দেয়। তার লেখায় যেমন অন্যায়, শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ উঠে এসেছে, তেমনি ফুটে উঠেছে প্রেম, মানবতা ও সাম্যের চেতনা।বাংলা সাহিত্যপ্রেমীদের কাছে তিনি বিদ্রোহী কবি হিসেবে খ্যাত হলেও তার সৃষ্টিকর্মের বিস্তার অনেক বৃহৎ। কবিতা, গান, উপন্যাস, গল্প, নাটক, প্রবন্ধ ও চলচ্চিত্রে তিনি রেখেছেন স্বতন্ত্র স্বাক্ষর। পাশাপাশি তিনি সাংবাদিক, গায়ক ও অভিনেতা হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। সংগীতে তার অসংখ্য রাগ-রাগিনী আজও অমর হয়ে আছে।জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের অনেক স্মৃতি রয়েছে চুয়াডাঙ্গার কার্পাসডাঙ্গায়। তিনি একাধিকবার এসেছেন এখানে। যেখানে বসে তিনি লিখেছেন ছড়া, কবিতা, গান। কার্পাসডাঙ্গায় এসে তিনি যে ঘরে থাকতেন, কবির স্মৃতি ধরে রাখার জন্য ঘরটি সেভাবেই রাখা হয়েছে। কবির স্মৃতি ধরে রাখার জন্য কবির জন্মদিন-মৃত্যুদিন কার্পাসডাঙ্গায় জাতীয়ভাবে পালন করা হয়। চুয়াডাঙ্গা জেলা শহর থেকে প্রায় ১৯ কিলোমিটার দক্ষিল-পশ্চিমে দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা-মুজিবনগর সড়কে ঐতিহাসিক স্থান কার্পাসডাঙ্গায় পরপর দু’মাস ধরে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্বপরিবারে বসবাস করে গেছেন।সেই সুবাদে তাদের আমন্ত্রণে ১৯২৬ ও ১৯২৭ সালে পরপর দু’বার নদীপথে কবি নজরুল স্বপরিবারে কার্পাসডাঙ্গায় এসেছিলেন। সঙ্গে আসা স্ত্রী প্রমিলা, দু’পূত্র সব্যসাচী ও বুলবুল এবং শাশুড়ি গিরিবালাকে সঙ্গে নিয়ে কবি উঠেছিলেন বর্তমান কার্পাসডাঙ্গার মিশন পাড়ার হর্ষপ্রিয় বিশ্বাসের বাগান বাড়ির একটি আটচালা খড়ের ঘরে। এ ঘরটি এখনও বিদ্যমান।কর্মসূচিতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নেপালে বন্যায় নিহতের সংখ্যা ৬০০ ছুঁইছুঁই

নিখোঁজ প্রায় ২০০০ মানুষ / নেপালে বন্যায় নিহতের সংখ্যা ৬০০ ছুঁইছুঁই

নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় এক করুণ মানবিক বিপর্যয় নেমে এসেছে। পাহাড়ের ওপর থেকে ধেয়ে আসা প্রবল বানের তোড়ে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ছয়শো মানুষ।মৃত্যুর এই তালিকার পাশাপাশি এক বিশাল সংখ্যক মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের মধ্যে একটি বড় অংশই বিদেশি পর্যটক। নিখোঁজদের সন্ধানে দুর্ঘটনাকবলিত এলাকাগুলোতে উদ্ধার তৎপরতা চালানো হচ্ছে এবং তাদের জীবিত উদ্ধারে কাজ করছেন হাজার হাজার নিরাপত্তাকর্মী।এই প্রলয়ংকরী ঘটনার সূত্রপাত হয় হিমালয়ের বুক চিরে আসা নদীর পানি হঠাৎ তীব্র গতিতে বৃদ্ধি পাওয়ায়। পাহাড়ের ওপর থেকে নেমে আসা আকস্মিক ঢলের সঙ্গে যুক্ত হওয়া ভূমিধসের কাদা এবং পাথর এক ধ্বংসাত্মক রূপ ধারণ করে। বানের পানির এই তীব্র শক্তি তার গতিপথে থাকা বাড়িঘর, সেতু, গাছপালা এবং বৈদ্যুতিক খুঁটিসহ যাবতীয় অবকাঠামো মুহূর্তের মধ্যে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। নদীগুলোর পানি বিপৎসীমার অনেক ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত করে এই মর্মান্তিক ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের উপস্থিতি পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে। বিশেষ করে সংলগ্ন হিমালয় অঞ্চলের পর্যটন কেন্দ্র এবং পবিত্র স্থানগুলোতে দেশ-বিদেশের অসংখ্য ভ্রমণপিপাসু ও তীর্থযাত্রীর সমাগম ঘটেছিল। আকস্মিক এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে পড়ে তাদের একটি বড় অংশ আটকা পড়েন কিংবা ভেসে যান, যার ফলে বহু ভিন্ন দেশের নাগরিকদের এখন পর্যন্ত কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।এই দুর্যোগের প্রভাব পড়েছে পার্শ্ববর্তী তিব্বত অঞ্চলেও। সেখানেও বহু অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াও বেশ কয়েকজন নিখোঁজ ও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

চুয়াডাঙ্গার সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

চুয়াডাঙ্গার সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

ইজিবাইক শ্রমিকদের বিরুদ্ধে বাস-মিনিবাস শ্রমিকদের ওপর হামলা, মারধর ও বাস আটকে রাখার অভিযোগের জেরে চুয়াডাঙ্গা থেকে সব রুটে বাস ও মিনিবাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। হঠাৎ পরিবহন ধর্মঘটে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। জরুরি প্রয়োজনে গন্তব্যে যেতে না পেরে অনেককে বাস টার্মিনালে অপেক্ষা করতে হচ্ছে; কেউ কেউ অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে বিকল্প যানবাহনে যাতায়াত করছেন।চুয়াডাঙ্গা আন্তঃজেলা বাস-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের শ্রমিকদের ওপর ইজিবাইক শ্রমিকদের হামলা ও মারধরের অভিযোগে জেলার সব রুটে বাস ও মিনিবাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেন চুয়াডাঙ্গা আন্তঃজেলা বাস-মিনিবাস মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক হাজী আবুল কালাম আজাদ।স্থানীয় ও পরিবহন সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (২৭শে আগস্ট) চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলুকদিয়া ইউনিয়নের দৌলতদিয়াড় এলাকায় ব্যাটারিচালিত একটি ইজিবাইকচালক নিয়মবহির্ভাবে শহরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এ সময় সেখানে দায়িত্বে থাকা পুলিশ ও বাস শ্রমিক ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা তাকে বাধা দিয়ে ফিরিয়ে দেন। এ ঘটনার জেরে ওই ইজিবাইক চালক তাঁর সহযোগীদের নিয়ে আলোকদিয়া এলাকায় সংগঠিত হয়ে চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে চলাচলকারী একটি বাস আটকে দেন।অভিযোগ রয়েছে, এ সময় তারা বাসের চালক ও সুপারভাইজারকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার পাশাপাশি বাসে হামলা চালান এবং তাঁদের জিম্মি করে রাখেন। খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে জিম্মি থাকা বাসের চালক ও সুপারভাইজারকে উদ্ধার করে।ঘটনার প্রতিবাদ ও জড়িতদের শাস্তির দাবিতে চুয়াডাঙ্গা-আলমডাঙ্গা বাস-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ শ্রমিকরা দৌলতদিয়াড় এলাকায় সড়ক আড়াআড়ি বাস রেখে অবরোধ করেন। পরে চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপারের মধ্যস্থতায় এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে ন্যায্য বিচারের আশ্বাসে সড়ক অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। তবে শ্রমিকদের মধ্যে থাকা ক্ষোভ ও অসন্তোষ কমেনি।নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে গতকাল শুক্রবার (২৮শে আগস্ট) দিনভর চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা-হাটবোয়ালিয়া সহ জেলার অভ্যন্তরীণ সব রুটে বাস চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল। শনিবার (২৯শে আগস্ট) থেকে চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা-জীবননগর- হাসাদহ, চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা-কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গা-হাটবোয়ালিয়া রুটের সব বাস চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে।আকস্মিক জেলার সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় কাজে কিংবা নির্ধারিত গন্তব্যে যাওয়ার জন্য বাসের ওপর নির্ভরশীল মানুষগুলোকে পড়তে হয়েছে চরম বিড়ম্বনায়। বাস না পেয়ে অনেকেই টার্মিনালে অপেক্ষা করেছেন, আবার অনেকে বাধ্য হয়ে বিকল্প যানবাহনে গন্তব্যে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন।স্থানীয় বাসযাত্রীরা বলেন, হঠাৎ বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। প্রয়োজনীয় কাজে গন্তব্যে যাওয়ার জন্য বাসের অপেক্ষায় এসে এখন বিকল্প যানবাহনের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এতে অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হচ্ছে এবং সময়ও বেশি লাগছে।আরাফাত হোসেন নামের এক যাত্রীর ভাষ্য, বাস বন্ধ থাকায় নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে। পরিবহন শ্রমিকদের যে দাবি বা সমস্যা রয়েছে, তার দ্রুত সমাধান হওয়া প্রয়োজন, যাতে সাধারণ মানুষকে এ ধরনের দুর্ভোগে পড়তে না হয়।যুবায়ের রহমান নামের এক বাসযাত্রী বলেন, বাস চলাচল বন্ধ থাকায় টার্মিনালে এসে ফিরে যেতে হচ্ছে। জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াত করতে গিয়ে বিকল্প যানবাহনের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।এদিকে মালিক ও শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, শ্রমিকদের ওপর হামলার সুষ্ঠু বিচার এবং সড়কে ইজিবাইকের অবৈধ চলাচল বন্ধে প্রশাসন দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নেওয়া পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গা থেকে কোনো রুটে বাস চলাচল করবে না।

বিশ্বকাপ দলগুলোর থাকার হোটেল ও অনুশীলন ক্যাম্প, কার ঠিকানা কোথায়?

বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট / বিশ্বকাপ দলগুলোর থাকার হোটেল ও অনুশীলন ক্যাম্প, কার ঠিকানা কোথায়?

দুয়ারে কড়া নাড়ছে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় মহাযজ্ঞ ২০২৬ বিশ্বকাপ। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৪৮টি দলের অংশগ্রহণে যৌথভাবে এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করছে তিন দেশ যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা। ঘরোয়া ফুটবল মৌসুম শেষেই নিজ নিজ দেশের ক্যাম্পে যোগ দেবেন ফুটবলাররা। ১০৪ ম্যাচের এই দীর্ঘ বিশ্বযুদ্ধের বেশিরভাগ ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে আমেরিকার মাটিতে।বিশ্বকাপের মতো মেগা টুর্নামেন্টে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি ফুটবলারদের বিশ্রাম, পুষ্টি ও অনুশীলনের সুবিধা ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রতিটি দলই ম্যাচ ভেন্যুর কাছাকাছি বেছে নিয়েছে নিজেদের বেস ক্যাম্প। তারকা ফুটবলারদের জন্য এসব ক্যাম্পে থাকছে আধুনিক পারফরম্যান্স ল্যাব, জিমনেসিয়াম ও বিলাসবহুল আবাসন ব্যবস্থা।পাঠকদের জন্য ২০২৬ বিশ্বকাপের দলগুলোর বেস ক্যাম্প, অনুশীলনের ভেন্যু এবং গ্রুপ পর্বের ম্যাচের সময়সূচি বিস্তারিত তুলে ধরা হলো:যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকারী দলসমূহআর্জেন্টিনা (ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন)অবস্থান: কানসাস সিটি, মিসৌরিঅনুশীলন: স্পোর্টিং কেসি পারফরম্যান্স সেন্টারআবাসন: হোটেল সেভয়, কানসাস সিটিআলজেরিয়া (১৬ জুন, কানসাস সিটি), অস্ট্রিয়া (২২ জুন, ডালাস), জর্ডান (২৭ জুন, ডালাস)।বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের ক্যাম্পে থাকবে কঠোর নিরাপত্তা। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের দোহা ক্যাম্পের মতোই এখানেও আলবিসেলেস্তেদের জন্য থাকছে তাদের ঐতিহ্যবাহী 'বার্বিকিউ মাংস' রান্নার বিশেষ কাস্টমাইজড সুবিধা। হোটেল থেকে অনুশীলন মাঠের দূরত্ব ২০ মিনিটেরও কম।ব্রাজিলঅবস্থান: নিউ ইয়র্ক এবং নিউ জার্সিঅনুশীলন: কলম্বিয়া পার্ক ট্রেনিং施設 (নিউ জার্সি)আবাসন: রিজ হোটেল, নিউ ইয়র্ক সিটিম্যাচের সূচি: মরক্কো (১৩ জুন, নিউ জার্সি), হাইতি (১৯ জুন, ফিলাডেলফিয়া), স্কটল্যান্ড (২৪ জুন, মায়ামি)।পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা থাকার জন্য বেছে নিয়েছে ঝলমলে নিউ ইয়র্ক সিটি ('বিগ অ্যাপেল')। তবে তারা অনুশীলন করবে পার্শ্ববর্তী নিউ জার্সিতে এমএলএস দল নিউ ইয়র্ক রেড বুলসের সর্বাধুনিক সুবিধাসম্পন্ন কেন্দ্রে।জার্মানিঅবস্থান: উইনস্টন-সালেম, নর্থ ক্যারোলিনাঅনুশীলন: ওয়েক ফরেস্ট বিশ্ববিদ্যালয় (ডব্লিউ ডেনি স্প্রি সকার স্টেডিয়াম)আবাসন: দ্য গ্রেলাইন এস্টেটম্যাচের সূচি: কুরাসাও (১৪ জুন, হিউস্টন), আইভরি কোস্ট (২০ জুন, টরন্টো), ইকুয়েডর (২৫ জুন, নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি)।চারবারের চ্যাম্পিয়নরা সম্পূর্ণ গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে বিলাসবহুল বুটিক হোটেল গ্রেলাইন এস্টেট বেছে নিয়েছে। ওয়েক ফরেস্ট ইউনিভার্সিটির এই স্টেডিয়ামটি আমেরিকার অন্যতম সেরা কলেজিয়েট ফুটবল ভেন্যু। এখানে সাধারণ মানুষের প্রবেশের কোনো সুযোগ থাকবে না।ফ্রান্সঅবস্থান: ওয়ালথাম, ম্যাসাচুসেটসঅনুশীলন: বেন্টলি বিশ্ববিদ্যালয়আবাসন: ফোর সিজনস হোটেল, বোস্টনম্যাচের সূচি: সেনেগাল (১৬ জুন, নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি), ইরাক (২২ জুন, ফিলাডেলফিয়া), নরওয়ে (২৬ জুন, বোস্টন)।বেন্টলি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ফরাসি দলের জন্য অতিরিক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে, তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস কোনো ব্যাঘাত ছাড়াই চলবে।ইংল্যান্ডঅবস্থান: কানসাস সিটি, মিসৌরিঅনুশীলন: সোয়াপ সকার সেন্টারআবাসন: দ্য ইন অ্যাট মেডোব্রুকম্যাচের সূচি: ক্রোয়েশিয়া (১৭ জুন, ডালাস), ঘানা (২৩ জুন, বোস্টন), পানামা (২৭ জুন, নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি)।হ্যারিকেনদের হোটেলটি তাদের অনুশীলন মাঠ থেকে ২০ মিনিটের দূরত্বে অবস্থিত। কানসাস সিটিতে ইংল্যান্ডের পাশাপাশি আর্জেন্টিনা এবং নেদারল্যান্ডসও ঘাঁটি গেড়েছে।পর্তুগালঅবস্থান: পাম বিচ কাউন্টি, ফ্লোরিডাঅনুশীলন: গার্ডেন নর্থ কাউন্টি ডিস্ট্রিক্টস পার্কআবাসন: ফোর সিজনস হোটেলম্যাচের সূচি: ডিআর কঙ্গো (১৭ জুন, হিউস্টন), উজবেকিস্তান (২৩ জুন, হিউস্টন), কলম্বিয়া (২৮ জুন, মায়ামি)।১০টি মাঠের এই বিশাল স্পোর্টস কমপ্লেক্সে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দল অনুশীলন করবে। এর আগে এখানে রিয়াল মাদ্রিদ দল ক্লাব বিশ্বকাপের সময় অনুশীলন করেছিল।স্পেনঅবস্থান: চ্যাটানুগা, টেনেসিঅনুশীলন: বেলর স্কুলআবাসন: দ্য অ্যাম্বাসি সুইটসম্যাচের সূচি: কেপ ভার্দে (১৫ জুন, আটলান্টা), সৌদি আরব (২১ জুন, আটলান্টা), উরুগুয়ে (২৬ জুন, গুয়াদালাহারা)।চ্যাটানুগার একটি অভিজাত ব্যক্তিগত স্কুলে অবস্থান করবে স্পেন। দলের শতভাগ গোপনীয়তা বজায় রাখতে বেলর স্কুল তাদের ক্যাম্পাসে ১০ ফুটের ব্ল্যাকআউট বেষ্টনী তৈরি করেছে।নেদারল্যান্ডসঅবস্থান: কানসাস সিটি, মিসৌরিঅনুশীলন: কেসি কারেন্ট ট্রেনিং সেন্টারআবাসন: হোটেল কানসাস সিটিম্যাচের সূচি: জাপান (১৪ জুন, ডালাস), সুইডেন (২০ জুন, হিউস্টন), তিউনিসিয়া (২৫ জুন, কানসাস সিটি)।ডাচরা আমেরিকার প্রথম বিশেষায়িত নারী পেশাদার ক্রীড়া দলের (কানসাস সিটি কারেন্ট) কমপ্লেক্সে অনুশীলন করবে। ঐতিহ্যবাহী 'কমলা ডাবল-ডেকার বাস' নিয়ে এবারও মাতবেন ডাচ সমর্থকরা।বেলজিয়ামঅবস্থান: রেন্টন, ওয়াশিংটনঅনুশীলন: সিয়াটল সাউন্ডার্স ট্রেনিং সেন্টারআবাসন: হায়াত রিজেন্সি, সিয়াটলম্যাচের সূচি: মিশর (১৫ জুন, সিয়াটল), ইরান (২১ জুন, লস অ্যাঞ্জেলেস), নিউজিল্যান্ড (২৬ জুন, ভ্যাঙ্কুভার)।ইতালি/অন্যান্য ইউরোপীয় দলসমূহ:ক্রোয়েশিয়া: অবস্থান ভার্জিনিয়ার আলেকজান্দ্রিয়া (এপিসকোপাল হাই স্কুল)। ম্যাচের সূচি: ইংল্যান্ড (১৭ জুন), পানামা (২৩ জুন), যুক্তরাষ্ট্র (২৭ জুন)।অস্ট্রিয়া: অবস্থান সান্টা বারবারা, ক্যালিফোর্নিয়া। হোটেলের নাম রিৎজ-কার্লটন।সুইডেন: ফ্রিসকো, টেক্সাস (এফসি ডালাস স্টেডিয়াম)। ১৮২ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে সংস্কার করা স্টেডিয়ামে অনুশীলন করবে তারা।সুইজারল্যান্ড: সান ডিয়েগো, ক্যালিফোর্নিয়া। হোটেল থেকে একাডেমির দূরত্ব মাত্র ৮ মিনিট।চেক প্রজাতন্ত্র: ম্যানসফিল্ড, টেক্সাস (ম্যানসফিল্ড মাল্টিপারপাস স্টেডিয়াম)।এশিয়ান ও আফ্রিকান পরাশক্তিদের ক্যাম্প:জাপান: অ্যান্টিওক, টেনেসি (ন্যাশভিল এসসি ভ্যান্ডারবিল্ট হেলথ ট্রেনিং সেন্টার)।সৌদি আরব: অস্টিন, টেক্সাস (অস্টিন এফসি স্টেডিয়াম)। ২০৩৪ বিশ্বকাপের একক আয়োজক দেশটি থাকবে অস্টিনের ফোর সিজনস হোটেলে।মিশর: স্পোকেন, ওয়াশিংটন (গনজাগা বিশ্ববিদ্যালয়)। মোহাম্মদ সালাহর দল মূলত পশ্চিম উপকূল কেন্দ্রিক ম্যাচগুলো খেলবে।আইভরি কোস্ট: চেস্টার, পেনসিলভানিয়া (ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়ন সুবারু পার্ক)।সেনেগাল: পিসকাটাওয়ে, নিউ (রুটগার্স বিশ্ববিদ্যালয়)।ঘানা: স্মিথফিল্ড, রোড আইল্যান্ড (ব্রায়ান্ট বিশ্ববিদ্যালয়)।উজবেকিস্তান (নবাগত): ম্যারিয়েটা, জর্জিয়া (আটলান্টা ইউনাইটেড ট্রেনিং সেন্টার)।ইরাক: হোয়াইট সালফার স্প্রিংস, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া (দ্য গ্রিনব্রিয়ার রিসোর্ট)। যেখানে পূর্বে ২৮ জন মার্কিন প্রেসিডেন্ট অবস্থান করেছেন, সেই রাজকীয় রিসোর্টে থাকবে ইরাক দল।আলজেরিয়া: লরেন্স, কানসাস (কানসাস বিশ্ববিদ্যালয়)।লাতিন ও উত্তর আমেরিকার অন্যান্য দল:যুক্তরাষ্ট্র (স্বাগতিক): আরভাইন, ক্যালিফোর্নিয়া (গ্রেট পার্ক স্পোর্টস কমপ্লেক্স)। অবসরপ্রাপ্ত সামরিক বিমানঘাঁটিতে তৈরি এই ক্যাম্পকে 'অনবদ্য' আখ্যা দিয়েছেন ইউএস সকারের ডিরেক্টর।অস্ট্রেলিয়া: ওকল্যান্ড, ক্যালিফোর্নিয়া (ক্লেয়ারমন্ট রিসোর্ট অ্যান্ড ক্লাব)।প্যারাগুয়ে: সান জোসে, ক্যালিফোর্নিয়া (সান জোসে স্টেট ইউনিভার্সিটি)।ইকুয়েডর: কলম্বাস, ওহিও (কলম্বাস ক্রু পারফরম্যান্স সেন্টার)।ডিআর কঙ্গো: হিউস্টন, টেক্সাস (হিউস্টন স্পোর্টস পার্ক)।কেপ ভার্দে (নবাগত): টাম্পা, ফ্লোরিডা (ওয়াটার্স স্পোর্টসপ্লেক্স)।কুরাসাও (নবাগত): পাম বিচ কাউন্টি, ফ্লোরিডা (ফ্লোরিডা আটলান্টিক বিশ্ববিদ্যালয়)।জর্ডান (নবাগত): পোর্টল্যান্ড, ওরেগন (পোর্টল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়)।মেক্সিকো (স্বাগতিক)অবস্থান: মেক্সিকো সিটিপ্রশিক্ষণ ও আবাসন: সেন্ট্রো ডি আল্টো রেন্ডিমিয়েন্টো (CAR)ম্যাচের সূচি: দক্ষিণ আফ্রিকা (১১ জুন, মেক্সিকো সিটি), দক্ষিণ কোরিয়া (১৮ জুন, গুয়াদালাহারা), চেকিয়া (২৪ জুন, মেক্সিকো সিটি)।মেক্সিকো তাদের নিজেদের ঘরের মাঠের আবহ এবং উচ্চতার সুবিধা (Altitude Advantage) শতভাগ কাজে লাগাতে রাজধানীতেই ক্যাম্প করেছে। এই হাই-পারফরম্যান্স কেন্দ্রটি ঐতিহাসিক অ্যাজটেকা স্টেডিয়াম থেকে মাত্র ১৫ মিনিট দূরে, যা একই সাথে খেলোয়াড়দের থাকা ও অনুশীলনের জায়গা হিসেবে কাজ করবে।কলম্বিয়াঅবস্থান: গুয়াদালাহারা, মেক্সিকোঅনুশীলন: অ্যাটলাস এজিএ একাডেমিআবাসন: গ্র্যান্ড ফিয়েস্তা আমেরিকানা কান্ট্রি ক্লাবউজবেকিস্তান (১৭ জুন, মেক্সিকো সিটি), ডিআর কঙ্গো (২৩ জুন, গুয়াদালাহারা), পর্তুগাল (২৭ জুন, মায়ামি)।বিশেষত্ব: ২০২৩ সালে উদ্বোধন করা এই আধুনিক পারফরম্যান্স সেন্টারে ছয়টি পেশাদার মাঠ এবং স্পোর্টস সায়েন্স মেডিকেল সেন্টার রয়েছে।মেক্সিকোর অন্যান্য ক্যাম্প:দক্ষিণ কোরিয়া: গুয়াদালাহারা (চিভাস ভার্দে ভালে)। উচ্চতার সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য এই শহরটিকে বেছে নিয়েছে তারা।দক্ষিণ আফ্রিকা: পাচুকা (ইউনিভার্সিদাদ দেল ফুটবল)। এখানে একটি ফিফা-সার্টিফাইড মেডিকেল সেন্টার রয়েছে।তিউনিসিয়া: মনটেনি (এল বারিয়াল ট্রেনিং সেন্টার)। লাতিন আমেরিকার অন্যতম প্রিমিয়াম ফুটবল সুবিধা এটি।প্লেয়া ডেল কারমেন, কুইন্টানা রু (মায়াকোবা ট্রেনিং সেন্টার)। বিমানবন্দর ও হোটেলের কাছাকাছি বিলাসবহুল রিসোর্ট সিটিতে থাকবে সুয়ারেজ-ভালভার্দের দেশ।কানাডা অবস্থান: ভ্যাঙ্কুভার, ব্রিটিশ কলম্বিয়াঅনুশীলন: ন্যাশনাল সকার ডেভেলপমেন্ট সেন্টারআবাসন: দ্য ওয়েস্টিন বেশোর, ভ্যাঙ্কুভারম্যাচের সূচি: বসনিয়া (১২ জুন, টরন্টো), কাতার (১৮ জুন, ভ্যাঙ্কুভার), সুইজারল্যান্ড (২৪ জুন, ভ্যাঙ্কুভার)।স্বাগতিক দেশের সুবিধা নিয়ে কানাডা ভ্যাঙ্কুভারে বেস ক্যাম্প করেছে। গ্রুপ পর্বের ৩টি ম্যাচের ২টিই তারা ঘরের মাঠে খেলবে।পানামাঅবস্থান: নিউ টেকুমসেথ, ওন্টারিওঅনুশীলন: নোটাওয়াসাগা ট্রেনিং সেন্টারআবাসন: নোটাওয়াসাগা রিসোর্ট অ্যান্ড কনফারেন্স সেন্টারম্যাচের সূচি: ঘানা (১৭ জুন, টরন্টো), ক্রোয়েশিয়া (২৩ জুন, টরন্টো), ইংল্যান্ড (২৭ জুন, নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি)।কানাডা নিজেদের দল ছাড়া একমাত্র পানামাকেই তাদের দেশের মাটিতে বেস ক্যাম্প করার অনুমতি দিয়েছে।ইরানঅবস্থান: তিজুয়ানা, মেক্সিকো (যুক্তরাষ্ট্র সীমান্তের ঠিক বিপরীতে)ম্যাচের সূচি: নিউজিল্যান্ড (১৫ জুন), বেলজিয়াম (২১ জুন), মিশর (২৬ জুন)।রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা জনিত বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে ইরানের বিশ্বকাপ ক্যাম্প নিয়ে বেশ জলঘোলা হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দলটিকে স্বাগত জানালেও সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা ছিল। ফলে নির্বিঘ্নে অনুশীলনের জন্য আমেরিকার সান ডিয়েগোর ঠিক বিপরীতে মেক্সিকোর সীমান্ত শহর তিজুয়ানায় বেস ক্যাম্প সরানোর সিদ্ধান্ত নেয় ইরান ফুটবল ফেডারেশন, যা ফিফা কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে।সব মিলিয়ে ফুটবলারদের সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স আদায় করে নিতে আয়োজক শহরগুলো এখন সম্পূর্ণ প্রস্তুত। মাঠের লড়াইয়ে কোন ক্যাম্পের কৌশল কতটা কাজে আসে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

চাকরি

কোন পোস্ট নেই !
ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কুবিতে বৃক্ষরোপণ

ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কুবিতে বৃক্ষরোপণ

ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ'র ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেল ৪টায় ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।কর্মসূচির শুরুতে সংগঠনের ৩৫ বছরের পথচলা উদযাপন উপলক্ষে ‘৩৫’ সংখ্যা খচিত বেলুন উড্ডয়ন করা হয়। পরে ক্যাম্পাসের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ করা হয়।এসময় সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক গাজী শাওন বলেন, “ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ সর্বদা শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করে। গত ৩৫ বছর ধরে সংগঠনটি শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, আদর্শ, মানবিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে কাজ করে আসছে। একটি নৈতিক ও আদর্শবান প্রজন্ম গড়ে তোলার প্রত্যয়ে সংগঠনের এই পথচলা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”সভাপতি আবছার উদ্দিন ইফতি বলেন, “প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ দেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও চারিত্রিক অবক্ষয় থেকে রক্ষা করে আলোর দিশা দেখানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে। সংগঠনটি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সুস্থ ও নৈতিকতাসম্পন্ন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে এবং তাদের অধিকার আদায়ে রাজপথে সংগ্রাম করেছে।”তিনি আরও বলেন, “জুলাই আন্দোলনেও ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দ সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ৩৫ বছরের পথচলায় শিক্ষার্থীদের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়- এমন কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ জড়িত ছিল না। বরং এ পথচলায় অসংখ্য সৎ, যোগ্য, মেধাবী ও নৈতিকতাসম্পন্ন নেতৃত্ব তৈরি হয়েছে।”

অনলাইন জরিপ
১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৩ পিএম
বাস ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ৪.০৫ টাকা বাড়াতে চায় বাস মালিকরা। আপনি কি বাস মালিকদের দাবিকে যৌক্তিক মনে করছেন?

বাস ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ৪.০৫ টাকা বাড়াতে চায় বাস মালিকরা। আপনি কি বাস মালিকদের দাবিকে যৌক্তিক মনে করছেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

এভিয়েশন

কোন পোস্ট নেই !

শিশু কিশোর

কোন পোস্ট নেই !

আর্কাইভ

কোন পোস্ট নেই !

আর্কাইভ

কোন পোস্ট নেই !