বিপ্লবী বার্তা
সর্বশেষ
মৃত বোনের কঙ্কাল নিয়ে ব্যাংকে হাজির ভাই

মৃত বোনের কঙ্কাল নিয়ে ব্যাংকে হাজির ভাই

ভারতের ওডিশা রাজ্যে এক অদ্ভুত ও চাঞ্চল্যকর ঘটনার পর দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এক ব্যক্তি তার মৃত বোনের কঙ্কাল নিয়ে ব্যাংকে হাজির হওয়ার অভিযোগে ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ভাইরাল হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দিয়ানালি গ্রামের বাসিন্দা জিতু মুন্ডা (৫০) তার বড় বোন কালরা মুন্ডার (৫৬) ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে ২০ হাজার রুপি উত্তোলনের চেষ্টা করেন। কালরা মুন্ডা চলতি বছরের ২৬ জানুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন।জিতু মুন্ডার অভিযোগ, বারবার ব্যাংকে যাওয়ার পরও কর্মকর্তারা তাকে টাকা উত্তোলনের অনুমতি দেননি। তিনি বলেন, তাকে বারবার বলা হয় অ্যাকাউন্টধারীকে সঙ্গে নিয়ে আসতে হবে। বোনের মৃত্যু হয়েছে জানালেও ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তা গ্রহণ করেনি বলে তার দাবি। পরে বাধ্য হয়েই তিনি কবর থেকে বোনের কঙ্কাল তুলে ব্যাংকে নিয়ে যান, যাতে মৃত্যু প্রমাণ করা যায়।ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর একদিন পর ইন্ডিয়ান ওভারসিজ ব্যাংক একটি ব্যাখ্যা দেয়। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানায়, তারা কখনোই মৃত ব্যক্তিকে শারীরিকভাবে উপস্থিত করার দাবি করেনি এবং বিষয়টি ভুলভাবে উপস্থাপিত হয়েছে।এদিকে স্থানীয় প্রশাসন ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। পাতনা থানার ওসি কিরণ প্রসাদ সাহু বলেন, জিতু মুন্ডা একজন অশিক্ষিত আদিবাসী ব্যক্তি। তিনি ‘লিগ্যাল হেয়ার’ বা উত্তরাধিকার সংক্রান্ত নিয়ম সম্পর্কে অবগত নন। অন্যদিকে ব্যাংক কর্তৃপক্ষও প্রক্রিয়াটি যথাযথভাবে বোঝাতে ব্যর্থ হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে এবং বিষয়টি এখনো ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।

সাতক্ষীরায় গহনা ছিনতাইকালে ইটের আঘাতে নারী নিহত

সাতক্ষীরায় গহনা ছিনতাইকালে ইটের আঘাতে নারী নিহত

স্বামীর মৃত্যুর পর জীবনযুদ্ধে হার মানেননি বীথিকা রানী ঘোষ। একটি ছোট মুদি দোকান আগলে রেখেই বুনেছিলেন বেঁচে থাকার স্বপ্ন। কিন্তু সেই স্বপ্ন আর সংসারের ঘানি টানার লড়াই থেমে গেল এক নিমেষেই। সামান্য কিছু স্বর্ণালঙ্কারের লোভে দুর্বৃত্তদের ইটের আঘাতে প্রাণ হারাতে হলো এই সংগ্রামী নারীকে।রোববার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নের মাগুরা গ্রামে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত বীথিকা রানী ঘোষ (৪৫) ওই গ্রামের মৃত বিশ্বনাথ ঘোষের স্ত্রী।স্থানীয় বাসিন্দা জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, মাগুরা বৌবাজার এলাকায় বীথিকা রানীর একটি মুদি দোকান রয়েছে। প্রতিদিনের মতো রোববার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে দোকানের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু পথিমধ্যেই ওঁত পেতে থাকা অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাদের লক্ষ্য ছিল বীথিকার শরীরে থাকা স্বর্ণের গহনা।ধারণা করা হচ্ছে, গহনা ছিনিয়ে নেওয়ার সময় বীথিকা বাধা দিলে দুর্বৃত্তরা তার কপালে ও মাথায় ইট দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর ঘাতকরা তার মরদেহ পাশের একটি পুকুরের পানিতে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায়। নিহতের হাতে স্বর্ণের রুলি, গলায় চেইন এবং কানে স্বর্ণের দুল ছিল যা নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। রাত ৪টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন্স) সুশান্ত কুমার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিকভাবে এটি একটি পরিকল্পিত ছিনতাই ও হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পেলে এবং তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে। এই ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।এক সংগ্রামী নারীর এমন করুণ মৃত্যুতে মাগুরা কুলুপাড়া গ্রামে এখন শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সামান্য গহনার জন্য একজন মানুষকে এভাবে জীবন দিতে হবে, তা যেন বিশ্বাসই করতে পারছেন না প্রতিবেশীরা।

মতামত

কোন পোস্ট নেই !
মৃত বোনের কঙ্কাল নিয়ে ব্যাংকে হাজির ভাই

মৃত বোনের কঙ্কাল নিয়ে ব্যাংকে হাজির ভাই

ভারতের ওডিশা রাজ্যে এক অদ্ভুত ও চাঞ্চল্যকর ঘটনার পর দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এক ব্যক্তি তার মৃত বোনের কঙ্কাল নিয়ে ব্যাংকে হাজির হওয়ার অভিযোগে ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ভাইরাল হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দিয়ানালি গ্রামের বাসিন্দা জিতু মুন্ডা (৫০) তার বড় বোন কালরা মুন্ডার (৫৬) ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে ২০ হাজার রুপি উত্তোলনের চেষ্টা করেন। কালরা মুন্ডা চলতি বছরের ২৬ জানুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন।জিতু মুন্ডার অভিযোগ, বারবার ব্যাংকে যাওয়ার পরও কর্মকর্তারা তাকে টাকা উত্তোলনের অনুমতি দেননি। তিনি বলেন, তাকে বারবার বলা হয় অ্যাকাউন্টধারীকে সঙ্গে নিয়ে আসতে হবে। বোনের মৃত্যু হয়েছে জানালেও ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তা গ্রহণ করেনি বলে তার দাবি। পরে বাধ্য হয়েই তিনি কবর থেকে বোনের কঙ্কাল তুলে ব্যাংকে নিয়ে যান, যাতে মৃত্যু প্রমাণ করা যায়।ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর একদিন পর ইন্ডিয়ান ওভারসিজ ব্যাংক একটি ব্যাখ্যা দেয়। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানায়, তারা কখনোই মৃত ব্যক্তিকে শারীরিকভাবে উপস্থিত করার দাবি করেনি এবং বিষয়টি ভুলভাবে উপস্থাপিত হয়েছে।এদিকে স্থানীয় প্রশাসন ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। পাতনা থানার ওসি কিরণ প্রসাদ সাহু বলেন, জিতু মুন্ডা একজন অশিক্ষিত আদিবাসী ব্যক্তি। তিনি ‘লিগ্যাল হেয়ার’ বা উত্তরাধিকার সংক্রান্ত নিয়ম সম্পর্কে অবগত নন। অন্যদিকে ব্যাংক কর্তৃপক্ষও প্রক্রিয়াটি যথাযথভাবে বোঝাতে ব্যর্থ হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে এবং বিষয়টি এখনো ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।

মুকসুদপুরে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী

মুকসুদপুরে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী

"পুষ্টি বৈষম্যের দিন শেষ, স্বনির্ভর বাংলাদেশ" এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কনফারেন্স রুমে জনস্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বাস্তবায়নে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও উপজেলা জাতীয় পুষ্টি কমিটির সভাপতি মাহমুদ আশিক কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এবং কমিটির সদস্য সচিব ডা. রায়হান ইসলাম শোভন।উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মানস ভট্টাচার্য এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, মুকসুদপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস ছালাম খান ও সাধারণ সম্পাদক তারিকুল ইসলাম রাজু। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. বিস্মদেব মন্ডল। বীর মুক্তিযোদ্ধা দিনেশ চন্দ্র মন্ডল। ডা. সোহরাব হোসেন এবং মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. ছিরু মিয়া।জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে প্রধান অতিথি ও সভাপতি পুরস্কার তুলে দেন। প্রতিযোগিতার বিষয়গুলো ছিল নিম্নরূপ:তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি এবং ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে। ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের এবং নবম থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে।সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ আশিক কবির বলেন, "একটি সুস্থ ও সবল জাতি গঠনে পুষ্টির গুরুত্ব অপরিসীম। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে সঠিক পুষ্টি নিশ্চিত করতে হবে যাতে আমরা একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে পারি।"অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, চিকিৎসক, সাংবাদিক এবং বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন। পুরো আয়োজনটি ছিল প্রাণবন্ত এবং শিক্ষামূলক।

মাদকমুক্ত প্রজন্ম গড়তে শিশুদের মাঠমুখী করার আহ্বান জেলা প্রশাসকের

মাদকমুক্ত প্রজন্ম গড়তে শিশুদের মাঠমুখী করার আহ্বান জেলা প্রশাসকের

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার মাধ্যমে শারীরিক, মানসিক ও নান্দনিক বিকাশ এবং প্রতিযোগিতার মনোভাব গড়ে তোলার লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় জেলা পর্যায়ে ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক ও বালিকা) ২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসন ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়।সাতক্ষীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমীন-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতার।বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আরেফিন জুয়েল বিপিএম। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার অর্ণব দত্ত। সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু। জেলা জামায়াতের আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল। সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি জি এম মনিরুল ইসলাম মিনি। সাবেক ফিফা রেফারি তৈয়েব হাসান বাবুসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গ।প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতার বলেন, মাদকের বিষাক্ত ছোবল থেকে বাচ্চাদের রক্ষা করতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। শৈশব ও কৈশোরের আনন্দ এবং সুস্থ দেহ-মন গঠনের উদ্যোগ হিসেবেই এই গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে।টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী দিনে দুটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়:বালিকা বিভাগ থেকে আশাশুনি শরাফপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বনাম হাদিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এবং বালক বিভাগ থেকে আশাশুনি আনুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বনাম দেবহাটা টাউন শ্রীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ, শিক্ষা কর্মকর্তা এবং কয়েকশ শিক্ষক-শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। টুর্নামেন্টটি শিক্ষার্থীদের মনোবল বৃদ্ধি ও সহিংসতা দূর করে ভ্রাতৃত্ববোধ তৈরিতে সহায়ক হবে বলে আয়োজকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

চাকরি

কোন পোস্ট নেই !
লোকবল সংকটে ধুঁকছে জাবির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অফিস

লোকবল সংকটে ধুঁকছে জাবির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অফিস

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অফিসে দীর্ঘদিন ধরে কর্মকর্তা কর্মচারী সংকট বিরাজ করছে। এতে অফিসটিতে প্রায় অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সেখানে তিনজনের কাজ করতে হচ্ছে একজনকে। দপ্তরে অন্তত ১১টি পদ শূন্য থাকলেও তা পূরণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।লোকবল সংকটের কারণে সঠিক সময়ে ফলাফল প্রকাশ করতে না পারায় শিক্ষার্থীরা যেমন ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন, তেমনি অতিরিক্ত কাজের চাপে হিমশিম খাচ্ছেন কর্মরত ব্যক্তিরা।​পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অফিস সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর আগে ২০১৬ সালে একজন কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও আজও সেই নিয়োগ কার্যক্রম শেষ হয়নি। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৬টি বিভাগ ও ৪টি ইনস্টিটিউটের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি অন্তত ২২টি ইভিনিং ও উইকেন্ড কোর্সের ফলাফল প্রস্তুত করতে হয় এই দপ্তরকে। লোকবল কমলেও কাজের চাপ বেড়েছে বহুগুণ।​নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অফিসের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমাদের পর্যাপ্ত লোকবল নেই। পরীক্ষার সময়ে একজনকে অনেকগুলো বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের দায়িত্ব পালন করতে হয়, যা অত্যন্ত কষ্টকর। দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগ আটকে থাকার কারণ আমাদের বোধগম্য নয়।’​এ বিষয়ে ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সাধারণ সম্পাদক ফাইজান আহমেদ অর্ক বলেন, ‘নিয়োগ প্রক্রিয়ার চেয়েও বর্তমানে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরকে অটোমেশন প্রক্রিয়ার আওতায় আনা অধিক গুরুত্বপূর্ণ। আমরা বারবার প্রশাসনকে এই ব্যবস্থা বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে আসছি। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন তথা বর্তমান জাতীয় ছাত্রশক্তিও এ দাবিতে অনশন কর্মসূচি পালন করেছে।’​তিনি আরও বলেন, ‘অটোমেশন হলে টেকনিক্যাল জটিলতাগুলো সহজেই সমাধান হবে এবং ফলাফল প্রকাশে বিলম্ব কমবে। বর্তমান প্রশাসন ইতিমধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। তাই এখনই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ ও নিয়োগে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।’জাকসুর শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক আবু উবায়দা ওসামা বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে উপাচার্য স্যারকে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কথা জানিয়ে আসছি। কিন্তু গত জুলাইয়ের পর থেকে প্রশাসন এ বিষয়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরের এই সংকটের কারণে শিক্ষার্থীদের ফলাফল প্রকাশে বিলম্ব হচ্ছে এবং কৃত্রিম সেশনজট তৈরি হচ্ছে, যার সম্পূর্ণ দায় প্রশাসনের।’​সার্বিক বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ছালেহ আহাম্মদ খান বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে লোকবল সংকটের বিষয়টি গভীরভাবে অনুধাবন করে নোট আকারে প্রশাসনের কাছে ফাইল পাঠিয়েছি। এখন পরবর্তী পদক্ষেপ প্রশাসনের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিলেই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। আমাদের পক্ষ থেকে কোনো বাধা নেই, উপাচার্য নির্দেশ দিলে বিষয়টি দ্রুত কার্যকর করা হবে।’​অভিযোগ ও সংকটের বিষয়ে বক্তব্য জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসানের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

অনলাইন জরিপ
১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৩ পিএম
বাস ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ৪.০৫ টাকা বাড়াতে চায় বাস মালিকরা। আপনি কি বাস মালিকদের দাবিকে যৌক্তিক মনে করছেন?

বাস ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ৪.০৫ টাকা বাড়াতে চায় বাস মালিকরা। আপনি কি বাস মালিকদের দাবিকে যৌক্তিক মনে করছেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

এভিয়েশন

কোন পোস্ট নেই !

শিশু কিশোর

কোন পোস্ট নেই !

আর্কাইভ

কোন পোস্ট নেই !

আর্কাইভ

কোন পোস্ট নেই !