বিপ্লবী বার্তা
সর্বশেষ
এইচএসসিতে পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ, কমেছে ৬.৭১ শতাংশ

এইচএসসিতে পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ, কমেছে ৬.৭১ শতাংশ

চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ। ২০২৫ সালে এই পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ।শনিবার (৩১ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এ বছর নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেন। তবে পরীক্ষায় উল্লেখযোগ্যসংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।গত ২রা জুলাই চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী লিখিত পরীক্ষা ৮ আগস্ট শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হয়।প্রকাশিত ফলাফল অনলাইনে জানতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা। এ জন্য শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত ওয়েবসাইট https://eduboardresults.gov.bd এবং https://educationboardresults.gov.bd-এ প্রবেশ করতে হবে। ওয়েবসাইটের ‘Result’ অপশনে গিয়ে পরীক্ষার ধরন, সাল, শিক্ষা বোর্ড, রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফলাফল দেখা যাবে।এ ছাড়া পরীক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে ‘Result’ কর্নারে গিয়ে প্রতিষ্ঠানের EIIN নম্বর ব্যবহার করে ফলাফলের শিট ডাউনলোড করতে পারবে।

মাদ্রাসা শিক্ষকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সতর্ক করল অধিদপ্তর

মাদ্রাসা শিক্ষকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সতর্ক করল অধিদপ্তর

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনা, শিষ্টাচারবহির্ভূত ও উসকানিমূলক পোস্ট এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।সোমবার (২ নভেম্বর) অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক মুহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেন খানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি বেসরকারি এমপিওভুক্ত মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন গ্রুপে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা এবং শিষ্টাচারবহির্ভূত ও উসকানিমূলক পোস্ট দিচ্ছেন। এতে দেশের মাদ্রাসা শিক্ষকদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে এবং মাদ্রাসা শিক্ষার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ ধরনের কর্মকাণ্ডে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। এসব কার্যক্রম সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা, ২০১৯-এর ১০(ঙ), ১০(চ) ও ১০(ঝ) অনুচ্ছেদের পরিপন্থি। পাশাপাশি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০২৬-এর ১৮(গ) অনুযায়ী এসব কর্মকাণ্ড শাস্তিযোগ্য।এ অবস্থায় মাদ্রাসায় কর্মরত সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীদের এ ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে অধিদপ্তর। বিজ্ঞপ্তিটি দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ, সুপার ও এবতেদায়ি প্রধানের কাছে পাঠানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তির অনুলিপি দেশের সব জেলা প্রশাসক, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের ব্যক্তিগত সহকারীর কাছেও পাঠানো হয়েছে।এদিকে, তিন দফা দাবি আদায়ে আগামী ৪ নভেম্বর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করেছে এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোট। কর্মসূচিতে দেশের এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

নেপালে বন্যায় নিহতের সংখ্যা ৬০০ ছুঁইছুঁই

নিখোঁজ প্রায় ২০০০ মানুষ / নেপালে বন্যায় নিহতের সংখ্যা ৬০০ ছুঁইছুঁই

নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় এক করুণ মানবিক বিপর্যয় নেমে এসেছে। পাহাড়ের ওপর থেকে ধেয়ে আসা প্রবল বানের তোড়ে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ছয়শো মানুষ।মৃত্যুর এই তালিকার পাশাপাশি এক বিশাল সংখ্যক মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের মধ্যে একটি বড় অংশই বিদেশি পর্যটক। নিখোঁজদের সন্ধানে দুর্ঘটনাকবলিত এলাকাগুলোতে উদ্ধার তৎপরতা চালানো হচ্ছে এবং তাদের জীবিত উদ্ধারে কাজ করছেন হাজার হাজার নিরাপত্তাকর্মী।এই প্রলয়ংকরী ঘটনার সূত্রপাত হয় হিমালয়ের বুক চিরে আসা নদীর পানি হঠাৎ তীব্র গতিতে বৃদ্ধি পাওয়ায়। পাহাড়ের ওপর থেকে নেমে আসা আকস্মিক ঢলের সঙ্গে যুক্ত হওয়া ভূমিধসের কাদা এবং পাথর এক ধ্বংসাত্মক রূপ ধারণ করে। বানের পানির এই তীব্র শক্তি তার গতিপথে থাকা বাড়িঘর, সেতু, গাছপালা এবং বৈদ্যুতিক খুঁটিসহ যাবতীয় অবকাঠামো মুহূর্তের মধ্যে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। নদীগুলোর পানি বিপৎসীমার অনেক ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত করে এই মর্মান্তিক ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের উপস্থিতি পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে। বিশেষ করে সংলগ্ন হিমালয় অঞ্চলের পর্যটন কেন্দ্র এবং পবিত্র স্থানগুলোতে দেশ-বিদেশের অসংখ্য ভ্রমণপিপাসু ও তীর্থযাত্রীর সমাগম ঘটেছিল। আকস্মিক এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে পড়ে তাদের একটি বড় অংশ আটকা পড়েন কিংবা ভেসে যান, যার ফলে বহু ভিন্ন দেশের নাগরিকদের এখন পর্যন্ত কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।এই দুর্যোগের প্রভাব পড়েছে পার্শ্ববর্তী তিব্বত অঞ্চলেও। সেখানেও বহু অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াও বেশ কয়েকজন নিখোঁজ ও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

সংগ্রাম পেরিয়ে সাফল্যের শিখরে দুর্গাপুরের অমিত খান, বিসিএস ক্যাডার হিসেবে নতুন কর্মজীবন শুরু

সংগ্রাম পেরিয়ে সাফল্যের শিখরে দুর্গাপুরের অমিত খান, বিসিএস ক্যাডার হিসেবে নতুন কর্মজীবন শুরু

বিসিএস ক্যাডার হিসেবে নিজের নতুন কর্মজীবন শুরু করলেন নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলার অদম্য মেধাবী অমিত খান অমি।রবিবার (১ নভেম্বর) খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে তিনি সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যোগদান করেছেন। ৪৫ তম বিসিএস এ উত্তীর্ণ হয়ে অমিত খান প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হন।দুর্গাপুরের ঝাঞ্জাইল এলাকায় বেড়ে ওঠা অমিত খান খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। তিনি ঢাকার নটরডেম কলেজ থেকে এইচএসসি ও ময়মনসিংহ জেলা স্কুল থেকে এসএসসি পাশ করেন। তার পিতা অধ্যক্ষ শহীদুল্লাহ খান (শহীদ খান)। তিনি সাবেক চেয়ারম্যান হাজী আব্দুস সাত্তার খান এর নাতি।নেত্রকোণার এই মেধাবী সন্তানের এমন সাফল্যে নিজ উপজেলা দুর্গাপুরে আনন্দের ঢেউ বইছে। নানা শ্রেণী পেশার নাগরিক তাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা বার্তায় সিক্ত করেছেন। তার ভবিষ্যৎ কর্মজীবন সাফল্যমণ্ডিত করতে শুভকামনা জানিয়েছেন। বিসিএস কর্মকর্তা হিসেবে যোগদানের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে অমিত খান বলেন, আল্লাহর রহমতে আজ প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে কাজ শুরু করলাম। আলহামদুলিল্লাহ। এই অনুভূতি আসলে ভাষায় বর্ণনা করার মতো না। আল্লাহ তাআলার দরবারে শুকরিয়া জানাই। আমি দেশ ও দশের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখার জন্য সর্বদা সচেষ্ট থাকবো।দেশের একজন বিসিএস কর্মকর্তা হয়ে সাফল্যের শিখরে পৌঁছার যাত্রাটা মোটেও সহজ ছিলনা অমিত খানের। তিনি ৪৪তম বিসিএসে প্রথমবার উত্তীর্ণ হন। সেবার ইন্সট্রাক্টর ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও যোগ দেননি। পরের বিসিএসেই কাঙ্খিত স্বপ্নের দেখা পান তিনি। ৪৫তম বিসিএস তাই তার কাছে স্বপ্ন জয়ের গন্তব্য। অমিত খান বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ শেষ করেই ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি রেনাটা লিমিটেডে চাকরি শুরু করেন। চাকরির পাশাপাশি বিসিএসের প্রস্তুতি নিতে থাকেন। প্রতিদিন অফিসের কাজ শেষ করে বাসায় ফিরে শুরু হয় বিসিএস জয় করার নতুন যুদ্ধ। এসময় একেকটি দিন ছিল নিজের সাথে নিজের লড়াই। কঠিন পরিশ্রম আর অধ্যবসায় তাকে নিয়ে যায় স্বপ্নের পথে। প্রিলিমিনারি,রিটেন,ভাইভা - একে একে সবগুলো ধাপ পেরিয়ে পৌঁছে যান চূড়ান্ত মূল্যায়নে। শুরু হয় তার জীবনের নতুন অধ্যায়।জীবনের এই সংগ্রামে মজার ব্যাপার হচ্ছে, অমিত খান ৪৪ বা ৪৫তম বিসিএসের কোনোটিতেই কোনো কোচিংয়ে পরীক্ষা দেননি। তার ভাষায়, চাকরি করে এসে ক্লান্ত থাকতাম। ৪৪ এ লিখিত পরীক্ষা মনমতো হয়নি। আল্লাহর রহমতে ৪৫তম বিসিএসে লিখিত দিয়ে বুঝেছিলাম এবার ভালো কিছু আসতে পারে। প্রিলিমিনারির জন্য সেভাবে কোথাও পরীক্ষা দেইনি। লিখিত দেয়ার তো সুযোগ বা সময় কোনটিই ছিল না। ৪৪ এ ভাইভার আগের দিন তাও একটা মক ভাইভা দিয়েছিলাম, ৪৫ এ তাও দেইনি। অমিত বলেন, সবাই যেখানে প্রচুর লিখিত পরীক্ষা দিচ্ছে, বিভিন্ন জায়গায় মক ভাইভা দিচ্ছে, আমি তখন অফিস করে দৌড়াচ্ছি। বাসায় এসে একটু ঘুমিয়ে পড়তে বসছি। পরীক্ষার আগে আগে অফিসের ডর্মে থেকে যেতাম যেন ভালো পড়া হয়। এর সাথে বাসার হাজারো দায়িত্ব তো ছিলোই। তখনকার সময়ের মানসিক অবস্থা নিয়ে একটা সিনেমা বানানো যাবে। কিন্তু সবসময় আমি আত্মবিশ্বাসী ছিলাম আর সাথে আল্লাহর রহমত ছিলো। আমি সাধারণত পরীক্ষা নিয়ে নার্ভাস হই না। সব আল্লাহর রহমত আসলে। আমার মতো অধমকে এই পর্যন্ত এনেছেন। ইতিহাস-ঐতিহ্য সমৃদ্ধ সুসঙ্গ দুর্গাপুরের একজন অমিত খানের এমন সংগ্রাম আর সাফল্য দিনশেষে দুর্গাপুরকে গর্বিত করে চমৎকারভাবে, এমনটাই বলছেন উপজেলাবাসী। তারা বলেন, অমিত যেন তার মেধা ও প্রজ্ঞা দিয়ে দেশ ও দশের জন্য নিজেকে নিয়োজিত করতে পারেন এবং সততার মূর্ত প্রতীক হয়ে মানুষের কল্যাণে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন, তার প্রতি সকলের এটিই প্রত্যাশা।

বিশ্বকাপ দলগুলোর থাকার হোটেল ও অনুশীলন ক্যাম্প, কার ঠিকানা কোথায়?

বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট / বিশ্বকাপ দলগুলোর থাকার হোটেল ও অনুশীলন ক্যাম্প, কার ঠিকানা কোথায়?

দুয়ারে কড়া নাড়ছে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় মহাযজ্ঞ ২০২৬ বিশ্বকাপ। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৪৮টি দলের অংশগ্রহণে যৌথভাবে এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করছে তিন দেশ যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা। ঘরোয়া ফুটবল মৌসুম শেষেই নিজ নিজ দেশের ক্যাম্পে যোগ দেবেন ফুটবলাররা। ১০৪ ম্যাচের এই দীর্ঘ বিশ্বযুদ্ধের বেশিরভাগ ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে আমেরিকার মাটিতে।বিশ্বকাপের মতো মেগা টুর্নামেন্টে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি ফুটবলারদের বিশ্রাম, পুষ্টি ও অনুশীলনের সুবিধা ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রতিটি দলই ম্যাচ ভেন্যুর কাছাকাছি বেছে নিয়েছে নিজেদের বেস ক্যাম্প। তারকা ফুটবলারদের জন্য এসব ক্যাম্পে থাকছে আধুনিক পারফরম্যান্স ল্যাব, জিমনেসিয়াম ও বিলাসবহুল আবাসন ব্যবস্থা।পাঠকদের জন্য ২০২৬ বিশ্বকাপের দলগুলোর বেস ক্যাম্প, অনুশীলনের ভেন্যু এবং গ্রুপ পর্বের ম্যাচের সময়সূচি বিস্তারিত তুলে ধরা হলো:যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকারী দলসমূহআর্জেন্টিনা (ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন)অবস্থান: কানসাস সিটি, মিসৌরিঅনুশীলন: স্পোর্টিং কেসি পারফরম্যান্স সেন্টারআবাসন: হোটেল সেভয়, কানসাস সিটিআলজেরিয়া (১৬ জুন, কানসাস সিটি), অস্ট্রিয়া (২২ জুন, ডালাস), জর্ডান (২৭ জুন, ডালাস)।বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের ক্যাম্পে থাকবে কঠোর নিরাপত্তা। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের দোহা ক্যাম্পের মতোই এখানেও আলবিসেলেস্তেদের জন্য থাকছে তাদের ঐতিহ্যবাহী 'বার্বিকিউ মাংস' রান্নার বিশেষ কাস্টমাইজড সুবিধা। হোটেল থেকে অনুশীলন মাঠের দূরত্ব ২০ মিনিটেরও কম।ব্রাজিলঅবস্থান: নিউ ইয়র্ক এবং নিউ জার্সিঅনুশীলন: কলম্বিয়া পার্ক ট্রেনিং施設 (নিউ জার্সি)আবাসন: রিজ হোটেল, নিউ ইয়র্ক সিটিম্যাচের সূচি: মরক্কো (১৩ জুন, নিউ জার্সি), হাইতি (১৯ জুন, ফিলাডেলফিয়া), স্কটল্যান্ড (২৪ জুন, মায়ামি)।পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা থাকার জন্য বেছে নিয়েছে ঝলমলে নিউ ইয়র্ক সিটি ('বিগ অ্যাপেল')। তবে তারা অনুশীলন করবে পার্শ্ববর্তী নিউ জার্সিতে এমএলএস দল নিউ ইয়র্ক রেড বুলসের সর্বাধুনিক সুবিধাসম্পন্ন কেন্দ্রে।জার্মানিঅবস্থান: উইনস্টন-সালেম, নর্থ ক্যারোলিনাঅনুশীলন: ওয়েক ফরেস্ট বিশ্ববিদ্যালয় (ডব্লিউ ডেনি স্প্রি সকার স্টেডিয়াম)আবাসন: দ্য গ্রেলাইন এস্টেটম্যাচের সূচি: কুরাসাও (১৪ জুন, হিউস্টন), আইভরি কোস্ট (২০ জুন, টরন্টো), ইকুয়েডর (২৫ জুন, নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি)।চারবারের চ্যাম্পিয়নরা সম্পূর্ণ গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে বিলাসবহুল বুটিক হোটেল গ্রেলাইন এস্টেট বেছে নিয়েছে। ওয়েক ফরেস্ট ইউনিভার্সিটির এই স্টেডিয়ামটি আমেরিকার অন্যতম সেরা কলেজিয়েট ফুটবল ভেন্যু। এখানে সাধারণ মানুষের প্রবেশের কোনো সুযোগ থাকবে না।ফ্রান্সঅবস্থান: ওয়ালথাম, ম্যাসাচুসেটসঅনুশীলন: বেন্টলি বিশ্ববিদ্যালয়আবাসন: ফোর সিজনস হোটেল, বোস্টনম্যাচের সূচি: সেনেগাল (১৬ জুন, নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি), ইরাক (২২ জুন, ফিলাডেলফিয়া), নরওয়ে (২৬ জুন, বোস্টন)।বেন্টলি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ফরাসি দলের জন্য অতিরিক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে, তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস কোনো ব্যাঘাত ছাড়াই চলবে।ইংল্যান্ডঅবস্থান: কানসাস সিটি, মিসৌরিঅনুশীলন: সোয়াপ সকার সেন্টারআবাসন: দ্য ইন অ্যাট মেডোব্রুকম্যাচের সূচি: ক্রোয়েশিয়া (১৭ জুন, ডালাস), ঘানা (২৩ জুন, বোস্টন), পানামা (২৭ জুন, নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি)।হ্যারিকেনদের হোটেলটি তাদের অনুশীলন মাঠ থেকে ২০ মিনিটের দূরত্বে অবস্থিত। কানসাস সিটিতে ইংল্যান্ডের পাশাপাশি আর্জেন্টিনা এবং নেদারল্যান্ডসও ঘাঁটি গেড়েছে।পর্তুগালঅবস্থান: পাম বিচ কাউন্টি, ফ্লোরিডাঅনুশীলন: গার্ডেন নর্থ কাউন্টি ডিস্ট্রিক্টস পার্কআবাসন: ফোর সিজনস হোটেলম্যাচের সূচি: ডিআর কঙ্গো (১৭ জুন, হিউস্টন), উজবেকিস্তান (২৩ জুন, হিউস্টন), কলম্বিয়া (২৮ জুন, মায়ামি)।১০টি মাঠের এই বিশাল স্পোর্টস কমপ্লেক্সে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দল অনুশীলন করবে। এর আগে এখানে রিয়াল মাদ্রিদ দল ক্লাব বিশ্বকাপের সময় অনুশীলন করেছিল।স্পেনঅবস্থান: চ্যাটানুগা, টেনেসিঅনুশীলন: বেলর স্কুলআবাসন: দ্য অ্যাম্বাসি সুইটসম্যাচের সূচি: কেপ ভার্দে (১৫ জুন, আটলান্টা), সৌদি আরব (২১ জুন, আটলান্টা), উরুগুয়ে (২৬ জুন, গুয়াদালাহারা)।চ্যাটানুগার একটি অভিজাত ব্যক্তিগত স্কুলে অবস্থান করবে স্পেন। দলের শতভাগ গোপনীয়তা বজায় রাখতে বেলর স্কুল তাদের ক্যাম্পাসে ১০ ফুটের ব্ল্যাকআউট বেষ্টনী তৈরি করেছে।নেদারল্যান্ডসঅবস্থান: কানসাস সিটি, মিসৌরিঅনুশীলন: কেসি কারেন্ট ট্রেনিং সেন্টারআবাসন: হোটেল কানসাস সিটিম্যাচের সূচি: জাপান (১৪ জুন, ডালাস), সুইডেন (২০ জুন, হিউস্টন), তিউনিসিয়া (২৫ জুন, কানসাস সিটি)।ডাচরা আমেরিকার প্রথম বিশেষায়িত নারী পেশাদার ক্রীড়া দলের (কানসাস সিটি কারেন্ট) কমপ্লেক্সে অনুশীলন করবে। ঐতিহ্যবাহী 'কমলা ডাবল-ডেকার বাস' নিয়ে এবারও মাতবেন ডাচ সমর্থকরা।বেলজিয়ামঅবস্থান: রেন্টন, ওয়াশিংটনঅনুশীলন: সিয়াটল সাউন্ডার্স ট্রেনিং সেন্টারআবাসন: হায়াত রিজেন্সি, সিয়াটলম্যাচের সূচি: মিশর (১৫ জুন, সিয়াটল), ইরান (২১ জুন, লস অ্যাঞ্জেলেস), নিউজিল্যান্ড (২৬ জুন, ভ্যাঙ্কুভার)।ইতালি/অন্যান্য ইউরোপীয় দলসমূহ:ক্রোয়েশিয়া: অবস্থান ভার্জিনিয়ার আলেকজান্দ্রিয়া (এপিসকোপাল হাই স্কুল)। ম্যাচের সূচি: ইংল্যান্ড (১৭ জুন), পানামা (২৩ জুন), যুক্তরাষ্ট্র (২৭ জুন)।অস্ট্রিয়া: অবস্থান সান্টা বারবারা, ক্যালিফোর্নিয়া। হোটেলের নাম রিৎজ-কার্লটন।সুইডেন: ফ্রিসকো, টেক্সাস (এফসি ডালাস স্টেডিয়াম)। ১৮২ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে সংস্কার করা স্টেডিয়ামে অনুশীলন করবে তারা।সুইজারল্যান্ড: সান ডিয়েগো, ক্যালিফোর্নিয়া। হোটেল থেকে একাডেমির দূরত্ব মাত্র ৮ মিনিট।চেক প্রজাতন্ত্র: ম্যানসফিল্ড, টেক্সাস (ম্যানসফিল্ড মাল্টিপারপাস স্টেডিয়াম)।এশিয়ান ও আফ্রিকান পরাশক্তিদের ক্যাম্প:জাপান: অ্যান্টিওক, টেনেসি (ন্যাশভিল এসসি ভ্যান্ডারবিল্ট হেলথ ট্রেনিং সেন্টার)।সৌদি আরব: অস্টিন, টেক্সাস (অস্টিন এফসি স্টেডিয়াম)। ২০৩৪ বিশ্বকাপের একক আয়োজক দেশটি থাকবে অস্টিনের ফোর সিজনস হোটেলে।মিশর: স্পোকেন, ওয়াশিংটন (গনজাগা বিশ্ববিদ্যালয়)। মোহাম্মদ সালাহর দল মূলত পশ্চিম উপকূল কেন্দ্রিক ম্যাচগুলো খেলবে।আইভরি কোস্ট: চেস্টার, পেনসিলভানিয়া (ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়ন সুবারু পার্ক)।সেনেগাল: পিসকাটাওয়ে, নিউ (রুটগার্স বিশ্ববিদ্যালয়)।ঘানা: স্মিথফিল্ড, রোড আইল্যান্ড (ব্রায়ান্ট বিশ্ববিদ্যালয়)।উজবেকিস্তান (নবাগত): ম্যারিয়েটা, জর্জিয়া (আটলান্টা ইউনাইটেড ট্রেনিং সেন্টার)।ইরাক: হোয়াইট সালফার স্প্রিংস, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া (দ্য গ্রিনব্রিয়ার রিসোর্ট)। যেখানে পূর্বে ২৮ জন মার্কিন প্রেসিডেন্ট অবস্থান করেছেন, সেই রাজকীয় রিসোর্টে থাকবে ইরাক দল।আলজেরিয়া: লরেন্স, কানসাস (কানসাস বিশ্ববিদ্যালয়)।লাতিন ও উত্তর আমেরিকার অন্যান্য দল:যুক্তরাষ্ট্র (স্বাগতিক): আরভাইন, ক্যালিফোর্নিয়া (গ্রেট পার্ক স্পোর্টস কমপ্লেক্স)। অবসরপ্রাপ্ত সামরিক বিমানঘাঁটিতে তৈরি এই ক্যাম্পকে 'অনবদ্য' আখ্যা দিয়েছেন ইউএস সকারের ডিরেক্টর।অস্ট্রেলিয়া: ওকল্যান্ড, ক্যালিফোর্নিয়া (ক্লেয়ারমন্ট রিসোর্ট অ্যান্ড ক্লাব)।প্যারাগুয়ে: সান জোসে, ক্যালিফোর্নিয়া (সান জোসে স্টেট ইউনিভার্সিটি)।ইকুয়েডর: কলম্বাস, ওহিও (কলম্বাস ক্রু পারফরম্যান্স সেন্টার)।ডিআর কঙ্গো: হিউস্টন, টেক্সাস (হিউস্টন স্পোর্টস পার্ক)।কেপ ভার্দে (নবাগত): টাম্পা, ফ্লোরিডা (ওয়াটার্স স্পোর্টসপ্লেক্স)।কুরাসাও (নবাগত): পাম বিচ কাউন্টি, ফ্লোরিডা (ফ্লোরিডা আটলান্টিক বিশ্ববিদ্যালয়)।জর্ডান (নবাগত): পোর্টল্যান্ড, ওরেগন (পোর্টল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়)।মেক্সিকো (স্বাগতিক)অবস্থান: মেক্সিকো সিটিপ্রশিক্ষণ ও আবাসন: সেন্ট্রো ডি আল্টো রেন্ডিমিয়েন্টো (CAR)ম্যাচের সূচি: দক্ষিণ আফ্রিকা (১১ জুন, মেক্সিকো সিটি), দক্ষিণ কোরিয়া (১৮ জুন, গুয়াদালাহারা), চেকিয়া (২৪ জুন, মেক্সিকো সিটি)।মেক্সিকো তাদের নিজেদের ঘরের মাঠের আবহ এবং উচ্চতার সুবিধা (Altitude Advantage) শতভাগ কাজে লাগাতে রাজধানীতেই ক্যাম্প করেছে। এই হাই-পারফরম্যান্স কেন্দ্রটি ঐতিহাসিক অ্যাজটেকা স্টেডিয়াম থেকে মাত্র ১৫ মিনিট দূরে, যা একই সাথে খেলোয়াড়দের থাকা ও অনুশীলনের জায়গা হিসেবে কাজ করবে।কলম্বিয়াঅবস্থান: গুয়াদালাহারা, মেক্সিকোঅনুশীলন: অ্যাটলাস এজিএ একাডেমিআবাসন: গ্র্যান্ড ফিয়েস্তা আমেরিকানা কান্ট্রি ক্লাবউজবেকিস্তান (১৭ জুন, মেক্সিকো সিটি), ডিআর কঙ্গো (২৩ জুন, গুয়াদালাহারা), পর্তুগাল (২৭ জুন, মায়ামি)।বিশেষত্ব: ২০২৩ সালে উদ্বোধন করা এই আধুনিক পারফরম্যান্স সেন্টারে ছয়টি পেশাদার মাঠ এবং স্পোর্টস সায়েন্স মেডিকেল সেন্টার রয়েছে।মেক্সিকোর অন্যান্য ক্যাম্প:দক্ষিণ কোরিয়া: গুয়াদালাহারা (চিভাস ভার্দে ভালে)। উচ্চতার সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য এই শহরটিকে বেছে নিয়েছে তারা।দক্ষিণ আফ্রিকা: পাচুকা (ইউনিভার্সিদাদ দেল ফুটবল)। এখানে একটি ফিফা-সার্টিফাইড মেডিকেল সেন্টার রয়েছে।তিউনিসিয়া: মনটেনি (এল বারিয়াল ট্রেনিং সেন্টার)। লাতিন আমেরিকার অন্যতম প্রিমিয়াম ফুটবল সুবিধা এটি।প্লেয়া ডেল কারমেন, কুইন্টানা রু (মায়াকোবা ট্রেনিং সেন্টার)। বিমানবন্দর ও হোটেলের কাছাকাছি বিলাসবহুল রিসোর্ট সিটিতে থাকবে সুয়ারেজ-ভালভার্দের দেশ।কানাডা অবস্থান: ভ্যাঙ্কুভার, ব্রিটিশ কলম্বিয়াঅনুশীলন: ন্যাশনাল সকার ডেভেলপমেন্ট সেন্টারআবাসন: দ্য ওয়েস্টিন বেশোর, ভ্যাঙ্কুভারম্যাচের সূচি: বসনিয়া (১২ জুন, টরন্টো), কাতার (১৮ জুন, ভ্যাঙ্কুভার), সুইজারল্যান্ড (২৪ জুন, ভ্যাঙ্কুভার)।স্বাগতিক দেশের সুবিধা নিয়ে কানাডা ভ্যাঙ্কুভারে বেস ক্যাম্প করেছে। গ্রুপ পর্বের ৩টি ম্যাচের ২টিই তারা ঘরের মাঠে খেলবে।পানামাঅবস্থান: নিউ টেকুমসেথ, ওন্টারিওঅনুশীলন: নোটাওয়াসাগা ট্রেনিং সেন্টারআবাসন: নোটাওয়াসাগা রিসোর্ট অ্যান্ড কনফারেন্স সেন্টারম্যাচের সূচি: ঘানা (১৭ জুন, টরন্টো), ক্রোয়েশিয়া (২৩ জুন, টরন্টো), ইংল্যান্ড (২৭ জুন, নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি)।কানাডা নিজেদের দল ছাড়া একমাত্র পানামাকেই তাদের দেশের মাটিতে বেস ক্যাম্প করার অনুমতি দিয়েছে।ইরানঅবস্থান: তিজুয়ানা, মেক্সিকো (যুক্তরাষ্ট্র সীমান্তের ঠিক বিপরীতে)ম্যাচের সূচি: নিউজিল্যান্ড (১৫ জুন), বেলজিয়াম (২১ জুন), মিশর (২৬ জুন)।রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা জনিত বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে ইরানের বিশ্বকাপ ক্যাম্প নিয়ে বেশ জলঘোলা হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দলটিকে স্বাগত জানালেও সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা ছিল। ফলে নির্বিঘ্নে অনুশীলনের জন্য আমেরিকার সান ডিয়েগোর ঠিক বিপরীতে মেক্সিকোর সীমান্ত শহর তিজুয়ানায় বেস ক্যাম্প সরানোর সিদ্ধান্ত নেয় ইরান ফুটবল ফেডারেশন, যা ফিফা কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে।সব মিলিয়ে ফুটবলারদের সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স আদায় করে নিতে আয়োজক শহরগুলো এখন সম্পূর্ণ প্রস্তুত। মাঠের লড়াইয়ে কোন ক্যাম্পের কৌশল কতটা কাজে আসে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

সিইউবিতে গান-নাচে জমজমাট ‘স্টারস স্টেজ শোডাউন’

সিইউবিতে গান-নাচে জমজমাট ‘স্টারস স্টেজ শোডাউন’

মাইক্রোফোন হাতে গানের সুর তুলছেন একজন, মঞ্চের মাঝখানে ছন্দের তালে নাচছেন আরেকজন। কখনো একক পরিবেশনা, কখনো জুটির অংশগ্রহণ, আবার কখনো দলবদ্ধ পরিবেশনায় জমে উঠছে মঞ্চ। দর্শকদের করতালি আর অংশগ্রহণকারীদের প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে তৈরি হয় প্রতিযোগিতার আমেজ।গত ১ নভেম্বর রোববার কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের (সিইউবি) অডিটোরিয়ামে বিশ্ববিদ্যালয়ের কালচারাল ক্লাবের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় ‘স্টারস স্টেজ শোডাউন’। এতে শিক্ষার্থীরা একক, দ্বৈত ও দলীয় বিভাগে গান ও নাচের প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরার পাশাপাশি সহপাঠীদের সঙ্গে সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ পান তাঁরা।প্রতিযোগিতার প্রতিটি বিভাগেই ছিল নিজস্ব পরিবেশনা ও অংশগ্রহণের সুযোগ। কেউ গানে নিজের দক্ষতা তুলে ধরেছেন, কেউ নাচের মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন সৃজনশীলতা। দলীয় পরিবেশনায় একসঙ্গে মঞ্চে উঠে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের সমন্বয় ও পারফরম্যান্সের পরিচয় দেন।তবে আয়োজনটি কেবল গান আর নাচের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। এর সঙ্গে যুক্ত ছিল ‘প্যানেল এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম’। এ পর্বে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের চিন্তা, মতামত ও দৃষ্টিভঙ্গি বিনিময় করেন। সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পাশাপাশি এমন আলোচনার সুযোগ শিক্ষার্থীদের জন্য তৈরি করে ভিন্ন এক অভিজ্ঞতা।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিইউবি কালচারাল ক্লাবের সভাপতি হামিম ফয়সাল। পুরো আয়োজন সঞ্চালনা করেন বর্ন ও পরি।বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে ক্যাম্পাস মানে শুধু ক্লাস, পরীক্ষা কিংবা অ্যাসাইনমেন্টের ব্যস্ততা নয়। এর বাইরেও থাকে গান, নাচ, অভিনয় ও নানা সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে নিজেকে প্রকাশ করার আকাঙ্ক্ষা। ‘স্টারস স্টেজ শোডাউন’ সেই আগ্রহেরই একটি প্রকাশ। এখানে শিক্ষার্থীরা পেয়েছেন নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরার মঞ্চ, আর সহপাঠীরা পেয়েছেন একসঙ্গে সাংস্কৃতিক আয়োজন উপভোগ করার সুযোগ।সাংস্কৃতিক চর্চার এমন আয়োজনের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতিভা অন্বেষণ ও সৃজনশীল কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করতে চায় সিইউবি কালচারাল ক্লাব।

অনলাইন জরিপ
১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৩ পিএম
বাস ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ৪.০৫ টাকা বাড়াতে চায় বাস মালিকরা। আপনি কি বাস মালিকদের দাবিকে যৌক্তিক মনে করছেন?

বাস ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ৪.০৫ টাকা বাড়াতে চায় বাস মালিকরা। আপনি কি বাস মালিকদের দাবিকে যৌক্তিক মনে করছেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৯ জন

এভিয়েশন

কোন পোস্ট নেই !

শিশু কিশোর

কোন পোস্ট নেই !

আর্কাইভ

কোন পোস্ট নেই !

আর্কাইভ

কোন পোস্ট নেই !