বিপ্লবী বার্তা
একদিনে যুক্তরাষ্ট্রের দুই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করল ইরান

একদিনে যুক্তরাষ্ট্রের দুই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করল ইরান

ইরানের আকাশসীমায় অনুপ্রবেশের দায়ে একদিনে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি)। গতকালের এই ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা এক নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে।ভূপাতিত করা বিমান দুটির মধ্যে একটি এফ-১৫-ই (F-15E) এবং অন্যটি এ-১০ থান্ডারবোল্ট টু (A-10 Thunderbolt II)।ইরানি সেনাবাহিনীর জ্যেষ্ঠ কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলিরেজা ইলহামি জানিয়েছেন, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অভিযানে এফ-১৫-ই বিমানটি ইরানের অভ্যন্তরেই বিধ্বস্ত হয়। অন্যদিকে, এ-১০ থান্ডারবোল্ট বিমানটি ইরানি আকাশসীমা থেকে বের হয়ে পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালির কাছে গিয়ে আছড়ে পড়ে।এফ-১৫-ই: এই বিমানের দুই ক্রু’র মধ্যে একজনকে মার্কিন সেনারা উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও অন্যজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।এ-১০: এই বিমানের পাইলট বিধ্বস্ত হওয়ার আগে বিমানটিকে কোনোমতে ইরানি সীমানা পার করতে সক্ষম হন। পরে তিনি একটি উপসাগরীয় আরব দেশে নিরাপদে পৌঁছাতে পেরেছেন এবং বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।জেনারেল আলিরেজা ইলহামি এই অভিযানকে মার্কিন যুদ্ধবিমান 'শিকার' হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি দাবি করেন, তাদের সেনারা গতানুগতিক পদ্ধতির বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ নতুন কৌশল ও উন্নত যুদ্ধাস্ত্র ব্যবহার করছে।তিনি আরও বলেন: "আমাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় আনা আধুনিক উদ্ভাবনীর মাধ্যমে শত্রুকে বিভ্রান্ত ও হতবুদ্ধি করে দেওয়া হয়েছে। এই কৌশলী পাল্টা আক্রমণের কারণেই মার্কিন বিমানগুলো ভূপাতিত করা সম্ভব হয়েছে।"তবে নিরাপত্তার স্বার্থে এই 'নতুন উদ্ভাবন' বা প্রযুক্তির বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি তেহরান।উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এই প্রথম ইরান সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করল। এই ঘটনার পর ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক তৎপরতা ও আকাশসীমার নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

কদমতলীতে গ্যাসলাইট কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ৭ ইউনিট

কদমতলীতে গ্যাসলাইট কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ৭ ইউনিট

রাজধানীর কদমতলীর গোলচত্বর এলাকায় একটি গ্যাসলাইট কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুর ১টা ১১ মিনিটে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন স্টেশন থেকে একে একে সাতটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়।ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, কদমতলী চৌরাস্তা এলাকায় আল-বারাকা হাসপাতালের পাশে অবস্থিত একটি গ্যাসলাইট কারখানায় আগুনের সূত্রপাত হয়। তিনি আরও জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করছেন। অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

মতামত

কোন পোস্ট নেই !

রাজনীতি

কোন পোস্ট নেই !
একদিনে যুক্তরাষ্ট্রের দুই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করল ইরান

একদিনে যুক্তরাষ্ট্রের দুই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করল ইরান

ইরানের আকাশসীমায় অনুপ্রবেশের দায়ে একদিনে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি)। গতকালের এই ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা এক নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে।ভূপাতিত করা বিমান দুটির মধ্যে একটি এফ-১৫-ই (F-15E) এবং অন্যটি এ-১০ থান্ডারবোল্ট টু (A-10 Thunderbolt II)।ইরানি সেনাবাহিনীর জ্যেষ্ঠ কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলিরেজা ইলহামি জানিয়েছেন, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অভিযানে এফ-১৫-ই বিমানটি ইরানের অভ্যন্তরেই বিধ্বস্ত হয়। অন্যদিকে, এ-১০ থান্ডারবোল্ট বিমানটি ইরানি আকাশসীমা থেকে বের হয়ে পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালির কাছে গিয়ে আছড়ে পড়ে।এফ-১৫-ই: এই বিমানের দুই ক্রু’র মধ্যে একজনকে মার্কিন সেনারা উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও অন্যজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।এ-১০: এই বিমানের পাইলট বিধ্বস্ত হওয়ার আগে বিমানটিকে কোনোমতে ইরানি সীমানা পার করতে সক্ষম হন। পরে তিনি একটি উপসাগরীয় আরব দেশে নিরাপদে পৌঁছাতে পেরেছেন এবং বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।জেনারেল আলিরেজা ইলহামি এই অভিযানকে মার্কিন যুদ্ধবিমান 'শিকার' হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি দাবি করেন, তাদের সেনারা গতানুগতিক পদ্ধতির বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ নতুন কৌশল ও উন্নত যুদ্ধাস্ত্র ব্যবহার করছে।তিনি আরও বলেন: "আমাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় আনা আধুনিক উদ্ভাবনীর মাধ্যমে শত্রুকে বিভ্রান্ত ও হতবুদ্ধি করে দেওয়া হয়েছে। এই কৌশলী পাল্টা আক্রমণের কারণেই মার্কিন বিমানগুলো ভূপাতিত করা সম্ভব হয়েছে।"তবে নিরাপত্তার স্বার্থে এই 'নতুন উদ্ভাবন' বা প্রযুক্তির বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি তেহরান।উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এই প্রথম ইরান সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করল। এই ঘটনার পর ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক তৎপরতা ও আকাশসীমার নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ফুয়েল কার্ডের নিয়ম মানছে না কেউ, রয়েছে কর্তৃপক্ষের অবহেলাও

ফুয়েল কার্ডের নিয়ম মানছে না কেউ, রয়েছে কর্তৃপক্ষের অবহেলাও

জ্বালানি তেলের সংকট মোকাবিলা ও অনিয়ম রোধে চুয়াডাঙ্গায় আনুষ্ঠানিকভাবে ‘নো কার্ড, নো ফুয়েল’ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে জেলা প্রশাসনের এই নির্দেশনা কার্যকরের প্রথম দিনেই চরম অব্যবস্থাপনা পরিলক্ষিত হয়েছে। পাম্পগুলোতে তেলের জন্য দীর্ঘ লাইন থাকলেও গ্রাহক, পাম্প কর্তৃপক্ষ কিংবা তদারকির দায়িত্বে থাকা পুলিশ কাউকেই কার্ড ব্যবহারের নিয়ম মানতে দেখা যায়নি।জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শুক্রবার (৩ এপ্রিল) থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো যানবাহনে পেট্রোল বা অকটেন সরবরাহ করার কথা নয়। কিন্তু চুয়াডাঙ্গার ২২টি পাম্পের চিত্র ছিল ভিন্ন: কার্ডহীন সরবরাহ: পাম্পগুলোতে ভিড় করা অধিকাংশ মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ির চালক কার্ড ছাড়াই তেল নিচ্ছেন।ট্যাগ অফিসারের অনুপস্থিতি: প্রতিটি পাম্পে তদারকির জন্য একজন করে ‘ট্যাগ অফিসার’ থাকার কথা থাকলেও সরেজমিনে কোনো পাম্পেই তাদের দেখা মেলেনি।লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ গ্রাহকদের অভিযোগ, প্রশাসনের লোক ও পাম্পের পরিচিতরা নিয়ম ভেঙে আগে তেল নিয়ে যাচ্ছেন।তেল নিতে আসা তানভির রহমান নামে এক মোটরসাইকেল চালক বলেন, “ভোরবেলা এসে লাইনে দাঁড়িয়েছি। দুই ঘণ্টা পর ৫০০ টাকার তেল পেলাম, কিন্তু পাম্পে ফুয়েল কার্ডের কোনো কড়াকড়ি দেখলাম না।”রুহুল আমিন নামে অপর এক গাড়িচালক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “কষ্ট করে নিয়ম মেনে ফুয়েল কার্ড সংগ্রহ করলাম। কিন্তু এখানে কার্ডের কোনো ব্যবহারই নেই। পরিচিতরা এদিক-ওদিক থেকে ঢুকে তেল নিয়ে যাচ্ছে, আর আমরা লাইনে দাঁড়িয়ে ভোগান্তি পোহাচ্ছি।”কৃষিকাজের গুরুত্ব বিবেচনায় বর্তমানে ডিজেল সরবরাহে কিছুটা শিথিলতা রাখা হলেও পেট্রোল ও অকটেনের ক্ষেত্রে কার্ড বাধ্যতামূলক। এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বি এম তারিক উজ জামান বলেন: “জেলার ২২টি পাম্পে সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত কার্ডধারীদের তেল দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। এই কার্ডে পূর্বের ক্রয়ের তথ্য থাকায় তেলের অপচয় ও অবৈধ বিক্রি বন্ধ হবে। সরবরাহ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরাতে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে এবং নিয়ম অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”উল্লেখ্য যে, এই কার্ড পেতে চালকদের জাতীয় পরিচয়পত্র, ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন কপি জমা দিতে হয়েছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায় থেকে ইতিমধ্যে এই কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। তবে বাস্তবায়নের প্রথম দিনে তদারকির অভাবে এই মহতী উদ্যোগটি ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।

ক্যাবরেরার মেয়াদ শেষ ৩০ এপ্রিল, নতুন কোচ খুঁজছে বাফুফে

ক্যাবরেরার মেয়াদ শেষ ৩০ এপ্রিল, নতুন কোচ খুঁজছে বাফুফে

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের স্প্যানিশ হেড কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার চুক্তি আগামী ৩০ এপ্রিল শেষ হচ্ছে। চার বছরের বেশি সময় দায়িত্ব পালন করলেও প্রত্যাশিত সাফল্য না পাওয়ায় তার বিদায়ের দাবি জোরালো হয়েছে ফুটবলাঙ্গনে।আজ জাতীয় দল কমিটির সভায় কোচের চুক্তি ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সভা শেষে বাফুফের মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম বাবু বলেন, “৩০ এপ্রিল পর্যন্ত তার মেয়াদ রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে আমরা ভালো কোচের সিভি খুঁজব। চাইলে সেও (ক্যাবরেরা) আবেদন করতে পারে। সাক্ষাৎকার নিয়ে যোগ্য প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হবে।”চার বছর দায়িত্বে থাকাকালে খেলোয়াড় নির্বাচন, কৌশল নির্ধারণসহ নানা বিষয়ে সমালোচনায় পড়েছেন ক্যাবরেরা। ফুটবল সংশ্লিষ্টদের মতে, তার কাছ থেকে জাতীয় দলের আর তেমন কিছু পাওয়ার নেই। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় না দিয়ে তাকে আবারও আবেদন করার সুযোগ রাখায় পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে কিছুটা ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।এ প্রসঙ্গে বাবু বলেন, “আমরা তাকে আলাদা করে সুযোগ দিচ্ছি না। সে চাইলে আবেদন করতে পারে। আবেদন করলে অন্যদের মতোই সাক্ষাৎকার প্রক্রিয়া পার হতে হবে।”জাতীয় দলের হেড কোচের পাশাপাশি গোলরক্ষক কোচ নিয়োগের পরিকল্পনাও করছে বাফুফে। এ বিষয়ে বাবু জানান, হেড কোচের মতো গোলরক্ষক কোচও দুই বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হতে পারে এবং একই প্রক্রিয়ায় নির্বাচন করা হবে।অন্যদিকে, জুনের প্রথম সপ্তাহে ফিফা উইন্ডো সামনে রেখে জাতীয় দলের প্রস্তুতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। মালদ্বীপে চার জাতির টুর্নামেন্ট কিংবা থাইল্যান্ড সফর, দুটি বিকল্প নিয়েই কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন বাফুফে কর্মকর্তারা।এ বিষয়ে চেয়ারম্যান বাবু বলেন, “জুন উইন্ডোতে বাংলাদেশ দল খেলবে, এটা নিশ্চিত”।ক্যাবরেরার চুক্তি শেষ হওয়ার পর নতুন কোচ নিয়োগ না হলে সাময়িকভাবে তাকেই রাখা হতে পারে এমন গুঞ্জনও রয়েছে ফুটবল মহলে। এদিকে, জাতীয় দল কমিটির সভায় গোলরক্ষক জিকোসহ কয়েকজন খেলোয়াড়কে ক্যাম্পে না ডাকায় কোচের সমালোচনা করেন সদস্যরা। একাধিক সদস্য ক্যাবরেরার কর্মকাণ্ডকে ‘বিতর্কিত’ বলেও মন্তব্য করেছেন। তবুও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে তার অধ্যায়ের ইতি টানা হয়নি।

চাকরি

কোন পোস্ট নেই !

আইন আদালত

কোন পোস্ট নেই !
ভাঙ্গা প্রাচীর টপকে ইবি কেন্দ্রে প্রবেশ ভর্তিচ্ছুদের

ভাঙ্গা প্রাচীর টপকে ইবি কেন্দ্রে প্রবেশ ভর্তিচ্ছুদের

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) কেন্দ্রে গুচ্ছ ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের 'বি' ইউনিটে (মানবিক বিভাগ) পরীক্ষা দিতে ভাঙ্গা দেওয়াল টপকে কেন্দ্রে প্রবেশ করেছেন ভর্তিচ্ছুরা।শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকাল ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত গুচ্ছ 'বি' ইউনিটের  পরীক্ষার আগমুহূর্তে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ল্যাবরেটরি স্কুল ভবন এলাকায় এই দৃশ্য দেখা যায়।এদিন সকালে ল্যাবরেটরি স্কুল ভবনের উত্তর পাশে বিএমএস ম্যাচ সংলগ্ন ভাঙ্গা দেওয়াল টপকে কেন্দ্রে প্রবেশ করছেন কিছু পরীক্ষার্থী। এ বিষয়ে উপস্থিত পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, নির্ধারিত প্রবেশপথ দূরে হওয়ায় এবং সময় স্বল্পতার কারণে অনেকেই ভাঙ্গা প্রাচীর টপকে কেন্দ্রে প্রবেশ করেন।এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহিনুজ্জামান বলেন, ম্যাচ মালিককে এবিষয়ে দুইবার নোটিশ করা হয়েছে এবং দেওয়াল  পুনঃনির্মাণ করা হয়েছিল কিন্তু আবার ভেঙ্গে গেছে। পরবর্তী পরিক্ষার দিন ওখানে আনসার দেওয়া হবে।

কৃষি ও প্রকৃতি

কোন পোস্ট নেই !
অনলাইন জরিপ
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

কোন পোস্ট নেই !

এক্সক্লুসিভ

কোন পোস্ট নেই !

প্রবাস

কোন পোস্ট নেই !

ট্যুরিজম

কোন পোস্ট নেই !