রাজধানীর পল্লবী এলাকায় শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দিচ্ছে পুলিশ।
রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান জানান, ডিএনএ টেস্ট রিপোর্ট হাতে পেয়েছে পুলিশ। মামলার আনুষঙ্গিক কিছু কাজ শেষ করে আজই আদালতে দুই আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হবে।
মামলার সূত্রে জানা গেছে, নিহত রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুল-এর দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাসা থেকে বের হলে অভিযুক্ত স্বপ্না আক্তার কৌশলে তাকে নিজের রুমে নিয়ে যায়। পরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্কুলে যাওয়ার সময় শিশুটিকে খুঁজতে শুরু করেন তার মা।
একপর্যায়ে আসামিদের কক্ষের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। অনেক ডাকাডাকির পরও সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তারা রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করেন। শিশুটির মাথা একটি বড় বালতির ভেতরে রাখা ছিল বলে জানায় পুলিশ।
খবর পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ঘটনায় শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানা-এ হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলায় গ্রেপ্তারের পর আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে সোহেল রানা হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে। সে জানায়, ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিল। জবানবন্দিতে সোহেল দাবি করে, বাথরুমে নিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণের পর সে অচেতন হয়ে পড়লে ধরা পড়ার ভয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে মাথা ও শরীরের কিছু অংশ বিচ্ছিন্ন করা হয়। ঘটনার সময় তার স্ত্রী একই কক্ষে উপস্থিত ছিলেন বলেও জানায় সে।
আসামি আরও দাবি করেছে, ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে তাদের পূর্ব কোনো শত্রুতা ছিল না।

রোববার, ২৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
রাজধানীর পল্লবী এলাকায় শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দিচ্ছে পুলিশ।
রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান জানান, ডিএনএ টেস্ট রিপোর্ট হাতে পেয়েছে পুলিশ। মামলার আনুষঙ্গিক কিছু কাজ শেষ করে আজই আদালতে দুই আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হবে।
মামলার সূত্রে জানা গেছে, নিহত রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুল-এর দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাসা থেকে বের হলে অভিযুক্ত স্বপ্না আক্তার কৌশলে তাকে নিজের রুমে নিয়ে যায়। পরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্কুলে যাওয়ার সময় শিশুটিকে খুঁজতে শুরু করেন তার মা।
একপর্যায়ে আসামিদের কক্ষের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। অনেক ডাকাডাকির পরও সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তারা রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করেন। শিশুটির মাথা একটি বড় বালতির ভেতরে রাখা ছিল বলে জানায় পুলিশ।
খবর পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ঘটনায় শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানা-এ হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলায় গ্রেপ্তারের পর আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে সোহেল রানা হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে। সে জানায়, ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিল। জবানবন্দিতে সোহেল দাবি করে, বাথরুমে নিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণের পর সে অচেতন হয়ে পড়লে ধরা পড়ার ভয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে মাথা ও শরীরের কিছু অংশ বিচ্ছিন্ন করা হয়। ঘটনার সময় তার স্ত্রী একই কক্ষে উপস্থিত ছিলেন বলেও জানায় সে।
আসামি আরও দাবি করেছে, ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে তাদের পূর্ব কোনো শত্রুতা ছিল না।

আপনার মতামত লিখুন