ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) প্রধান আহমেদ ভাহিদি বলেছেন, যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা চললেও ইরান শত্রুপক্ষের সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করবে। একইসঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নতুন কোনো আগ্রাসন হলে তার জবাব হবে ‘ধ্বংসাত্মক ও ভয়াবহ’।
‘জাতীয় প্রতিরোধ, ত্যাগ ও বিজয় দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় এসব মন্তব্য করেন তিনি। দিবসটি খোররামশাহর মুক্তি-র বার্ষিকী হিসেবে পালিত হয়। ১৯৮২ সালে ৫৭৮ দিনের দখলদারিত্বের পর শহরটি মুক্ত হয়েছিল।
আহমেদ ভাহিদি বলেন, খোররামশাহরের মুক্তি ইরানের প্রতিরোধ ও বিজয়ের প্রতীক। তার দাবি, সাম্প্রতিক ‘তৃতীয় চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধেও’ ইরান ৪০ দিনের প্রতিরোধের মাধ্যমে শত্রুপক্ষকে যুদ্ধবিরতি চাইতে বাধ্য করেছে।
তিনি বলেন, এই যুদ্ধ ছিল একটি ‘হাইব্রিড যুদ্ধ’, যেখানে সামরিক চাপের পাশাপাশি রাজনৈতিক, তথ্যগত ও সাইবার কৌশলও ব্যবহার করা হয়েছে। তবে আইআরজিসির শক্ত প্রতিরোধ ও জনগণের সমর্থনের কারণে শত্রুপক্ষ তাদের লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
ভাহিদির ভাষ্য, খোররামশাহরের মুক্তির মূল শিক্ষা হলো নিজস্ব শক্তির ওপর নির্ভরতা এবং কার্যকর প্রতিরোধ সক্ষমতা গড়ে তোলা। তিনি বলেন, ইরানের পারমাণবিক, ক্ষেপণাস্ত্র, প্রতিরক্ষা ও আক্রমণ সক্ষমতার উন্নয়ন শত্রুদের হিসাব পাল্টে দিয়েছে।
তিনি আরও দাবি করেন, দেশের সবচেয়ে বড় কৌশলগত শক্তি হলো জনগণের ঐক্যবদ্ধ অবস্থান, যা শত্রুপক্ষের ষড়যন্ত্র ও অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে অটুট দেয়াল হিসেবে কাজ করছে।
আইআরজিসি প্রধান জানান, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ক্ষেপণাস্ত্র, বিমান, নৌ, স্থল, মহাকাশ ও সাইবার—সবক্ষেত্রেই সর্বোচ্চ প্রস্তুত অবস্থায় রয়েছে। তাই নতুন কোনো হামলা হলে তার প্রতিক্রিয়া আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
বার্তার শেষদিকে তিনি বলেন, খোররামশাহরের মুক্তি ভবিষ্যতের বিজয়েরও মডেল। এ সময় তিনি ‘পবিত্র কুদস মুক্ত করা’ এবং ‘ইসরাইলি শাসনের অবসান’-এর কথাও উল্লেখ করেন।

রোববার, ২৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) প্রধান আহমেদ ভাহিদি বলেছেন, যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা চললেও ইরান শত্রুপক্ষের সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করবে। একইসঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নতুন কোনো আগ্রাসন হলে তার জবাব হবে ‘ধ্বংসাত্মক ও ভয়াবহ’।
‘জাতীয় প্রতিরোধ, ত্যাগ ও বিজয় দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় এসব মন্তব্য করেন তিনি। দিবসটি খোররামশাহর মুক্তি-র বার্ষিকী হিসেবে পালিত হয়। ১৯৮২ সালে ৫৭৮ দিনের দখলদারিত্বের পর শহরটি মুক্ত হয়েছিল।
আহমেদ ভাহিদি বলেন, খোররামশাহরের মুক্তি ইরানের প্রতিরোধ ও বিজয়ের প্রতীক। তার দাবি, সাম্প্রতিক ‘তৃতীয় চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধেও’ ইরান ৪০ দিনের প্রতিরোধের মাধ্যমে শত্রুপক্ষকে যুদ্ধবিরতি চাইতে বাধ্য করেছে।
তিনি বলেন, এই যুদ্ধ ছিল একটি ‘হাইব্রিড যুদ্ধ’, যেখানে সামরিক চাপের পাশাপাশি রাজনৈতিক, তথ্যগত ও সাইবার কৌশলও ব্যবহার করা হয়েছে। তবে আইআরজিসির শক্ত প্রতিরোধ ও জনগণের সমর্থনের কারণে শত্রুপক্ষ তাদের লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
ভাহিদির ভাষ্য, খোররামশাহরের মুক্তির মূল শিক্ষা হলো নিজস্ব শক্তির ওপর নির্ভরতা এবং কার্যকর প্রতিরোধ সক্ষমতা গড়ে তোলা। তিনি বলেন, ইরানের পারমাণবিক, ক্ষেপণাস্ত্র, প্রতিরক্ষা ও আক্রমণ সক্ষমতার উন্নয়ন শত্রুদের হিসাব পাল্টে দিয়েছে।
তিনি আরও দাবি করেন, দেশের সবচেয়ে বড় কৌশলগত শক্তি হলো জনগণের ঐক্যবদ্ধ অবস্থান, যা শত্রুপক্ষের ষড়যন্ত্র ও অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে অটুট দেয়াল হিসেবে কাজ করছে।
আইআরজিসি প্রধান জানান, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ক্ষেপণাস্ত্র, বিমান, নৌ, স্থল, মহাকাশ ও সাইবার—সবক্ষেত্রেই সর্বোচ্চ প্রস্তুত অবস্থায় রয়েছে। তাই নতুন কোনো হামলা হলে তার প্রতিক্রিয়া আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
বার্তার শেষদিকে তিনি বলেন, খোররামশাহরের মুক্তি ভবিষ্যতের বিজয়েরও মডেল। এ সময় তিনি ‘পবিত্র কুদস মুক্ত করা’ এবং ‘ইসরাইলি শাসনের অবসান’-এর কথাও উল্লেখ করেন।

আপনার মতামত লিখুন