শারজাহতে নিজের পাঁচ বছর বয়সি কন্যাসন্তানকে বহুতল ভবন থেকে নিচে ছুঁড়ে ফেলে পরে নিজেও ভবন থেকে লাফিয়ে পরে আত্মহত্যা করেছেন এক ভারতীয় প্রবাসী নারী।
গত বুধবার (২০ মে) সকাল সোয়া ৭টার দিকে আল নাহদা এলাকার একটি আবাসিক ভবনে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ৩৫ বছর বয়সি ওই নারী প্রথমে তার শিশুকন্যাকে ভবনের ব্যালকনি থেকে নিচে ফেলে দেন। এরপর নিজেও লাফিয়ে পড়েন। ভবনটির অতিরিক্ত পার্কিং ও জিমনেশিয়াম তলা থাকায় তারা প্রায় ২২ তলা সমান উচ্চতা থেকে নিচে পড়েন।
ভবনের এক নিরাপত্তাকর্মী জানান, তিনি বিকট শব্দ শুনে বাইরে এসে ভবনের সামনের রাস্তায় শিশুটির এবং ফুটপাতে মায়ের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে দ্রুত পুলিশ ও অ্যাম্বুলেন্সে খবর দেওয়া হয়।
ঘটনার পরপরই পুলিশ পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে এবং মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। শনিবার (২৩ মে) বিকেল নাগাদ ঘটনাস্থল পরিষ্কার করা হয়।
তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ নিহত নারীর স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। তিনি দুবাই-এ একটি প্রতিষ্ঠানে এয়ারক্রাফট রিসোর্স অ্যালোকেশন অফিসার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, কেরালা থেকে আসা এই দম্পতি প্রায় ১২ বছর ধরে বিবাহিত এবং গত সাত বছর ধরে ওই অ্যাপার্টমেন্টে বসবাস করছিলেন।
নিরাপত্তাকর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, জিজ্ঞাসাবাদে স্বামী দাবি করেছেন তার স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছিলেন। এছাড়া প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, ঘটনার আগের দিন পারিবারিক কলহের জেরে ওই বাসায় পুলিশও গিয়েছিল।
এই মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো আবাসিক এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, শিশুটি ছিল অত্যন্ত প্রাণবন্ত ও সবার প্রিয়। প্রতিদিন সকালে বাবার সঙ্গে স্কুলে যাওয়ার সময় সে হাসিমুখে সবাইকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানাত।
শারজাহ পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা ও বিস্তারিত তদন্তের জন্য মামলাটি পাবলিক প্রসিকিউশনে পাঠানো হয়েছে।

রোববার, ২৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
শারজাহতে নিজের পাঁচ বছর বয়সি কন্যাসন্তানকে বহুতল ভবন থেকে নিচে ছুঁড়ে ফেলে পরে নিজেও ভবন থেকে লাফিয়ে পরে আত্মহত্যা করেছেন এক ভারতীয় প্রবাসী নারী।
গত বুধবার (২০ মে) সকাল সোয়া ৭টার দিকে আল নাহদা এলাকার একটি আবাসিক ভবনে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ৩৫ বছর বয়সি ওই নারী প্রথমে তার শিশুকন্যাকে ভবনের ব্যালকনি থেকে নিচে ফেলে দেন। এরপর নিজেও লাফিয়ে পড়েন। ভবনটির অতিরিক্ত পার্কিং ও জিমনেশিয়াম তলা থাকায় তারা প্রায় ২২ তলা সমান উচ্চতা থেকে নিচে পড়েন।
ভবনের এক নিরাপত্তাকর্মী জানান, তিনি বিকট শব্দ শুনে বাইরে এসে ভবনের সামনের রাস্তায় শিশুটির এবং ফুটপাতে মায়ের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে দ্রুত পুলিশ ও অ্যাম্বুলেন্সে খবর দেওয়া হয়।
ঘটনার পরপরই পুলিশ পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে এবং মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। শনিবার (২৩ মে) বিকেল নাগাদ ঘটনাস্থল পরিষ্কার করা হয়।
তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ নিহত নারীর স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। তিনি দুবাই-এ একটি প্রতিষ্ঠানে এয়ারক্রাফট রিসোর্স অ্যালোকেশন অফিসার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, কেরালা থেকে আসা এই দম্পতি প্রায় ১২ বছর ধরে বিবাহিত এবং গত সাত বছর ধরে ওই অ্যাপার্টমেন্টে বসবাস করছিলেন।
নিরাপত্তাকর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, জিজ্ঞাসাবাদে স্বামী দাবি করেছেন তার স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছিলেন। এছাড়া প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, ঘটনার আগের দিন পারিবারিক কলহের জেরে ওই বাসায় পুলিশও গিয়েছিল।
এই মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো আবাসিক এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, শিশুটি ছিল অত্যন্ত প্রাণবন্ত ও সবার প্রিয়। প্রতিদিন সকালে বাবার সঙ্গে স্কুলে যাওয়ার সময় সে হাসিমুখে সবাইকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানাত।
শারজাহ পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা ও বিস্তারিত তদন্তের জন্য মামলাটি পাবলিক প্রসিকিউশনে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন