খামেনি হত্যায় ইসরায়েলি নজরদারিতে মদদ দিয়েছিলো সিআইএ
ছবিঃ বিপ্লবীবার্তা

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার লক্ষ্যে দীর্ঘদিনের ইসরায়েলি নজরদারিতে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সাথে সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (সিআইএ) সহ যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তার অভিযোগ উঠেছে।


দ্য গার্ডিয়ান প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উথে এসেছে।প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত ছয় মাস ধরে এই অভিযানে প্রযুক্তিগত ও জনবল সহায়তা দিয়েছে সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি সহ যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা । 


তাদের দাবি, তেহরানের প্রায় সব ট্রাফিক ক্যামেরা বহু বছর ধরে হ্যাক করে রাখা হয়েছিল। এছাড়া ইরানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণের জন্য পাস্তুর স্ট্রিট সংলগ্ন সরকারি কার্যালয়ের আশপাশে নজরদারি চালানো হতো।


প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানি শাসনব্যবস্থাকে দুর্বল করার লক্ষ্যেই এই অভিযান চালানো হয়েছিল। শনিবার তেহরানের শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সামরিক ও গোয়েন্দা অভিযান পরিচালিত হয়। বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, এই ধরনের পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ও সহিংসতা বাড়াতে পারে।


ইসরায়েলি গোয়েন্দা বিশ্লেষক ও লেখক ইয়োসি মেলম্যান বলেন, 'গুপ্তহত্যার কৌশল দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর সমাধান নয়।' তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের হত্যা করা হলেও তাদের শূন্যস্থান দ্রুত পূরণ হয়ে যায়।


এদিকে মোসাদ দীর্ঘদিন ধরে ইরানের ভেতরে গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। এই নেটওয়ার্কের সহায়তায় অতীতে ইরানের এক পরমাণুবিজ্ঞানীকে দূরনিয়ন্ত্রিত স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র ব্যবহার করে হত্যার ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করা হয়।