মধ্যপ্রাচ্যে আরও শক্তিশালী হচ্ছে মার্কিন সামরিক শক্তি; বাড়ছে সেনা ও সরঞ্জাম
ছবিঃ সংগৃহীত

ইরানের সঙ্গে পরমাণু ইস্যুতে ওমানে যখন কূটনৈতিক সংলাপ চলছে, ঠিক তখনই মধ্যপ্রাচ্যের সমুদ্রসীমায় সামরিক উপস্থিতি নজিরবিহীনভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে আরব সাগর, লোহিত সাগর ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে চারটি বিশালাকৃতির বিধ্বংসী যুদ্ধজাহাজসহ একঝাঁক রণতরী নিয়মিত টহল দিচ্ছে। 


মূলত পরমাণু প্রকল্প ইস্যুতে তেহরানকে চাপে রাখতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশে গত জানুয়ারিতে বিমানবাহী রণতরী 'ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন' মোতায়েনের পর বর্তমানে পেন্টাগন আরও তিনটি অত্যাধুনিক 'গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার' যুক্ত করেছে। ইউএসএস ফ্র্যাঙ্ক ই. পিটারসেন জেআর, ইউএসএস মাইকেল মারফি এবং ইউএসএস স্প্রুয়ান্স নামের এই তিন যুদ্ধজাহাজে বর্তমানে প্রায় ৫ হাজার ৭০০ মার্কিন সেনা ও বিপুল সমরাস্ত্র মোতায়েন রয়েছে।


কেবল জলসীমা নয়, আকাশ ও স্থলেও কড়া সামরিক বেষ্টনী গড়ে তুলেছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। পারস্য উপসাগরে তিনটি উপকূলীয় যুদ্ধজাহাজ টহলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে মোতায়েন করা হয়েছে অত্যাধুনিক এফ-১৫ যুদ্ধবিমান। এছাড়া সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মোকাবিলায় বসানো হয়েছে উচ্চপ্রযুক্তির প্রতিরক্ষা সিস্টেম ‘থাড’ (THAAD) ও দূরপাল্লার ‘প্যাট্রিয়ট’ মিসাইল। 


ওমানে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে প্রথম দফার ইতিবাচক আলোচনার মাঝেই ওয়াশিংটনের এমন কঠোর অবস্থান নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি। গতকাল এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি জানান, সংলাপে চলাকালীন এই সামরিক তৎপরতার কারণ তাঁর বোধগম্য নয়; তবে তেহরান এসবে বিচলিত বা ভীত নয়।