আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া–৪ (খোকসা-কুমারখালী) আসনে বিএনপি মনোনীত এমপি প্রার্থী সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত এমপি পদপ্রার্থী আফজাল হোসেনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে কুষ্টিয়া জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন।
গতকাল রবিবার (৫ জানুয়ারি ২০২৬) সকালে জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে প্রার্থীদের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এই ঘোষনা দেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা।
আর এই ঘোষণার মধ্য দিয়েই সমর্থকদের মাঝে শুরু হয়েছে আলোচনা সমালোচনার ঝড়। তাদের ধারনা, কুষ্টিয়া-৪ (খোকসা-কুমারখালী) আসনে বিএনপি মনোনীত এমপি প্রার্থী সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী এবং বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর মনোনীত এমপি প্রার্থী আফজাল হোসেনের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি ভোটের লড়াই জমে উঠবে।
মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার পর আফজাল হোসেন সমর্থকরা বলছেন, 'নির্বাচনের ফলাফল সম্পর্কে আমরা শতভাগ আশাবাদী। যদি সুষ্ঠ, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হয় তাহলে জামায়াতের এমপি প্রার্থী আফজাল হোসেন বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন। আফজাল হোসেন কুমারখালী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও কুমারখালী উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর।'
অপরদিকে বিএনপির মনোনীত এমপি প্রার্থী সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমীর সমর্থকরা বলছেন, 'কুষ্টিয়া বিএনপির ঘাটি। এই আসনে সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবেন।'
সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী কুষ্টিয়া-৪ আসন থেকে পূর্বেও সাংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছে। তিনি কুষ্টিয়া জেলা বিএপির সাবেক সভাপতি ও বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
অপরদিকে এই আসনের বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী কুষ্টিয়া জেলা বিএপির যুগ্ম আহবায়ক শেখ সাদী ও কুমারখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আনছাড় পরামানিকের মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করেছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা।
অপরদিকে বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আনোয়ার খানও দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন কুষ্টিয়া-৪ আসনে৷

