যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার সব সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি এর পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা কামাল খারাজি এক কড়া বার্তায় জানিয়েছেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে কূটনীতির জন্য বর্তমানে আর কোনো জায়গা অবশিষ্ট নেই।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ইরানের সেনাবাহিনী একটি দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। তেহরানের শীর্ষ পর্যায়ের এই কর্মকর্তার মন্তব্য মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা আরও বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে কূটনৈতিক সমাধানের চেয়ে সংঘাতের আশঙ্কাই বেশি জোরালো হয়ে উঠছে।
খারাজির এই অবস্থান ইরানের অনমনীয় মনোভাবকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে, যা মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী সামরিক অস্থিরতার আশঙ্কা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
এদিকে চলমান উত্তেজনার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বিশ্ব জ্বালানি বাজারেও। মার্কিন বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান গোল্ডম্যান শ্যাক্স সতর্ক করে বলেছে, যদি হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকে, তবে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে ১৫০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় ৮০ শতাংশ কমে গেছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। ফলে অনেক তেলবাহী ট্যাংকার সমুদ্রে আটকা পড়েছে এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

