প্লট দুর্নীতি মামলা: হাসিনা, টিউলিপ ও আজমিনার রায় ২ ফেব্রুয়ারি
ছবিঃ সংগৃহীত

ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে সরকারি প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার দুই ভাগ্নি—শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিকসহ ১৭ জনের মামলায় রায় ঘোষণা করা হবে আগামী ২ ফেব্রুয়ারি।


মামলায় এখন পর্যন্ত তদন্ত কর্মকর্তা সহ মোট ৩১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন আদালত।


এদিকে একই আদালতে শেখ হাসিনা, টিউলিপ সিদ্দিক ও রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকসহ ১৮ জনের আরেকটি মামলায় যুক্তি উপস্থাপনের জন্য ১৮ জানুয়ারি ধার্য করেছেন।


প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে শেখ হাসিনা ও তার পরিবার—সন্তান সজিব ওয়াজেদ জয়, সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, শেখ রেহানা এবং তার দুই মেয়ে—সহ পৃথক ছয়টি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এর মধ্যে শেখ হাসিনা পরিবারের তিন মামলার রায় ইতিমধ্যে আসা গেছে। এছাড়া শেখ রেহানা ও টিউলিপেরও একটি মামলায় সাজা হয়েছে।


শেখ পরিবারের বাইরে অন্য আসামিরা হলেন:

জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) কাজী ওয়াছি উদ্দিন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) কবির আল আসাদ, সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) তন্ময় দাস, সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মো. নুরুল ইসলাম, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, সাবেক সদস্য মেজর (অব.) ইঞ্জিনিয়ার সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-২) শেখ শাহিনুল ইসলাম, উপপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান, হাবিবুর রহমান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এবং প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব সালাউদ্দিন।


মামলায় অভিযোগ করা হয়, সরকারের সর্বোচ্চ পদে থাকা অবস্থায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবার ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। অযোগ্য হলেও তারা পূর্বাচল আবাসন প্রকল্পের ২৭ নম্বর সেক্টরে ১০ কাঠা করে সরকারি প্লট বরাদ্দ নিয়েছেন।