বিপ্লবী বার্তা

মূল পাতা

জাতীয়

গোপালগঞ্জে নানা আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন

গোপালগঞ্জে নানা আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন
ছবিঃ বিপ্লবী বার্তা

গোপালগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদা ও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনা সভা, মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময়, প্রদর্শনী ফুটবল ম্যাচ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।

দিবসটি উপলক্ষে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে জেলার সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবন এবং স্থাপনাসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

সকাল ১০টায় গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আরিফ-উজ-জামান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোঃ হাবীবুল্লাহ এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক শরীফ রফিকুজ্জামান। সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এস. এম. তারেক সুলতান।

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের সদস্য, শিক্ষার্থী, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা।

সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অংশগ্রহণে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে জেলা স্টেডিয়ামে জেলা সদর ও উপজেলা পর্যায়ের অংশগ্রহণে প্রদর্শনী ফুটবল ম্যাচ আয়োজন করা হয়।

দুপুর ২টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে দেশাত্মবোধক গানের আসর অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে জেলার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ইতিহাস ও ঘটনাপ্রবাহভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয়।

এ ছাড়া দিবসটি উপলক্ষে জেলার হাসপাতাল, কারাগার, এতিমখানা, শিশু বিকাশ কেন্দ্র ও শিশু পরিবারে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়। জেলার সব মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনায় বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।

দিবসটির তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আলোচনা সভা ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

এ ছাড়া জেলার সরকারি ও বেসরকারি শিশু পার্কগুলো শিশুদের জন্য সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বিনা টিকিটে উন্মুক্ত রাখা হয়।

জাতীয় ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সম্মাননা এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম ও দায়িত্ববোধ জাগ্রত করার মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী এসব কর্মসূচি সম্পন্ন হয়।

গোপালগঞ্জ

আপনার মতামত লিখুন

বিপ্লবী বার্তা

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬


গোপালগঞ্জে নানা আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন

প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

গোপালগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদা ও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনা সভা, মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময়, প্রদর্শনী ফুটবল ম্যাচ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।

দিবসটি উপলক্ষে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে জেলার সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবন এবং স্থাপনাসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

সকাল ১০টায় গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আরিফ-উজ-জামান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোঃ হাবীবুল্লাহ এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক শরীফ রফিকুজ্জামান। সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এস. এম. তারেক সুলতান।

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের সদস্য, শিক্ষার্থী, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা।

সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অংশগ্রহণে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে জেলা স্টেডিয়ামে জেলা সদর ও উপজেলা পর্যায়ের অংশগ্রহণে প্রদর্শনী ফুটবল ম্যাচ আয়োজন করা হয়।

দুপুর ২টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে দেশাত্মবোধক গানের আসর অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে জেলার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ইতিহাস ও ঘটনাপ্রবাহভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয়।

এ ছাড়া দিবসটি উপলক্ষে জেলার হাসপাতাল, কারাগার, এতিমখানা, শিশু বিকাশ কেন্দ্র ও শিশু পরিবারে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়। জেলার সব মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনায় বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।

দিবসটির তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আলোচনা সভা ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

এ ছাড়া জেলার সরকারি ও বেসরকারি শিশু পার্কগুলো শিশুদের জন্য সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বিনা টিকিটে উন্মুক্ত রাখা হয়।

জাতীয় ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সম্মাননা এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম ও দায়িত্ববোধ জাগ্রত করার মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী এসব কর্মসূচি সম্পন্ন হয়।



বিপ্লবী বার্তা

প্রকাশক
শেখ মাহমুদ উজ্জ্বল
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
কাইয়ুম তালুকদার (কানন)
উপদেষ্টা সম্পাদক
ড. জাহিদ আহমেদ চৌধুরী

কপিরাইট © ২০২৬ । বিপ্লবী বার্তা