গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদ্যাপন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনা সভা, বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১০টায় মুকসুদপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. সেলিমুজ্জামান সেলিম।
মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ আশিক কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ভীষ্মদেব মণ্ডল, মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল আল মামুন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল সালাম খান, সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম রাজু এবং সরকারি সাবের মিয়া জসিম উদ্দিন মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুনীল কুমার মণ্ডল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মো. সেলিমুজ্জামান সেলিম বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ব্যক্তিগত স্বার্থে বা নিজের প্রয়োজনে কোনো কাজে অংশগ্রহণ করেননি। বরং দেশ ও জাতির কল্যাণে তিনি ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। দেশের স্বাধীনতা ও জনগণের মুক্তির লক্ষ্যে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। দেশের গণতন্ত্র ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. সায়েদ আহমেদ।
এ সময় শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি বিশেষ তাৎপর্য লাভ করে। আলোচনা সভায় মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি, দেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহ এবং জাতীয় জীবনে ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
বক্তারা জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, তাৎপর্য এবং দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে দিবসটির গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও দেশের উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আলোচনা সভা শেষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা। পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পরিবেশনার মধ্য দিয়ে দিবসটি উদ্যাপন করা হয়।
উপজেলা প্রশাসনের এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরার পাশাপাশি বীর মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা জানানো হয়।

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদ্যাপন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনা সভা, বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১০টায় মুকসুদপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. সেলিমুজ্জামান সেলিম।
মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ আশিক কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ভীষ্মদেব মণ্ডল, মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল আল মামুন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল সালাম খান, সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম রাজু এবং সরকারি সাবের মিয়া জসিম উদ্দিন মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুনীল কুমার মণ্ডল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মো. সেলিমুজ্জামান সেলিম বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ব্যক্তিগত স্বার্থে বা নিজের প্রয়োজনে কোনো কাজে অংশগ্রহণ করেননি। বরং দেশ ও জাতির কল্যাণে তিনি ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। দেশের স্বাধীনতা ও জনগণের মুক্তির লক্ষ্যে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। দেশের গণতন্ত্র ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. সায়েদ আহমেদ।
এ সময় শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি বিশেষ তাৎপর্য লাভ করে। আলোচনা সভায় মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি, দেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহ এবং জাতীয় জীবনে ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
বক্তারা জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, তাৎপর্য এবং দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে দিবসটির গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও দেশের উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আলোচনা সভা শেষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা। পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পরিবেশনার মধ্য দিয়ে দিবসটি উদ্যাপন করা হয়।
উপজেলা প্রশাসনের এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরার পাশাপাশি বীর মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা জানানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন