ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শ্রী শ্রী শ্যামাকালী পূজা উদযাপন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পূজা উদযাপন পরিষদ। রোববার (৮ নভেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মুগ্ধ সরোবর সংলগ্ন নির্মিত অস্থায়ী মন্দিরে এ পূজার আয়োজন করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ও হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের অধ্যাপক ড. অরবিন্দ সাহা, ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক লিটন বরণ সিকদার এবং ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সঞ্চয় কুমার সরকার।
এছাড়া সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার পাল, সাংগঠনিক সম্পাদক সজল রায়, কোষাধ্যক্ষ দুরন্ত রায় মিলন ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক সৈতক সরকারসহ সংগঠনটির অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
পূজা উপলক্ষে প্রতিমা স্থাপন, দেবীর আরাধনা, প্রদীপ প্রজ্বালন, ধুনুচি নাচ, পুষ্পাঞ্জলি, প্রসাদ বিতরণ ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার পাল বলেন, ‘প্রতিবছরের মতো এ বছরও আমরা শ্রী শ্রী শ্যামাকালী পূজার আয়োজন করেছি। সবাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে আমাদের সহযোগিতা করেছেন। এর আগে আমরা ইবি থানার পাশে পূজার আয়োজন করতাম। এবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতায় এখানে আয়োজন করেছি।’

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শ্রী শ্রী শ্যামাকালী পূজা উদযাপন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পূজা উদযাপন পরিষদ। রোববার (৮ নভেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মুগ্ধ সরোবর সংলগ্ন নির্মিত অস্থায়ী মন্দিরে এ পূজার আয়োজন করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ও হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের অধ্যাপক ড. অরবিন্দ সাহা, ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক লিটন বরণ সিকদার এবং ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সঞ্চয় কুমার সরকার।
এছাড়া সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার পাল, সাংগঠনিক সম্পাদক সজল রায়, কোষাধ্যক্ষ দুরন্ত রায় মিলন ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক সৈতক সরকারসহ সংগঠনটির অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
পূজা উপলক্ষে প্রতিমা স্থাপন, দেবীর আরাধনা, প্রদীপ প্রজ্বালন, ধুনুচি নাচ, পুষ্পাঞ্জলি, প্রসাদ বিতরণ ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার পাল বলেন, ‘প্রতিবছরের মতো এ বছরও আমরা শ্রী শ্রী শ্যামাকালী পূজার আয়োজন করেছি। সবাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে আমাদের সহযোগিতা করেছেন। এর আগে আমরা ইবি থানার পাশে পূজার আয়োজন করতাম। এবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতায় এখানে আয়োজন করেছি।’

আপনার মতামত লিখুন