শতবর্ষী স্কুল-কলেজের পাশাপাশি মাদ্রাসার তালিকা তৈরি ও জাতীয়করণের সম্ভাব্য বিবেচনায় সমান সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন এমপিওভুক্ত শতবর্ষী মাদ্রাসা জাতীয়করণ প্রত্যাশী ফোরামের সদস্য সচিব মিজানুর রহমান (রুবেল)।
তিনি বলেছেন, শতবর্ষের ঐতিহ্য ও শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের ভিত্তিতে স্কুল-কলেজের মতো মাদ্রাসাগুলোকেও সমান মর্যাদা ও মূল্যায়ন দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের বৈষম্য থাকা উচিত নয়।
এক বিবৃতিতে মিজানুর রহমান বলেন, শতবর্ষী স্কুল-কলেজের জাতীয়করণ-সংক্রান্ত সম্ভাবনা যাচাইয়ে তালিকা ও তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হলেও মাদ্রাসার ক্ষেত্রে একই ধরনের কার্যক্রম দৃশ্যমান নয়। অথচ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শতবর্ষের বেশি সময় ধরে অসংখ্য মাদ্রাসা শিক্ষার প্রসারে ভূমিকা রেখে আসছে।
তিনি বলেন, গত ২৭ অক্টোবর ২০২৬ টাঙ্গাইলে শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় শিক্ষামন্ত্রী শতবর্ষী স্কুল-কলেজের পাশাপাশি শতবর্ষী মাদ্রাসার তালিকাও সংগ্রহের ঘোষণা দিয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানা যায়নি।
মিজানুর রহমানের ভাষ্য, শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণার বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। এ জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে শতবর্ষী মাদ্রাসার তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু করার আহ্বান জানান তিনি।
ফোরামের পক্ষ থেকে পাঁচটি দাবি জানানো হয়েছে। এগুলো হলো—দেশের শতবর্ষ পূর্ণ করা সব মাদ্রাসার তথ্য ও প্রামাণ্য দলিল সংগ্রহ, স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার জন্য অভিন্ন ও স্বচ্ছ মূল্যায়ন মানদণ্ড নির্ধারণ, প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস ও শিক্ষাসেবাসহ বিভিন্ন অবদান বিবেচনা, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের দ্রুত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং সরকারের নির্ধারিত শর্ত পূরণকারী মাদ্রাসাগুলোকে জাতীয়করণের সম্ভাব্য বিবেচনায় সমান সুযোগ দেওয়া।
বিবৃতিতে বলা হয়, শতবর্ষী মাদ্রাসার জন্য বিশেষ কোনো সুবিধা নয়, বরং ন্যায়সংগত মূল্যায়ন ও সমান সুযোগ প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানের নামের পরিবর্তে ঐতিহ্য, অবদান ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মূল্যায়ন হওয়া উচিত।
মিজানুর রহমান (রুবেল) এমপিওভুক্ত শতবর্ষী মাদ্রাসা জাতীয়করণ প্রত্যাশী ফোরামের সদস্য সচিব। তিনি টাঙ্গাইলের করটিয়ায় শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী রোকেয়া কামিল মাদ্রাসার প্রভাষক।

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
শতবর্ষী স্কুল-কলেজের পাশাপাশি মাদ্রাসার তালিকা তৈরি ও জাতীয়করণের সম্ভাব্য বিবেচনায় সমান সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন এমপিওভুক্ত শতবর্ষী মাদ্রাসা জাতীয়করণ প্রত্যাশী ফোরামের সদস্য সচিব মিজানুর রহমান (রুবেল)।
তিনি বলেছেন, শতবর্ষের ঐতিহ্য ও শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের ভিত্তিতে স্কুল-কলেজের মতো মাদ্রাসাগুলোকেও সমান মর্যাদা ও মূল্যায়ন দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের বৈষম্য থাকা উচিত নয়।
এক বিবৃতিতে মিজানুর রহমান বলেন, শতবর্ষী স্কুল-কলেজের জাতীয়করণ-সংক্রান্ত সম্ভাবনা যাচাইয়ে তালিকা ও তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হলেও মাদ্রাসার ক্ষেত্রে একই ধরনের কার্যক্রম দৃশ্যমান নয়। অথচ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শতবর্ষের বেশি সময় ধরে অসংখ্য মাদ্রাসা শিক্ষার প্রসারে ভূমিকা রেখে আসছে।
তিনি বলেন, গত ২৭ অক্টোবর ২০২৬ টাঙ্গাইলে শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় শিক্ষামন্ত্রী শতবর্ষী স্কুল-কলেজের পাশাপাশি শতবর্ষী মাদ্রাসার তালিকাও সংগ্রহের ঘোষণা দিয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানা যায়নি।
মিজানুর রহমানের ভাষ্য, শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণার বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। এ জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে শতবর্ষী মাদ্রাসার তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু করার আহ্বান জানান তিনি।
ফোরামের পক্ষ থেকে পাঁচটি দাবি জানানো হয়েছে। এগুলো হলো—দেশের শতবর্ষ পূর্ণ করা সব মাদ্রাসার তথ্য ও প্রামাণ্য দলিল সংগ্রহ, স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার জন্য অভিন্ন ও স্বচ্ছ মূল্যায়ন মানদণ্ড নির্ধারণ, প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস ও শিক্ষাসেবাসহ বিভিন্ন অবদান বিবেচনা, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের দ্রুত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং সরকারের নির্ধারিত শর্ত পূরণকারী মাদ্রাসাগুলোকে জাতীয়করণের সম্ভাব্য বিবেচনায় সমান সুযোগ দেওয়া।
বিবৃতিতে বলা হয়, শতবর্ষী মাদ্রাসার জন্য বিশেষ কোনো সুবিধা নয়, বরং ন্যায়সংগত মূল্যায়ন ও সমান সুযোগ প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানের নামের পরিবর্তে ঐতিহ্য, অবদান ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মূল্যায়ন হওয়া উচিত।
মিজানুর রহমান (রুবেল) এমপিওভুক্ত শতবর্ষী মাদ্রাসা জাতীয়করণ প্রত্যাশী ফোরামের সদস্য সচিব। তিনি টাঙ্গাইলের করটিয়ায় শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী রোকেয়া কামিল মাদ্রাসার প্রভাষক।

আপনার মতামত লিখুন