‘ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম, স্বাবলম্বী পরিবার গড়ার প্রতিশ্রুতি’ স্লোগানে সারা দেশের মতো কুড়িগ্রামেও শুরু হয়েছে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় পরিবারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম। এ জন্য জেলায় ৯৭৩ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ৯৮ জন তত্ত্বাবধায়কসহ মোট ১ হাজার ৭১ জন কর্মী নিয়োজিত করা হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) কুড়িগ্রাম শহর সমাজসেবা কার্যালয়ের হলরুমে এ কর্মসূচি উপলক্ষে অবহিতকরণ প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। সদর উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় ও শহর সমাজসেবা কার্যালয়, কুড়িগ্রাম যৌথভাবে এ আয়োজন করে।
প্রেস কনফারেন্সে বক্তব্য দেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক হুমায়ূন কবির, সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মশিউর রহমান মন্ডল এবং শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান। এ সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।
কর্মসূচির আওতায় পরিবারের নারী প্রধানের নামে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রক্সি মিনস টেস্ট (পিএমটি) পদ্ধতিতে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা যাচাই করে ভাতার উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে। সব নারী পরিবারপ্রধান কার্ড পেলেও পিএমটি স্কোরের ভিত্তিতে প্রথম তিন শ্রেণিতে থাকা যোগ্য পরিবারগুলো ভাতা পাবে। ৮৬০ বা তার কম স্কোর পাওয়া নারী পরিবারপ্রধানেরা ভাতা পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
প্রেস কনফারেন্সে আরও জানানো হয়, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সারা দেশে প্রায় ৪ কোটি ৪৫ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে নতুন করে ৪০ লাখ নারী পরিবারপ্রধানকে ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে পরবর্তী তিন অর্থবছরে যোগ্য সব নারী পরিবারপ্রধানকে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।
ফ্যামিলি কার্ডে ডুয়াল চিপ, কিউআর কোড ও এনএফসি প্রযুক্তি যুক্ত থাকবে। কার্ডটি সরকারের টাকাপে পেমেন্ট ব্যবস্থার সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। এর মাধ্যমে ব্যাংকের এটিএম বুথ, বিপণিবিতানের বিক্রয়কেন্দ্র এবং মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে ভাতার টাকা উত্তোলন করা যাবে।
উল্লেখ্য, গত ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির পরীক্ষামূলক কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এ কর্মসূচির জন্য ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা সরাসরি ভাতা প্রদানের জন্য বরাদ্দ রয়েছে।

সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬
‘ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম, স্বাবলম্বী পরিবার গড়ার প্রতিশ্রুতি’ স্লোগানে সারা দেশের মতো কুড়িগ্রামেও শুরু হয়েছে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় পরিবারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম। এ জন্য জেলায় ৯৭৩ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ৯৮ জন তত্ত্বাবধায়কসহ মোট ১ হাজার ৭১ জন কর্মী নিয়োজিত করা হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) কুড়িগ্রাম শহর সমাজসেবা কার্যালয়ের হলরুমে এ কর্মসূচি উপলক্ষে অবহিতকরণ প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। সদর উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় ও শহর সমাজসেবা কার্যালয়, কুড়িগ্রাম যৌথভাবে এ আয়োজন করে।
প্রেস কনফারেন্সে বক্তব্য দেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক হুমায়ূন কবির, সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মশিউর রহমান মন্ডল এবং শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান। এ সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।
কর্মসূচির আওতায় পরিবারের নারী প্রধানের নামে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রক্সি মিনস টেস্ট (পিএমটি) পদ্ধতিতে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা যাচাই করে ভাতার উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে। সব নারী পরিবারপ্রধান কার্ড পেলেও পিএমটি স্কোরের ভিত্তিতে প্রথম তিন শ্রেণিতে থাকা যোগ্য পরিবারগুলো ভাতা পাবে। ৮৬০ বা তার কম স্কোর পাওয়া নারী পরিবারপ্রধানেরা ভাতা পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
প্রেস কনফারেন্সে আরও জানানো হয়, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সারা দেশে প্রায় ৪ কোটি ৪৫ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে নতুন করে ৪০ লাখ নারী পরিবারপ্রধানকে ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে পরবর্তী তিন অর্থবছরে যোগ্য সব নারী পরিবারপ্রধানকে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।
ফ্যামিলি কার্ডে ডুয়াল চিপ, কিউআর কোড ও এনএফসি প্রযুক্তি যুক্ত থাকবে। কার্ডটি সরকারের টাকাপে পেমেন্ট ব্যবস্থার সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। এর মাধ্যমে ব্যাংকের এটিএম বুথ, বিপণিবিতানের বিক্রয়কেন্দ্র এবং মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে ভাতার টাকা উত্তোলন করা যাবে।
উল্লেখ্য, গত ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির পরীক্ষামূলক কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এ কর্মসূচির জন্য ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা সরাসরি ভাতা প্রদানের জন্য বরাদ্দ রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন