অন্যায় কিংবা নিজের আত্মসম্মানের প্রশ্নে বরাবরই সোচ্চার বলিউডের ‘ভাইজান’ খ্যাত সালমান খান। এবার তারকাদের ব্যক্তিগত মুহূর্ত ও সংবেদনশীল পরিস্থিতিকে ক্যামেরাবন্দি করার অতি-উৎসাহী ‘পাপারাজ্জি সংস্কৃতি’র বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা উগরে দিলেন এই অভিনেতা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় সংবাদমাধ্যমের একাংশের এমন আচরণকে ‘অমানবিক’ বলে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বলিউড সুলতান।
ঘটনার সূত্রপাত মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালের বাইরে। সেখানে একটি জরুরি ও সংবেদনশীল পরিস্থিতিতে সালমান খানকে দেখতে পেয়েই ফ্রেমবন্দি করার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়েন পাপারাজ্জিরা। রেস্টুরেন্ট হোক বা হাসপাতাল—তারকাদের এমন ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কঠিন মুহূর্তকে স্রেফ ‘কনটেন্ট’ বানিয়ে অর্থ উপার্জনের এই মানসিকতা একদমই ভালোভাবে নেননি সালমান।
পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্টে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করে সালমান লেখেন, “আমি বরাবরই সংবাদমাধ্যমের পাশে দাঁড়িয়েছি এবং তাদের কাজকে সম্মান করেছি। সবসময় চেয়েছি তারা যেন নিজেদের কাজ শান্তিতে করতে পারেন।”
তবে অন্যের দুঃখ-কষ্টকে পুঁজি করে ব্যবসা করার এই প্রবণতা তাকে ভীষণভাবে ব্যথিত করেছে। প্রশ্ন তুলে ভাইজান স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “কারও জীবনের চেয়ে কি একটা ছবি বেশি গুরুত্বপূর্ণ? আমি ৬০ বছর বয়সে পৌঁছেছি ঠিকই, কিন্তু লড়াই করতে ভুলিনি। জেলে দিতে চাইলে দিতে পারেন।”
সালমান খানের এই বিস্ফোরক পোস্টের পর বিনোদন পাড়ায় নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। তারকাদের ব্যক্তিগত জীবনের গোপনীয়তা (Privacy) এবং পাপারাজ্জিদের সীমালঙ্ঘন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সালমান ভক্তরা তার এই সাহসী অবস্থানকে সমর্থন জানাচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
অন্যায় কিংবা নিজের আত্মসম্মানের প্রশ্নে বরাবরই সোচ্চার বলিউডের ‘ভাইজান’ খ্যাত সালমান খান। এবার তারকাদের ব্যক্তিগত মুহূর্ত ও সংবেদনশীল পরিস্থিতিকে ক্যামেরাবন্দি করার অতি-উৎসাহী ‘পাপারাজ্জি সংস্কৃতি’র বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা উগরে দিলেন এই অভিনেতা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় সংবাদমাধ্যমের একাংশের এমন আচরণকে ‘অমানবিক’ বলে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বলিউড সুলতান।
ঘটনার সূত্রপাত মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালের বাইরে। সেখানে একটি জরুরি ও সংবেদনশীল পরিস্থিতিতে সালমান খানকে দেখতে পেয়েই ফ্রেমবন্দি করার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়েন পাপারাজ্জিরা। রেস্টুরেন্ট হোক বা হাসপাতাল—তারকাদের এমন ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কঠিন মুহূর্তকে স্রেফ ‘কনটেন্ট’ বানিয়ে অর্থ উপার্জনের এই মানসিকতা একদমই ভালোভাবে নেননি সালমান।
পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্টে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করে সালমান লেখেন, “আমি বরাবরই সংবাদমাধ্যমের পাশে দাঁড়িয়েছি এবং তাদের কাজকে সম্মান করেছি। সবসময় চেয়েছি তারা যেন নিজেদের কাজ শান্তিতে করতে পারেন।”
তবে অন্যের দুঃখ-কষ্টকে পুঁজি করে ব্যবসা করার এই প্রবণতা তাকে ভীষণভাবে ব্যথিত করেছে। প্রশ্ন তুলে ভাইজান স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “কারও জীবনের চেয়ে কি একটা ছবি বেশি গুরুত্বপূর্ণ? আমি ৬০ বছর বয়সে পৌঁছেছি ঠিকই, কিন্তু লড়াই করতে ভুলিনি। জেলে দিতে চাইলে দিতে পারেন।”
সালমান খানের এই বিস্ফোরক পোস্টের পর বিনোদন পাড়ায় নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। তারকাদের ব্যক্তিগত জীবনের গোপনীয়তা (Privacy) এবং পাপারাজ্জিদের সীমালঙ্ঘন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সালমান ভক্তরা তার এই সাহসী অবস্থানকে সমর্থন জানাচ্ছেন।

আপনার মতামত লিখুন