ঝালকাঠি সদর উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক নারীসহ একই পরিবারের চারজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে প্রতিপক্ষ। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে সদর উপজেলার গাবখান ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের ওস্তাখান গ্রামে এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে।
হামলায় আহতরা হলেন সুভাষ হাওলাদার, সৌরভ হাওলাদার, সুজন হাওলাদার ও বিউটি রানী। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ঘটনার পর প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠান।
আহতদের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবেশী কানাই লাল হাওলাদার ও তার পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে তাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। সুভাষ হাওলাদারের জামাতা অসীম হালদার অভিযোগ করে বলেন, "আমার শ্বশুরের জায়গা জোরপূর্বক দখল করে ভোগ করে আসছিল কানাই লালের পরিবার। এই বিরোধের জেরে মঙ্গলবার সকালে কানাই লাল, তার দুই ছেলে কমল ও কিশোর এবং স্থানীয় মৃণালসহ কয়েকজন ধারালো অস্ত্র নিয়ে আমার শ্বশুরের ঘরে প্রবেশ করে। এরপর তারা ঘরের ভেতরের লোকজনের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে চারজনকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে।"
এদিকে হামলার অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ হেফাজতে থাকা কানাই লালের স্ত্রী সাধনা হালদার ভিন্ন দাবি করেছেন। তিনি জানান, এই সংঘর্ষের ঘটনায় তার স্বামী কানাই লালও আহত হয়েছেন এবং বর্তমানে তাকেও বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঝালকাঠি সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মেহেদী হাসান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কানাই লালের স্ত্রী সাধনা হালদারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং জড়িত অন্যান্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
ঝালকাঠি সদর উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক নারীসহ একই পরিবারের চারজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে প্রতিপক্ষ। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে সদর উপজেলার গাবখান ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের ওস্তাখান গ্রামে এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে।
হামলায় আহতরা হলেন সুভাষ হাওলাদার, সৌরভ হাওলাদার, সুজন হাওলাদার ও বিউটি রানী। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ঘটনার পর প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠান।
আহতদের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবেশী কানাই লাল হাওলাদার ও তার পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে তাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। সুভাষ হাওলাদারের জামাতা অসীম হালদার অভিযোগ করে বলেন, "আমার শ্বশুরের জায়গা জোরপূর্বক দখল করে ভোগ করে আসছিল কানাই লালের পরিবার। এই বিরোধের জেরে মঙ্গলবার সকালে কানাই লাল, তার দুই ছেলে কমল ও কিশোর এবং স্থানীয় মৃণালসহ কয়েকজন ধারালো অস্ত্র নিয়ে আমার শ্বশুরের ঘরে প্রবেশ করে। এরপর তারা ঘরের ভেতরের লোকজনের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে চারজনকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে।"
এদিকে হামলার অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ হেফাজতে থাকা কানাই লালের স্ত্রী সাধনা হালদার ভিন্ন দাবি করেছেন। তিনি জানান, এই সংঘর্ষের ঘটনায় তার স্বামী কানাই লালও আহত হয়েছেন এবং বর্তমানে তাকেও বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঝালকাঠি সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মেহেদী হাসান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কানাই লালের স্ত্রী সাধনা হালদারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং জড়িত অন্যান্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন