চীনা কোম্পানিগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞার তীব্র সমালোচনা করেছে বেইজিং। সোমবার (২৭ এপ্রিল) চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ পদক্ষেপকে ‘অবৈধ’ আখ্যা দিয়ে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বার্থ রক্ষায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে।
বেইজিংয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, আন্তর্জাতিক আইন উপেক্ষা করে যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে একতরফা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে, চীন সবসময় তার বিরোধিতা করে। তিনি ওয়াশিংটনকে এ ধরনের ‘নিপীড়নমূলক’ আচরণ বন্ধের আহ্বান জানান।
লিন জিয়ান আরও বলেন, অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ এবং অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের নীতি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও স্থিতিশীলতার জন্য ক্ষতিকর।
এর আগে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ ইরান-সংশ্লিষ্ট নতুন নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করে। এতে চীনের অন্যতম বড় শোধনাগার হেংলি পেট্রোকেমিক্যাল সহ প্রায় ৪০টি প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
ওয়াশিংটনের দাবি, ইরানের অবৈধ তেল বাণিজ্য ঠেকাতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে পূর্ব চীনের শানডং প্রদেশে অবস্থিত স্বতন্ত্র শোধনাগারগুলোকে লক্ষ্য করেই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে চীন স্পষ্ট জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ক্ষমতার অপব্যবহার করছে এবং বেইজিং নিজ দেশের কোম্পানিগুলোর আইনি অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
চীনা কোম্পানিগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞার তীব্র সমালোচনা করেছে বেইজিং। সোমবার (২৭ এপ্রিল) চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ পদক্ষেপকে ‘অবৈধ’ আখ্যা দিয়ে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বার্থ রক্ষায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে।
বেইজিংয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, আন্তর্জাতিক আইন উপেক্ষা করে যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে একতরফা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে, চীন সবসময় তার বিরোধিতা করে। তিনি ওয়াশিংটনকে এ ধরনের ‘নিপীড়নমূলক’ আচরণ বন্ধের আহ্বান জানান।
লিন জিয়ান আরও বলেন, অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ এবং অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের নীতি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও স্থিতিশীলতার জন্য ক্ষতিকর।
এর আগে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ ইরান-সংশ্লিষ্ট নতুন নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করে। এতে চীনের অন্যতম বড় শোধনাগার হেংলি পেট্রোকেমিক্যাল সহ প্রায় ৪০টি প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
ওয়াশিংটনের দাবি, ইরানের অবৈধ তেল বাণিজ্য ঠেকাতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে পূর্ব চীনের শানডং প্রদেশে অবস্থিত স্বতন্ত্র শোধনাগারগুলোকে লক্ষ্য করেই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে চীন স্পষ্ট জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ক্ষমতার অপব্যবহার করছে এবং বেইজিং নিজ দেশের কোম্পানিগুলোর আইনি অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।

আপনার মতামত লিখুন