ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার তাঁরাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মো. শহীদুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ এনে বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার সকালে কাঁঠালিয়া সদরের একটি ক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সদস্য মো. দেলোয়ার হোসেন। তিনি জানান, ১৯৮৭ সালে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদানের পর থেকেই শহীদুল ইসলাম খান নানা অপকর্মে লিপ্ত হন। ১৯৮৮ সালে জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের টপকে বিধি ভেঙে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব নেন তিনি।
লিখিত বক্তব্যে আরও জানানো হয়, প্রধান শিক্ষক থাকাকালীন তিনি নিয়োগ বাণিজ্য (নিজ মেয়ে ও দুই কর্মচারী নিয়োগে প্রায় ২০ লাখ টাকা), স্কুলের বই, গাছ, আসবাবপত্র এবং পুরাতন ঘর বিক্রি করে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এমনকি বিদ্যালয়ের সাধারণ তহবিল ও এফডিআর-এর অর্থ তছরুপের অভিযোগও তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
বিদ্যালয়ের জমিদাতা অহিদুজ্জামান এনায়েত সংবাদ সম্মেলনে বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), জেলা প্রশাসক ও শিক্ষা অধিদপ্তরে অভিযোগ দেওয়ার পর তদন্তে বিষয়গুলো সত্য প্রমাণিত হয়েছে। কিন্তু অদৃশ্য কারণে এখনও তার বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। গত ১০ মার্চ শহীদুল ইসলাম অবসরে গেলেও বিদ্যালয়ের বিপুল পরিমাণ অর্থের কোনো সঠিক হিসাব তিনি বুঝিয়ে দেননি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক প্রধান শিক্ষক মো. শহীদুল ইসলাম খান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি অবসরে যাওয়ার পর আমাকে হয়রানি করার জন্য এই সংবাদ সম্মেলন করা হচ্ছে।
কাঁঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. মকবুল হোসেন জানান, বিদ্যালয়ে আয়-ব্যয়ের হিসাব চাইলে সাবেক প্রধান শিক্ষক তা অগোছালোভাবে উপস্থাপন করেছেন। তাকে সঠিকভাবে হিসাব দেওয়ার জন্য সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যালয়ের জমিদাতা অহিদুজ্জামান এনায়েত এবং দেলোয়ার হোসেন জমাদ্দারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার তাঁরাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মো. শহীদুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ এনে বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার সকালে কাঁঠালিয়া সদরের একটি ক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সদস্য মো. দেলোয়ার হোসেন। তিনি জানান, ১৯৮৭ সালে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদানের পর থেকেই শহীদুল ইসলাম খান নানা অপকর্মে লিপ্ত হন। ১৯৮৮ সালে জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের টপকে বিধি ভেঙে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব নেন তিনি।
লিখিত বক্তব্যে আরও জানানো হয়, প্রধান শিক্ষক থাকাকালীন তিনি নিয়োগ বাণিজ্য (নিজ মেয়ে ও দুই কর্মচারী নিয়োগে প্রায় ২০ লাখ টাকা), স্কুলের বই, গাছ, আসবাবপত্র এবং পুরাতন ঘর বিক্রি করে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এমনকি বিদ্যালয়ের সাধারণ তহবিল ও এফডিআর-এর অর্থ তছরুপের অভিযোগও তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
বিদ্যালয়ের জমিদাতা অহিদুজ্জামান এনায়েত সংবাদ সম্মেলনে বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), জেলা প্রশাসক ও শিক্ষা অধিদপ্তরে অভিযোগ দেওয়ার পর তদন্তে বিষয়গুলো সত্য প্রমাণিত হয়েছে। কিন্তু অদৃশ্য কারণে এখনও তার বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। গত ১০ মার্চ শহীদুল ইসলাম অবসরে গেলেও বিদ্যালয়ের বিপুল পরিমাণ অর্থের কোনো সঠিক হিসাব তিনি বুঝিয়ে দেননি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক প্রধান শিক্ষক মো. শহীদুল ইসলাম খান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি অবসরে যাওয়ার পর আমাকে হয়রানি করার জন্য এই সংবাদ সম্মেলন করা হচ্ছে।
কাঁঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. মকবুল হোসেন জানান, বিদ্যালয়ে আয়-ব্যয়ের হিসাব চাইলে সাবেক প্রধান শিক্ষক তা অগোছালোভাবে উপস্থাপন করেছেন। তাকে সঠিকভাবে হিসাব দেওয়ার জন্য সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যালয়ের জমিদাতা অহিদুজ্জামান এনায়েত এবং দেলোয়ার হোসেন জমাদ্দারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন