চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে গাঁজা সেবন ও সংরক্ষণের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২০ এপ্রিল) অধিদপ্তরের পরিদর্শক বদরুল ইসলাম ও রাকিবুল ইসলাম রাসেলের তত্ত্বাবধানে একটি রেইডিং টিম দর্শনা পৌরসভার শান্তিপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ হাতেনাতে আটক করা হয় আরিফুল ইসলাম (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে। তিনি ওই এলাকার মৃত শওকত ইসলামের ছেলে।
আটকের পর দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহিন আলম ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। তিনি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করে আসামিকে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। রায় ঘোষণার পরপরই দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।
এ বিষয়ে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহিন আলম বলেন, মাদক সমাজের জন্য একটি মারাত্মক অভিশাপ। মাদকের শেকড় উপড়ে ফেলতে আমাদের এই অভিযান নিয়মিত চলমান থাকবে। যারা মাদক সেবন, বহন বা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, চুয়াডাঙ্গা জেলাজুড়ে মাদক নির্মূলে প্রশাসনের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত থাকবে এবং এ ধরনের ঝটিকা অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে গাঁজা সেবন ও সংরক্ষণের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২০ এপ্রিল) অধিদপ্তরের পরিদর্শক বদরুল ইসলাম ও রাকিবুল ইসলাম রাসেলের তত্ত্বাবধানে একটি রেইডিং টিম দর্শনা পৌরসভার শান্তিপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ হাতেনাতে আটক করা হয় আরিফুল ইসলাম (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে। তিনি ওই এলাকার মৃত শওকত ইসলামের ছেলে।
আটকের পর দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহিন আলম ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। তিনি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করে আসামিকে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। রায় ঘোষণার পরপরই দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।
এ বিষয়ে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহিন আলম বলেন, মাদক সমাজের জন্য একটি মারাত্মক অভিশাপ। মাদকের শেকড় উপড়ে ফেলতে আমাদের এই অভিযান নিয়মিত চলমান থাকবে। যারা মাদক সেবন, বহন বা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, চুয়াডাঙ্গা জেলাজুড়ে মাদক নির্মূলে প্রশাসনের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত থাকবে এবং এ ধরনের ঝটিকা অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন