যশোরে পারিবারিক কলহের জেরে শাশুড়ি সকিনা বেগমকে (৬০) কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার পুত্রবধূর বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) গভীর রাতে শহরের বেজপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে থেকে ওই বৃদ্ধার বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় ঘাতক পুত্রবধূ মরিয়মকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত সকিনা বেগম বেজপাড়া মেইন রোড এলাকার লাল চাঁদ খলিফার স্ত্রী। তার ছেলে শহিদুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার সকালে তিনি কর্মস্থলে চলে যান। দুপুরে তার স্ত্রী মরিয়ম ফোন করে তাকে বাইরে খেয়ে নিতে বলেন এবং জানান যে বাসায় রান্না হয়নি। শহিদুল তার মায়ের কথা জিজ্ঞাসা করলে মরিয়ম জানান, তিনি বাইরে গেছেন।
রাত ১০টার দিকে শহিদুল বাসায় ফিরে মাকে না পেয়ে আবারও স্ত্রীর কাছে জানতে চান। তখনও মরিয়ম দাবি করেন, তার শাশুড়ি বাসায় ফেরেননি। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় শহিদুল থানায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে ঘর থেকে বের হন। এসময় বাড়ির সামনে রাখা একটি বস্তা দেখে তার সন্দেহ হয়। বস্তাটি খুলতেই তিনি তার মায়ের রক্তাক্ত লাশ দেখতে পান।
খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে এবং রাতেই পুত্রবধূ মরিয়মকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। আজ বুধবার দুপুরে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাশার জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মরিয়ম তার শাশুড়িকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। হত্যাকাণ্ডটি পারিবারিক বিরোধের জেরে সংঘটিত হয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।
পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি চাপাতি মরিয়মের তথ্য অনুযায়ী উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় ঘাতক পুত্রবধূর বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
যশোরে পারিবারিক কলহের জেরে শাশুড়ি সকিনা বেগমকে (৬০) কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার পুত্রবধূর বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) গভীর রাতে শহরের বেজপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে থেকে ওই বৃদ্ধার বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় ঘাতক পুত্রবধূ মরিয়মকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত সকিনা বেগম বেজপাড়া মেইন রোড এলাকার লাল চাঁদ খলিফার স্ত্রী। তার ছেলে শহিদুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার সকালে তিনি কর্মস্থলে চলে যান। দুপুরে তার স্ত্রী মরিয়ম ফোন করে তাকে বাইরে খেয়ে নিতে বলেন এবং জানান যে বাসায় রান্না হয়নি। শহিদুল তার মায়ের কথা জিজ্ঞাসা করলে মরিয়ম জানান, তিনি বাইরে গেছেন।
রাত ১০টার দিকে শহিদুল বাসায় ফিরে মাকে না পেয়ে আবারও স্ত্রীর কাছে জানতে চান। তখনও মরিয়ম দাবি করেন, তার শাশুড়ি বাসায় ফেরেননি। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় শহিদুল থানায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে ঘর থেকে বের হন। এসময় বাড়ির সামনে রাখা একটি বস্তা দেখে তার সন্দেহ হয়। বস্তাটি খুলতেই তিনি তার মায়ের রক্তাক্ত লাশ দেখতে পান।
খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে এবং রাতেই পুত্রবধূ মরিয়মকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। আজ বুধবার দুপুরে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাশার জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মরিয়ম তার শাশুড়িকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। হত্যাকাণ্ডটি পারিবারিক বিরোধের জেরে সংঘটিত হয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।
পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি চাপাতি মরিয়মের তথ্য অনুযায়ী উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় ঘাতক পুত্রবধূর বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন