যুক্তরাজ্যে চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
সোমবার (১৮ মে) সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে রাষ্ট্রপতিকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-২০২ ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
বিমানবন্দরে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানান আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, ডিপ্লোমেটিক কোরের ডিন ইউসুফ এস. ওয়াই. রমাদান, ব্রিটিশ হাইকমিশনের কাউন্সিলর অ্যালিসন জে. ক্রসসহ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ফলো-আপ চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য গত ৯ মে লন্ডনে যান রাষ্ট্রপতি। পরে ১২ মে ক্যামব্রিজের রয়াল প্যাপওয়ার্থ হাসপাতালে তার এনজিওগ্রাম করা হয়। পরীক্ষায় হৃদযন্ত্রে একটি গুরুতর ব্লক ধরা পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে এনজিওপ্লাস্টি করে একটি স্টেন্ট স্থাপন করা হয়। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল ও সন্তোষজনক বলে জানা গেছে।
এর আগে ২০২৩ সালের অক্টোবরে সিঙ্গাপুরে রাষ্ট্রপতির বাইপাস সার্জারি সম্পন্ন হয়েছিল।
বিদেশে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেও রাষ্ট্রপতি ডিজিটাল মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ নথি ও সামারি স্বাক্ষর করে দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এছাড়া লন্ডনে অবস্থানকালে তিনি সুদানের প্রধানমন্ত্রী ড. কামিল ইদ্রিসের সঙ্গে একটি সৌজন্য সাক্ষাতেও মিলিত হন।

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
যুক্তরাজ্যে চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
সোমবার (১৮ মে) সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে রাষ্ট্রপতিকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-২০২ ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
বিমানবন্দরে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানান আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, ডিপ্লোমেটিক কোরের ডিন ইউসুফ এস. ওয়াই. রমাদান, ব্রিটিশ হাইকমিশনের কাউন্সিলর অ্যালিসন জে. ক্রসসহ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ফলো-আপ চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য গত ৯ মে লন্ডনে যান রাষ্ট্রপতি। পরে ১২ মে ক্যামব্রিজের রয়াল প্যাপওয়ার্থ হাসপাতালে তার এনজিওগ্রাম করা হয়। পরীক্ষায় হৃদযন্ত্রে একটি গুরুতর ব্লক ধরা পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে এনজিওপ্লাস্টি করে একটি স্টেন্ট স্থাপন করা হয়। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল ও সন্তোষজনক বলে জানা গেছে।
এর আগে ২০২৩ সালের অক্টোবরে সিঙ্গাপুরে রাষ্ট্রপতির বাইপাস সার্জারি সম্পন্ন হয়েছিল।
বিদেশে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেও রাষ্ট্রপতি ডিজিটাল মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ নথি ও সামারি স্বাক্ষর করে দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এছাড়া লন্ডনে অবস্থানকালে তিনি সুদানের প্রধানমন্ত্রী ড. কামিল ইদ্রিসের সঙ্গে একটি সৌজন্য সাক্ষাতেও মিলিত হন।

আপনার মতামত লিখুন