সরকার গঠনের দৌড়ে এগিয়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে পারছেন না অভিনেতা ও টিভিকে প্রধান থালাপতি বিজয়। প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে তৈরি হয়েছে নতুন অনিশ্চয়তা।
তামিলনাড়ু বিধানসভার ২৩৪ আসনের মধ্যে সরকার গঠনের জন্য দরকার ১১৮টি আসন। তবে নির্বাচনে টিভিকে জয় পেয়েছে ১০৮টি আসনে। ফলে সরকার গঠনে অন্য দলের সমর্থনের ওপর নির্ভর করতে হয় দলটিকে।
ফল ঘোষণার পর বিভিন্ন আঞ্চলিক দলের সমর্থন নিয়ে জোটের আসন সংখ্যা ১২০ ছাড়িয়েছে—এমন গুঞ্জন ছড়ালেও বাস্তবে সেই সমর্থন স্থায়ী হয়নি। রাজভবন সূত্রে জানা যায়, বিজয়ের জোটের নিশ্চিত সমর্থন নেমে আসে ১১৬ আসনে, যা সংখ্যাগরিষ্ঠতার চেয়ে দুইটি কম।
বিশেষ করে ভিসিকে ও আইইউএমএল দলের সমর্থন ঘিরে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। পরে আইইউএমএল আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়, তারা টিভিকে-কে সমর্থন দেবে না। একইভাবে টিটিভি-ও সমর্থন প্রত্যাহার করে নেয়।
ফলে সরকার গঠনের সমীকরণ আরও জটিল হয়ে পড়ে। টানা তিন দিনের আলোচনার পরও রাজ্যপাল বিজয়কে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাননি। এর ফলে শনিবার নির্ধারিত শপথ অনুষ্ঠানও স্থগিত হয়ে যায়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত না হওয়ায় সাংবিধানিকভাবেই রাজ্যপালের পক্ষে বিজয়কে সরকার গঠনের সুযোগ দেওয়া সম্ভব হয়নি।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
সরকার গঠনের দৌড়ে এগিয়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে পারছেন না অভিনেতা ও টিভিকে প্রধান থালাপতি বিজয়। প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে তৈরি হয়েছে নতুন অনিশ্চয়তা।
তামিলনাড়ু বিধানসভার ২৩৪ আসনের মধ্যে সরকার গঠনের জন্য দরকার ১১৮টি আসন। তবে নির্বাচনে টিভিকে জয় পেয়েছে ১০৮টি আসনে। ফলে সরকার গঠনে অন্য দলের সমর্থনের ওপর নির্ভর করতে হয় দলটিকে।
ফল ঘোষণার পর বিভিন্ন আঞ্চলিক দলের সমর্থন নিয়ে জোটের আসন সংখ্যা ১২০ ছাড়িয়েছে—এমন গুঞ্জন ছড়ালেও বাস্তবে সেই সমর্থন স্থায়ী হয়নি। রাজভবন সূত্রে জানা যায়, বিজয়ের জোটের নিশ্চিত সমর্থন নেমে আসে ১১৬ আসনে, যা সংখ্যাগরিষ্ঠতার চেয়ে দুইটি কম।
বিশেষ করে ভিসিকে ও আইইউএমএল দলের সমর্থন ঘিরে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। পরে আইইউএমএল আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়, তারা টিভিকে-কে সমর্থন দেবে না। একইভাবে টিটিভি-ও সমর্থন প্রত্যাহার করে নেয়।
ফলে সরকার গঠনের সমীকরণ আরও জটিল হয়ে পড়ে। টানা তিন দিনের আলোচনার পরও রাজ্যপাল বিজয়কে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাননি। এর ফলে শনিবার নির্ধারিত শপথ অনুষ্ঠানও স্থগিত হয়ে যায়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত না হওয়ায় সাংবিধানিকভাবেই রাজ্যপালের পক্ষে বিজয়কে সরকার গঠনের সুযোগ দেওয়া সম্ভব হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন