আগামী বুধবার ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। রোববার ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর জানিয়েছে, এই বৈঠকের মূল এজেন্ডা হবে ইরান ইস্যু।
সম্প্রতি ওমানের মাস্কাটে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘মারিভ’ জানিয়েছে, ওই আলোচনায় ট্রাম্প ইরানকে পাঁচটি কঠোর শর্ত দিয়েছেন। শর্তগুলো হলো— ৪০০ কেজি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম স্থানান্তর, পারমাণবিক অবকাঠামো ও ব্যালিস্টিক মিসাইল সক্ষমতা ধ্বংস করা, মিসাইল উৎপাদন বন্ধ করা এবং আঞ্চলিক মিত্রদের সহায়তা বন্ধ করা।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সংস্থা 'চাথাম হাউজ'-এর পরিচালক ব্রোনওয়েন ম্যাডোক্স মনে করেন, ইরানের জন্য ব্যালিস্টিক মিসাইল সক্ষমতা ধ্বংস করার শর্তটি মানা অসম্ভব। কারণ, এই মিসাইলগুলোই বর্তমানে ইরানি সরকারের প্রধান রক্ষাকবচ।
ম্যাডোক্স আরও উল্লেখ করেন, মিসাইল সক্ষমতা ছাড়া ইরান ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার সামনে সম্পূর্ণ অরক্ষিত হয়ে পড়বে। তার মতে, এই শর্তগুলো এমনভাবে দেওয়া হয়েছে যেন ইরান তা প্রত্যাখ্যান করে। আর বর্তমান পরিস্থিতিতে এই প্রত্যাখ্যানের অর্থ হতে পারে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বড় ধরনের সামরিক হামলা।

