ফিনল্যান্ডের আল্টো বিশ্ববিদ্যালয়ে পতিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনলাইন অংশগ্রহণে ২ নভেম্বর অনুষ্ঠেয় একটি সেমিনারের রিজার্ভেশন এনসিপি ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স ফিনল্যান্ডের অনুরোধে বাতিল হয়েছে। এনসিপি ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স ফিনল্যান্ডের আহ্বায়ক মো. আহাদ শিকদার জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের পর তারা রিজার্ভেশন বাতিলের বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছেন।
এ বিষয়ে আল্টো বিশ্ববিদ্যালয় ও আল্টো ইউনিভার্সিটি স্কুল অব বিজনেসের কাছে একটি খোলা চিঠি পাঠিয়েছেন আহাদ শিকদার। চিঠিতে সেমিনারের আয়োজক, বক্তাদের অংশগ্রহণ এবং অনুষ্ঠানটির বিষয়বস্তু নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, সেমিনারের প্রচারণায় কয়েকজন আমন্ত্রিত অতিথির নাম ও ছবি ব্যবহার করা হলেও তাদের মধ্যে কয়েকজন আগেই আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। প্রচারণায় নিজেদের নাম ও ছবি দেখে তারা বিস্ময় প্রকাশ করেছেন বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
চিঠিতে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বাংলাদেশে আন্দোলন দমনের সময় মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়। জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তরের (ওএইচসিএইচআর) প্রতিবেদন উল্লেখ করে বলা হয়, ওই সময়ে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৪০০ মানুষ নিহত হয়ে থাকতে পারেন। প্রতিবেদনে পদ্ধতিগত মানবাধিকার লঙ্ঘনের তথ্য উঠে এসেছে এবং সম্ভাব্য মানবতাবিরোধী অপরাধের বিষয়ে আরও তদন্তের প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে।
আহাদ শিকদার চিঠিতে আল্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে জানতে চান, সেমিনারের অনুমতি দেওয়ার আগে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জাতিসংঘের এসব প্রতিবেদন সম্পর্কে অবগত ছিল কি না এবং বক্তাদের বিষয়ে কী ধরনের যাচাই-বাছাই করা হয়েছিল।
এ ছাড়া গণতন্ত্র ও মানবাধিকার নিয়ে আলোচনায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে আমন্ত্রণ জানানো হলে বিশ্ববিদ্যালয় একই ধরনের সিদ্ধান্ত নিত কি না, সে প্রশ্নও তোলা হয়।
চিঠিতে বলা হয়, বিষয়টি সেন্সরশিপের নয়; বরং একাডেমিক স্বাধীনতার পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্বশীলতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার বিষয়।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬
ফিনল্যান্ডের আল্টো বিশ্ববিদ্যালয়ে পতিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনলাইন অংশগ্রহণে ২ নভেম্বর অনুষ্ঠেয় একটি সেমিনারের রিজার্ভেশন এনসিপি ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স ফিনল্যান্ডের অনুরোধে বাতিল হয়েছে। এনসিপি ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স ফিনল্যান্ডের আহ্বায়ক মো. আহাদ শিকদার জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের পর তারা রিজার্ভেশন বাতিলের বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছেন।
এ বিষয়ে আল্টো বিশ্ববিদ্যালয় ও আল্টো ইউনিভার্সিটি স্কুল অব বিজনেসের কাছে একটি খোলা চিঠি পাঠিয়েছেন আহাদ শিকদার। চিঠিতে সেমিনারের আয়োজক, বক্তাদের অংশগ্রহণ এবং অনুষ্ঠানটির বিষয়বস্তু নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, সেমিনারের প্রচারণায় কয়েকজন আমন্ত্রিত অতিথির নাম ও ছবি ব্যবহার করা হলেও তাদের মধ্যে কয়েকজন আগেই আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। প্রচারণায় নিজেদের নাম ও ছবি দেখে তারা বিস্ময় প্রকাশ করেছেন বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
চিঠিতে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বাংলাদেশে আন্দোলন দমনের সময় মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়। জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তরের (ওএইচসিএইচআর) প্রতিবেদন উল্লেখ করে বলা হয়, ওই সময়ে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৪০০ মানুষ নিহত হয়ে থাকতে পারেন। প্রতিবেদনে পদ্ধতিগত মানবাধিকার লঙ্ঘনের তথ্য উঠে এসেছে এবং সম্ভাব্য মানবতাবিরোধী অপরাধের বিষয়ে আরও তদন্তের প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে।
আহাদ শিকদার চিঠিতে আল্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে জানতে চান, সেমিনারের অনুমতি দেওয়ার আগে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জাতিসংঘের এসব প্রতিবেদন সম্পর্কে অবগত ছিল কি না এবং বক্তাদের বিষয়ে কী ধরনের যাচাই-বাছাই করা হয়েছিল।
এ ছাড়া গণতন্ত্র ও মানবাধিকার নিয়ে আলোচনায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে আমন্ত্রণ জানানো হলে বিশ্ববিদ্যালয় একই ধরনের সিদ্ধান্ত নিত কি না, সে প্রশ্নও তোলা হয়।
চিঠিতে বলা হয়, বিষয়টি সেন্সরশিপের নয়; বরং একাডেমিক স্বাধীনতার পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্বশীলতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার বিষয়।

আপনার মতামত লিখুন