বিপ্লবী বার্তা

মূল পাতা

সারাদেশ

ঝালকাঠিতে আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির আত্মসমর্পণ

ঝালকাঠিতে আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির আত্মসমর্পণ
প্রয়াত এডভোকেট হায়দার হোসেন

ঝালকাঠিতে দীর্ঘ ১৯ বছর পর বেল্লাল হোসেন (৪০)নামে এক আসামি  আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। 

আত্মসমর্পণ করা বেল্লাল হোসেন বরগুনার তালতলী উপজেলার ছোটবগি গ্রামের মফিজ উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে।
আসামি বেল্লাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সাবেক সরকারি কৌঁসুলি (পিপি)জামায়াতে ইসলামি ঝালকাঠি জেলা শাখার সাবেক  আমির হায়দার হোসাইন হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। 

সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালতের বিচারক রুবাইয়া আমেনা তাকে জেলহাজতে পাঠানো নির্দেশ দেন। 

পিছনে ফিরে দেখা: ২০০৭ সালের ১১ এপ্রিল এশার নামাজ পড়ে মসজিদ থেকে বের হওয়ার পরেই অ্যাডভোকেট হায়দার হোসাইনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। তিনি নিষিদ্ধ সংগঠন জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) জঙ্গিদের গুলিতে ঝালকাঠিতে দুই বিচারক হত্যা মামলাটি পরিচালনা করেছিলেন। 

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সালের ১৪ নভেম্বর জেএমবি আত্মঘাতী বোমা হামলা চালিয়ে ঝালকাঠির দুই বিচারক জগন্নাথ পাড়ে ও সোহেল আহম্মেদকে হত্যা করে। ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত ২০০৬ সালের ২৯ মে দুই বিচারককে হত্যার দায়ে শায়েখ রহমান, বাংলা ভাইসহ সাতজনের ফাঁসির আদেশ দেন। 
২০০৭ সালের ২১ মার্চ দেশের বিভিন্ন আদালতে তাদের ফাঁসির আদেশ কার্যকর করা হয়। এ আদেশ কার্যকর হওয়ার ২০ দিন পর মামলা পরিচালনাকারী সরকারি কৌঁসুলি হায়দার হোসেনকে ২০০৭ সালের ১১ এপ্রিল এশার নামাজ পড়ে মসজিদ থেকে বের হওয়ার পর গুলি করে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনার পরের দিন নিহতের ছেলে তারিক বিন হায়দার বাদী হয়ে ঝালকাঠি থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার ৩৩ মাস পর ২০১০ সালের ১৭ জানুয়ারি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) আদালতে জেএমবির পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। 

এরা হলেন, খুলনার মুরাদ হোসেন (২০), বরগুনার আবু শাহাদাত মোহাম্মদ তানভীর (৩১), ঝালকাঠির বিকনা গাজী বাড়ি মসজিদের ইমাম বরগুনার তালতলী উপজেলার বেলাল হোসেন (২৭), ঢাকার উত্তরখানের সগির হোসেন ভূঁইয়া (৩৮) ও আমিনুল ওরফে আমির হোসেন (৩৭।

২০১৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঝালকাঠির তৎকালীন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আব্দুল হালিম পাঁচ জঙ্গির ফাঁসির আদেশ দেন। রায়ের বিরুদ্ধে আসামি পক্ষ উচ্চ আদালত আপিল করে।

উচ্চ আদালত শুনানি শেষে ২০২০ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি তাদের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে আদেশ দেন। এ মামলার আসামি শুধু বেল্লাল হোসেন ছাড়া অন্য চারজন ঢাকার কেরানীগঞ্জ কারাগারে আছেন। 

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি

আপনার মতামত লিখুন

বিপ্লবী বার্তা

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬


ঝালকাঠিতে আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির আত্মসমর্পণ

প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

ঝালকাঠিতে দীর্ঘ ১৯ বছর পর বেল্লাল হোসেন (৪০)নামে এক আসামি  আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। 

আত্মসমর্পণ করা বেল্লাল হোসেন বরগুনার তালতলী উপজেলার ছোটবগি গ্রামের মফিজ উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে।
আসামি বেল্লাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সাবেক সরকারি কৌঁসুলি (পিপি)জামায়াতে ইসলামি ঝালকাঠি জেলা শাখার সাবেক  আমির হায়দার হোসাইন হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। 

সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালতের বিচারক রুবাইয়া আমেনা তাকে জেলহাজতে পাঠানো নির্দেশ দেন। 

পিছনে ফিরে দেখা: ২০০৭ সালের ১১ এপ্রিল এশার নামাজ পড়ে মসজিদ থেকে বের হওয়ার পরেই অ্যাডভোকেট হায়দার হোসাইনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। তিনি নিষিদ্ধ সংগঠন জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) জঙ্গিদের গুলিতে ঝালকাঠিতে দুই বিচারক হত্যা মামলাটি পরিচালনা করেছিলেন। 

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সালের ১৪ নভেম্বর জেএমবি আত্মঘাতী বোমা হামলা চালিয়ে ঝালকাঠির দুই বিচারক জগন্নাথ পাড়ে ও সোহেল আহম্মেদকে হত্যা করে। ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত ২০০৬ সালের ২৯ মে দুই বিচারককে হত্যার দায়ে শায়েখ রহমান, বাংলা ভাইসহ সাতজনের ফাঁসির আদেশ দেন। 
২০০৭ সালের ২১ মার্চ দেশের বিভিন্ন আদালতে তাদের ফাঁসির আদেশ কার্যকর করা হয়। এ আদেশ কার্যকর হওয়ার ২০ দিন পর মামলা পরিচালনাকারী সরকারি কৌঁসুলি হায়দার হোসেনকে ২০০৭ সালের ১১ এপ্রিল এশার নামাজ পড়ে মসজিদ থেকে বের হওয়ার পর গুলি করে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনার পরের দিন নিহতের ছেলে তারিক বিন হায়দার বাদী হয়ে ঝালকাঠি থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার ৩৩ মাস পর ২০১০ সালের ১৭ জানুয়ারি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) আদালতে জেএমবির পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। 

এরা হলেন, খুলনার মুরাদ হোসেন (২০), বরগুনার আবু শাহাদাত মোহাম্মদ তানভীর (৩১), ঝালকাঠির বিকনা গাজী বাড়ি মসজিদের ইমাম বরগুনার তালতলী উপজেলার বেলাল হোসেন (২৭), ঢাকার উত্তরখানের সগির হোসেন ভূঁইয়া (৩৮) ও আমিনুল ওরফে আমির হোসেন (৩৭।

২০১৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঝালকাঠির তৎকালীন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আব্দুল হালিম পাঁচ জঙ্গির ফাঁসির আদেশ দেন। রায়ের বিরুদ্ধে আসামি পক্ষ উচ্চ আদালত আপিল করে।

উচ্চ আদালত শুনানি শেষে ২০২০ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি তাদের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে আদেশ দেন। এ মামলার আসামি শুধু বেল্লাল হোসেন ছাড়া অন্য চারজন ঢাকার কেরানীগঞ্জ কারাগারে আছেন। 


বিপ্লবী বার্তা

প্রকাশক
শেখ মাহমুদ উজ্জ্বল
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
কাইয়ুম তালুকদার (কানন)
উপদেষ্টা সম্পাদক
ড. জাহিদ আহমেদ চৌধুরী

কপিরাইট © ২০২৬ । বিপ্লবী বার্তা