ভোরের আলো ফুটতেই জমে ওঠে বাগেরহাটের চুলকাঠী বাজারের শতবর্ষী দুধের হাট। সারি সারি ড্রাম, কলস ও টিনের পাত্রে দুধ নিয়ে হাজির হন দুগ্ধখামারি ও বিক্রেতারা। কেউ ভ্যানে, কেউ মোটরসাইকেলে, আবার কেউ হেঁটে নিয়ে আসেন সদ্য দোহন করা দুধ। খুলনা, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, মোংলাসহ বিভিন্ন এলাকার ক্রেতা-বিক্রেতার পদচারণায় সকালেই মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা এই হাটে প্রতিদিন প্রায় ৭ থেকে ৮ হাজার লিটার দুধ কেনাবেচা হয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের শত শত খামারি ও গৃহস্থের জীবিকার অন্যতম উৎস এই বাজার। এখান থেকে দুধ সংগ্রহ করে মিষ্টির দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁ, দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ীরা। তবে দুধের দামের ওঠানামা এবং গবাদিপশুর খাবারের বাড়তি খরচে লাভের হিসাব মেলাতে হিমশিম খাচ্ছেন প্রান্তিক খামারিরা।
খুলনা-মোংলা মহাসড়কের পাশে বসা এই হাটে সকাল ৭টা থেকে বেচাকেনা শুরু হয়। ভোর থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত পাইকারি কেনাবেচা বেশি জমে। রোববার ও বৃহস্পতিবার নির্ধারিত হাটের দিনে বেচাকেনা থাকে তুলনামূলক বেশি। তবে প্রতিদিনই এখানে দুধ কেনাবেচা চলে।
হাটে কথা হয় কয়েকজন দুগ্ধখামারির সঙ্গে। তারা জানান, দুধের দাম বাড়লে কিছুটা স্বস্তি মিললেও গরুর খাবারের বাড়তি খরচ তাদের লাভ কমিয়ে দিচ্ছে।
হানিফ নামের এক খামারি বলেন,এক কেজি ভূষির দাম ৫২ টাকা, আর দুধ বিক্রি করতে হয় কখনো ৫০ টাকায়। সব সময় ভালো বাজার থাকে না। পূজার সময়ও প্রত্যাশামতো দাম পাইনি। কখনো দুধের দাম ৬০–৬৫ টাকা হয়, আবার নেমে আসে ৪০–৪৫ টাকায়। সরকার গরুর খাবারের দাম কমিয়ে দুধের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করলে আমরা লাভবান হতাম।
স্থানীয় খামারী সৈকত চৌধুরী বলেন,প্রতিদিন দুধ বিক্রি করে খুব বেশি লাভ থাকে না। আগে যে দামে ভূষি কিনতেন, এখন প্রতি কেজিতে ১২–১৩ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে। দুধের দাম কিছুটা বাড়ায় সামান্য লাভ হচ্ছে। বাজারে দুধের দাম ৬৫–৭০ টাকা থাকলে খরচ সামলে কিছুটা স্বস্তি মেলে।
বেতাগা এলাকার খামারি পুলক দাস বলেন, কোনো দিন ৬০ টাকা, কোনো দিন ৬৫ টাকা কেজি দরে দুধ বিক্রি করি। আজ ৬৫ টাকা দরে বিক্রি করেছি। এখান থেকে মোংলা, গোপালগঞ্জ, খুলনা, এমনকি ঢাকায়ও দুধ যায়। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়ী এখান থেকে দুধ সংগ্রহ করেন।
সাব্বির আহমেদ বলেন, দুধের দাম ৬০–৬৫ টাকা থাকলে খামার চালিয়ে কিছুটা লাভ করা যায়। কিন্তু দাম ৩০–৩৫ টাকায় নেমে এলে প্রান্তিক খামারিদের লোকসান গুনতে হয়। তখন গরুর খাবার কেনার খরচ তোলাও কঠিন হয়ে পড়ে।
এই হাটে দুধের দাম নির্দিষ্ট নয়। চাহিদা ও সরবরাহের ওপর ভিত্তি করে প্রতিদিনই দামের পরিবর্তন হয়। ক্রেতাদের কেউ ৬০ টাকা, কেউ ৬৫ টাকা, আবার কেউ ৭০ টাকা কেজি দরে দুধ কিনছেন। চাহিদা বেশি থাকলে দাম বেড়ে যায়, আর ক্রেতা কম থাকলে দাম কমে আসে।
ব্যবসায়ী মোহাম্মদ জাকির ডাকুয়া বলেন, আমরা ৫০ টাকা কেজি দরে কিনলে ৬০ টাকায়, আর ৬০ টাকায় কিনলে ৭০ টাকায় বিক্রি করি। কেজিতে প্রায় ১০ টাকা লাভ রাখার চেষ্টা করি। প্রতিদিন ৩৫০–৪০০ লিটার দুধ কিনি। এই বাজারের দুধের মান ভালো, তবে দাম সব সময় এক থাকে না।
ব্যবসায়ী কাশেম বলেন, দুধ কেনার আগে স্বাদ ও ঘনত্ব দেখে নেওয়ার চেষ্টা করেন তারা। পরে দুধ থেকে ছানা তৈরি করে প্রাপ্ত ফলনের ভিত্তিতে হিসাব মেলাতে হয়। তার দাবি, দুধে পানি মেশানো থাকলে বা মানে পার্থক্য থাকলে ছানা তৈরির পরিমাণ কমে যেতে পারে। এ ছাড়া বোতলে মাপার সঙ্গে ওজনের হিসাবে পার্থক্য থাকলেও ব্যবসায়ীদের লোকসান হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা শৈশব বলেন, তার জন্মের পর থেকেই চুলকাঠী বাজারে দুধের হাট দেখে আসছেন। পূর্বপুরুষদের কাছ থেকেও এই হাটের দীর্ঘদিনের ইতিহাস শুনেছেন। রামপাল, ফকিরহাট, বাগেরহাট শহরসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ এখানে দুধ বিক্রি করতে আসেন। আবার দূরদূরান্তের ব্যবসায়ীরা দুধ কিনে নিয়ে যান বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সরবরাহের জন্য।
চুলকাটি বাজার কমিটির সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস শেখ বলেন,চুলকাটি বাজার একটি ঐতিহ্যবাহী হাট। আমাদের পূর্বপুরুষ, বাপ-দাদার আমল থেকেই এই দুধের বাজার চলে আসছে। আমরা ছোটবেলা থেকেই এখানে দুধের হাট দেখে আসছি। প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে বাজার বসে। বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা এখানে দুধ কিনতে আসেন। কারণ, এখানে তুলনামূলক কম দামে খাঁটি দুধ পাওয়া যায়।
তিনি আরও বলেন,একসময় দুধের বাজারটি মূল বাজারের ভেতরে ছিল। জায়গার সংকটের কারণে পরে সড়কের পাশে নিয়ে আসা হয়েছে। এতে সড়কে চলাচলে কিছুটা বিঘ্ন ঘটে। আমরা বাজারটি সুন্দর ও পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিতে চাই। সরকার আর্থিক সহযোগিতা করলে নির্ধারিত জায়গায় আধুনিক ও সুশৃঙ্খল দুধের বাজার তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।
বাগেরহাট জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোহাম্মদ ছাহেব আলী বলেন,চুলকাটি এলাকায় অনেক দুগ্ধখামার রয়েছে। সেখানকার খামারিরা নিয়মিত এই বাজারে দুধ বিক্রি করেন। খামারিরা আমাদের কাছে সহযোগিতা চাইলে আমরা তাঁদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সেবা দিয়ে থাকি। আমরা নিজেরাও তাঁদের খোঁজখবর রাখি। খামারিদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে প্রাণিসম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে চিকিৎসাসেবা প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়।
শতবর্ষী এই হাট শুধু দুধ কেনাবেচার জায়গা নয়; এটি বাগেরহাটের গ্রামীণ অর্থনীতি ও দুগ্ধখামারিদের জীবিকারও গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবে খামারিদের টিকিয়ে রাখতে গরুর খাবারের দাম নিয়ন্ত্রণ, দুধের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং সড়কের পাশ থেকে সরিয়ে নিরাপদ ও পরিকল্পিত বাজারব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬
ভোরের আলো ফুটতেই জমে ওঠে বাগেরহাটের চুলকাঠী বাজারের শতবর্ষী দুধের হাট। সারি সারি ড্রাম, কলস ও টিনের পাত্রে দুধ নিয়ে হাজির হন দুগ্ধখামারি ও বিক্রেতারা। কেউ ভ্যানে, কেউ মোটরসাইকেলে, আবার কেউ হেঁটে নিয়ে আসেন সদ্য দোহন করা দুধ। খুলনা, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, মোংলাসহ বিভিন্ন এলাকার ক্রেতা-বিক্রেতার পদচারণায় সকালেই মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা এই হাটে প্রতিদিন প্রায় ৭ থেকে ৮ হাজার লিটার দুধ কেনাবেচা হয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের শত শত খামারি ও গৃহস্থের জীবিকার অন্যতম উৎস এই বাজার। এখান থেকে দুধ সংগ্রহ করে মিষ্টির দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁ, দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ীরা। তবে দুধের দামের ওঠানামা এবং গবাদিপশুর খাবারের বাড়তি খরচে লাভের হিসাব মেলাতে হিমশিম খাচ্ছেন প্রান্তিক খামারিরা।
খুলনা-মোংলা মহাসড়কের পাশে বসা এই হাটে সকাল ৭টা থেকে বেচাকেনা শুরু হয়। ভোর থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত পাইকারি কেনাবেচা বেশি জমে। রোববার ও বৃহস্পতিবার নির্ধারিত হাটের দিনে বেচাকেনা থাকে তুলনামূলক বেশি। তবে প্রতিদিনই এখানে দুধ কেনাবেচা চলে।
হাটে কথা হয় কয়েকজন দুগ্ধখামারির সঙ্গে। তারা জানান, দুধের দাম বাড়লে কিছুটা স্বস্তি মিললেও গরুর খাবারের বাড়তি খরচ তাদের লাভ কমিয়ে দিচ্ছে।
হানিফ নামের এক খামারি বলেন,এক কেজি ভূষির দাম ৫২ টাকা, আর দুধ বিক্রি করতে হয় কখনো ৫০ টাকায়। সব সময় ভালো বাজার থাকে না। পূজার সময়ও প্রত্যাশামতো দাম পাইনি। কখনো দুধের দাম ৬০–৬৫ টাকা হয়, আবার নেমে আসে ৪০–৪৫ টাকায়। সরকার গরুর খাবারের দাম কমিয়ে দুধের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করলে আমরা লাভবান হতাম।
স্থানীয় খামারী সৈকত চৌধুরী বলেন,প্রতিদিন দুধ বিক্রি করে খুব বেশি লাভ থাকে না। আগে যে দামে ভূষি কিনতেন, এখন প্রতি কেজিতে ১২–১৩ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে। দুধের দাম কিছুটা বাড়ায় সামান্য লাভ হচ্ছে। বাজারে দুধের দাম ৬৫–৭০ টাকা থাকলে খরচ সামলে কিছুটা স্বস্তি মেলে।
বেতাগা এলাকার খামারি পুলক দাস বলেন, কোনো দিন ৬০ টাকা, কোনো দিন ৬৫ টাকা কেজি দরে দুধ বিক্রি করি। আজ ৬৫ টাকা দরে বিক্রি করেছি। এখান থেকে মোংলা, গোপালগঞ্জ, খুলনা, এমনকি ঢাকায়ও দুধ যায়। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়ী এখান থেকে দুধ সংগ্রহ করেন।
সাব্বির আহমেদ বলেন, দুধের দাম ৬০–৬৫ টাকা থাকলে খামার চালিয়ে কিছুটা লাভ করা যায়। কিন্তু দাম ৩০–৩৫ টাকায় নেমে এলে প্রান্তিক খামারিদের লোকসান গুনতে হয়। তখন গরুর খাবার কেনার খরচ তোলাও কঠিন হয়ে পড়ে।
এই হাটে দুধের দাম নির্দিষ্ট নয়। চাহিদা ও সরবরাহের ওপর ভিত্তি করে প্রতিদিনই দামের পরিবর্তন হয়। ক্রেতাদের কেউ ৬০ টাকা, কেউ ৬৫ টাকা, আবার কেউ ৭০ টাকা কেজি দরে দুধ কিনছেন। চাহিদা বেশি থাকলে দাম বেড়ে যায়, আর ক্রেতা কম থাকলে দাম কমে আসে।
ব্যবসায়ী মোহাম্মদ জাকির ডাকুয়া বলেন, আমরা ৫০ টাকা কেজি দরে কিনলে ৬০ টাকায়, আর ৬০ টাকায় কিনলে ৭০ টাকায় বিক্রি করি। কেজিতে প্রায় ১০ টাকা লাভ রাখার চেষ্টা করি। প্রতিদিন ৩৫০–৪০০ লিটার দুধ কিনি। এই বাজারের দুধের মান ভালো, তবে দাম সব সময় এক থাকে না।
ব্যবসায়ী কাশেম বলেন, দুধ কেনার আগে স্বাদ ও ঘনত্ব দেখে নেওয়ার চেষ্টা করেন তারা। পরে দুধ থেকে ছানা তৈরি করে প্রাপ্ত ফলনের ভিত্তিতে হিসাব মেলাতে হয়। তার দাবি, দুধে পানি মেশানো থাকলে বা মানে পার্থক্য থাকলে ছানা তৈরির পরিমাণ কমে যেতে পারে। এ ছাড়া বোতলে মাপার সঙ্গে ওজনের হিসাবে পার্থক্য থাকলেও ব্যবসায়ীদের লোকসান হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা শৈশব বলেন, তার জন্মের পর থেকেই চুলকাঠী বাজারে দুধের হাট দেখে আসছেন। পূর্বপুরুষদের কাছ থেকেও এই হাটের দীর্ঘদিনের ইতিহাস শুনেছেন। রামপাল, ফকিরহাট, বাগেরহাট শহরসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ এখানে দুধ বিক্রি করতে আসেন। আবার দূরদূরান্তের ব্যবসায়ীরা দুধ কিনে নিয়ে যান বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সরবরাহের জন্য।
চুলকাটি বাজার কমিটির সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস শেখ বলেন,চুলকাটি বাজার একটি ঐতিহ্যবাহী হাট। আমাদের পূর্বপুরুষ, বাপ-দাদার আমল থেকেই এই দুধের বাজার চলে আসছে। আমরা ছোটবেলা থেকেই এখানে দুধের হাট দেখে আসছি। প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে বাজার বসে। বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা এখানে দুধ কিনতে আসেন। কারণ, এখানে তুলনামূলক কম দামে খাঁটি দুধ পাওয়া যায়।
তিনি আরও বলেন,একসময় দুধের বাজারটি মূল বাজারের ভেতরে ছিল। জায়গার সংকটের কারণে পরে সড়কের পাশে নিয়ে আসা হয়েছে। এতে সড়কে চলাচলে কিছুটা বিঘ্ন ঘটে। আমরা বাজারটি সুন্দর ও পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিতে চাই। সরকার আর্থিক সহযোগিতা করলে নির্ধারিত জায়গায় আধুনিক ও সুশৃঙ্খল দুধের বাজার তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।
বাগেরহাট জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোহাম্মদ ছাহেব আলী বলেন,চুলকাটি এলাকায় অনেক দুগ্ধখামার রয়েছে। সেখানকার খামারিরা নিয়মিত এই বাজারে দুধ বিক্রি করেন। খামারিরা আমাদের কাছে সহযোগিতা চাইলে আমরা তাঁদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সেবা দিয়ে থাকি। আমরা নিজেরাও তাঁদের খোঁজখবর রাখি। খামারিদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে প্রাণিসম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে চিকিৎসাসেবা প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়।
শতবর্ষী এই হাট শুধু দুধ কেনাবেচার জায়গা নয়; এটি বাগেরহাটের গ্রামীণ অর্থনীতি ও দুগ্ধখামারিদের জীবিকারও গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবে খামারিদের টিকিয়ে রাখতে গরুর খাবারের দাম নিয়ন্ত্রণ, দুধের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং সড়কের পাশ থেকে সরিয়ে নিরাপদ ও পরিকল্পিত বাজারব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন