বিপ্লবী বার্তা

মূল পাতা

রাজনীতি

ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভাপতি পদে শক্ত অবস্থানে এজিএস রাসেল চৌধুরী

ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভাপতি পদে শক্ত অবস্থানে এজিএস রাসেল চৌধুরী
ছবিঃ বিপ্লবী বার্তা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা শাখার নতুন কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে কেন্দ্র থেকে শুরু করে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক প্রাণচাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। এ পদে সভাপতি প্রার্থী হিসেবে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন আনন্দ মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্র সংসদের (আমোকসু) সাবেক সফল এজিএস এবং ছাত্রদল ময়মনসিংহ জেলা শাখার সাবেক সফল যুগ্ম সম্পাদক মোঃ রাসেল চৌধুরী।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, দলের দুঃসময়ে রাজপথে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্বদান এবং বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে একাধিকবার হামলার শিকার ও কারাবরণের ইতিহাস তাকে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভাপতি পদে প্রার্থী হিসেবে সুবিধাজনক অবস্থানে রেখেছে।

তৃণমূল থেকে গড়ে ওঠা বলিষ্ঠ রাজনৈতিক জীবন: জানা যায়, রাসেল চৌধুরী ১৯৯৭ সালে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মাধ্যমে রাজনীতিতে সক্রিয় হন। ১৯৯৯ সালে তিনি নাসিরাবাদ কলেজ ছাত্র সংসদ (নাকসু) নির্বাচনে ছাত্রদল মনোনীত প্যানেল থেকে নির্বাচিত সদস্য হন। ২০০১ সালে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রদলের সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক এবং ২০১১-২০১৬ মেয়াদে অবিভক্ত ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটির যুগ্ম সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেন।

রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে তার বড় অর্জন ছিল ২০০৮ সালে ময়মনসিংহের বিখ্যাত আনন্দ মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্র সংসদ (আমোকসু) নির্বাচনে এজিএস হিসেবে নির্বাচিত হওয়া। ঐতিহ্যবাহী এই কলেজের ইতিহাসে একমাত্র তিনি ছাত্রদল মনোনীত প্যানেল থেকে এজিএস পদে জয়লাভ করার গৌরব অর্জন করেন।

পারিবারিক ঐতিহ্য : রাসেল চৌধুরী এক সম্ভ্রান্ত জাতীয়তাবাদী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা তারেক মোহাম্মদ তারা ময়মনসিংহ শহর যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার ছোট ভাই মোঃ রেজভি চৌধুরীও আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সক্রিয় সদস্য ছিলেন।

রাজনীতির পাশাপাশি তিনি শিক্ষাজীবনে অত্যন্ত সুনামের পরিচয় দিয়েছেন। তিনি ময়মনসিংহ প্রি-ক্যাডেট স্কুল থেকে এস.এস.সি, নাসিরাবাদ কলেজ থেকে এইচ.এস.সি এবং শতবর্ষী আনন্দ মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে ব্যবস্থাপনা বিভাগে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

রাজনৈতিক হামলা-মামলা: গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলন এবং স্বৈরাচারবিরোধী লড়াইয়ে রাসেল চৌধুরী সবসময় রাজপথে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ২০১৮ সালের ৮ই ফেব্রুয়ারি বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে ময়মনসিংহে আয়োজিত মিছিলে পুলিশের গুলিবর্ষণের মুখে তিনি নেতৃত্বের ভূমিকা রাখেন।

২০২৩ সালের ২৮শে অক্টোবর ঢাকায় বিএনপির মহাসমাবেশে পুলিশের গুলিবর্ষণে তিনিসহ একাধিক নেতাকর্মী গুরুতর আহত হন। একই বছরের ২৯শে অক্টোবর উত্তরার অবস্থান কর্মসূচি, হরতাল-অবরোধের সমর্থনে ময়মনসিংহের রাজপথে মশাল মিছিল ও লিফলেট বিতরণে তিনি নিজ উদ্যোগে সক্রিয় নেতৃত্ব দেন। 

২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্দেশে নিজ সহযোদ্ধাদের নিয়ে মাঠপর্যায়ে সক্রিয়ভাবে আন্দোলন পরিচালনা করেন। দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে তাকে স্বৈরাচারী সরকারের সময় ২১টিরও বেশি রাজনৈতিক মামলার আসামি হতে হয়েছে।

ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতে, দুঃসময়ে রাজপথে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম করা এবং শিক্ষিত ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতা হিসেবে রাসেল চৌধুরী যুবদলকে আরও সংগঠিত ও শক্তিশালী করতে সক্ষম। ত্যাগী ও রাজপথের পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করা হলে রাসেল চৌধুরীই ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার সবচেয়ে যোগ্য দাবিদার।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল

আপনার মতামত লিখুন

বিপ্লবী বার্তা

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬


ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভাপতি পদে শক্ত অবস্থানে এজিএস রাসেল চৌধুরী

প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা শাখার নতুন কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে কেন্দ্র থেকে শুরু করে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক প্রাণচাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। এ পদে সভাপতি প্রার্থী হিসেবে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন আনন্দ মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্র সংসদের (আমোকসু) সাবেক সফল এজিএস এবং ছাত্রদল ময়মনসিংহ জেলা শাখার সাবেক সফল যুগ্ম সম্পাদক মোঃ রাসেল চৌধুরী।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, দলের দুঃসময়ে রাজপথে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্বদান এবং বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে একাধিকবার হামলার শিকার ও কারাবরণের ইতিহাস তাকে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভাপতি পদে প্রার্থী হিসেবে সুবিধাজনক অবস্থানে রেখেছে।

তৃণমূল থেকে গড়ে ওঠা বলিষ্ঠ রাজনৈতিক জীবন: জানা যায়, রাসেল চৌধুরী ১৯৯৭ সালে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মাধ্যমে রাজনীতিতে সক্রিয় হন। ১৯৯৯ সালে তিনি নাসিরাবাদ কলেজ ছাত্র সংসদ (নাকসু) নির্বাচনে ছাত্রদল মনোনীত প্যানেল থেকে নির্বাচিত সদস্য হন। ২০০১ সালে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রদলের সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক এবং ২০১১-২০১৬ মেয়াদে অবিভক্ত ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটির যুগ্ম সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেন।

রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে তার বড় অর্জন ছিল ২০০৮ সালে ময়মনসিংহের বিখ্যাত আনন্দ মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্র সংসদ (আমোকসু) নির্বাচনে এজিএস হিসেবে নির্বাচিত হওয়া। ঐতিহ্যবাহী এই কলেজের ইতিহাসে একমাত্র তিনি ছাত্রদল মনোনীত প্যানেল থেকে এজিএস পদে জয়লাভ করার গৌরব অর্জন করেন।

পারিবারিক ঐতিহ্য : রাসেল চৌধুরী এক সম্ভ্রান্ত জাতীয়তাবাদী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা তারেক মোহাম্মদ তারা ময়মনসিংহ শহর যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার ছোট ভাই মোঃ রেজভি চৌধুরীও আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সক্রিয় সদস্য ছিলেন।

রাজনীতির পাশাপাশি তিনি শিক্ষাজীবনে অত্যন্ত সুনামের পরিচয় দিয়েছেন। তিনি ময়মনসিংহ প্রি-ক্যাডেট স্কুল থেকে এস.এস.সি, নাসিরাবাদ কলেজ থেকে এইচ.এস.সি এবং শতবর্ষী আনন্দ মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে ব্যবস্থাপনা বিভাগে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

রাজনৈতিক হামলা-মামলা: গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলন এবং স্বৈরাচারবিরোধী লড়াইয়ে রাসেল চৌধুরী সবসময় রাজপথে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ২০১৮ সালের ৮ই ফেব্রুয়ারি বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে ময়মনসিংহে আয়োজিত মিছিলে পুলিশের গুলিবর্ষণের মুখে তিনি নেতৃত্বের ভূমিকা রাখেন।

২০২৩ সালের ২৮শে অক্টোবর ঢাকায় বিএনপির মহাসমাবেশে পুলিশের গুলিবর্ষণে তিনিসহ একাধিক নেতাকর্মী গুরুতর আহত হন। একই বছরের ২৯শে অক্টোবর উত্তরার অবস্থান কর্মসূচি, হরতাল-অবরোধের সমর্থনে ময়মনসিংহের রাজপথে মশাল মিছিল ও লিফলেট বিতরণে তিনি নিজ উদ্যোগে সক্রিয় নেতৃত্ব দেন। 

২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্দেশে নিজ সহযোদ্ধাদের নিয়ে মাঠপর্যায়ে সক্রিয়ভাবে আন্দোলন পরিচালনা করেন। দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে তাকে স্বৈরাচারী সরকারের সময় ২১টিরও বেশি রাজনৈতিক মামলার আসামি হতে হয়েছে।

ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতে, দুঃসময়ে রাজপথে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম করা এবং শিক্ষিত ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতা হিসেবে রাসেল চৌধুরী যুবদলকে আরও সংগঠিত ও শক্তিশালী করতে সক্ষম। ত্যাগী ও রাজপথের পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করা হলে রাসেল চৌধুরীই ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার সবচেয়ে যোগ্য দাবিদার।


বিপ্লবী বার্তা

প্রকাশক
শেখ মাহমুদ উজ্জ্বল
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
কাইয়ুম তালুকদার (কানন)
উপদেষ্টা সম্পাদক
ড. জাহিদ আহমেদ চৌধুরী

কপিরাইট © ২০২৬ । বিপ্লবী বার্তা