বিপ্লবী বার্তা

মূল পাতা

আন্তর্জাতিক

নিখোঁজ প্রায় ২০০০ মানুষ

নেপালে বন্যায় নিহতের সংখ্যা ৬০০ ছুঁইছুঁই

নেপালে বন্যায় নিহতের সংখ্যা ৬০০ ছুঁইছুঁই
ছবি: সংগৃহীত

নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় এক করুণ মানবিক বিপর্যয় নেমে এসেছে। পাহাড়ের ওপর থেকে ধেয়ে আসা প্রবল বানের তোড়ে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ছয়শো মানুষ।

মৃত্যুর এই তালিকার পাশাপাশি এক বিশাল সংখ্যক মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের মধ্যে একটি বড় অংশই বিদেশি পর্যটক। নিখোঁজদের সন্ধানে দুর্ঘটনাকবলিত এলাকাগুলোতে উদ্ধার তৎপরতা চালানো হচ্ছে এবং তাদের জীবিত উদ্ধারে কাজ করছেন হাজার হাজার নিরাপত্তাকর্মী।

এই প্রলয়ংকরী ঘটনার সূত্রপাত হয় হিমালয়ের বুক চিরে আসা নদীর পানি হঠাৎ তীব্র গতিতে বৃদ্ধি পাওয়ায়। পাহাড়ের ওপর থেকে নেমে আসা আকস্মিক ঢলের সঙ্গে যুক্ত হওয়া ভূমিধসের কাদা এবং পাথর এক ধ্বংসাত্মক রূপ ধারণ করে। বানের পানির এই তীব্র শক্তি তার গতিপথে থাকা বাড়িঘর, সেতু, গাছপালা এবং বৈদ্যুতিক খুঁটিসহ যাবতীয় অবকাঠামো মুহূর্তের মধ্যে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। নদীগুলোর পানি বিপৎসীমার অনেক ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত করে এই মর্মান্তিক ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।

নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের উপস্থিতি পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে। বিশেষ করে সংলগ্ন হিমালয় অঞ্চলের পর্যটন কেন্দ্র এবং পবিত্র স্থানগুলোতে দেশ-বিদেশের অসংখ্য ভ্রমণপিপাসু ও তীর্থযাত্রীর সমাগম ঘটেছিল। আকস্মিক এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে পড়ে তাদের একটি বড় অংশ আটকা পড়েন কিংবা ভেসে যান, যার ফলে বহু ভিন্ন দেশের নাগরিকদের এখন পর্যন্ত কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

এই দুর্যোগের প্রভাব পড়েছে পার্শ্ববর্তী তিব্বত অঞ্চলেও। সেখানেও বহু অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াও বেশ কয়েকজন নিখোঁজ ও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

বন্যা নেপাল বিদেশি পর্যটক

আপনার মতামত লিখুন

বিপ্লবী বার্তা

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


নেপালে বন্যায় নিহতের সংখ্যা ৬০০ ছুঁইছুঁই

প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image

নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় এক করুণ মানবিক বিপর্যয় নেমে এসেছে। পাহাড়ের ওপর থেকে ধেয়ে আসা প্রবল বানের তোড়ে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ছয়শো মানুষ।

মৃত্যুর এই তালিকার পাশাপাশি এক বিশাল সংখ্যক মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের মধ্যে একটি বড় অংশই বিদেশি পর্যটক। নিখোঁজদের সন্ধানে দুর্ঘটনাকবলিত এলাকাগুলোতে উদ্ধার তৎপরতা চালানো হচ্ছে এবং তাদের জীবিত উদ্ধারে কাজ করছেন হাজার হাজার নিরাপত্তাকর্মী।

এই প্রলয়ংকরী ঘটনার সূত্রপাত হয় হিমালয়ের বুক চিরে আসা নদীর পানি হঠাৎ তীব্র গতিতে বৃদ্ধি পাওয়ায়। পাহাড়ের ওপর থেকে নেমে আসা আকস্মিক ঢলের সঙ্গে যুক্ত হওয়া ভূমিধসের কাদা এবং পাথর এক ধ্বংসাত্মক রূপ ধারণ করে। বানের পানির এই তীব্র শক্তি তার গতিপথে থাকা বাড়িঘর, সেতু, গাছপালা এবং বৈদ্যুতিক খুঁটিসহ যাবতীয় অবকাঠামো মুহূর্তের মধ্যে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। নদীগুলোর পানি বিপৎসীমার অনেক ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত করে এই মর্মান্তিক ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।

নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের উপস্থিতি পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে। বিশেষ করে সংলগ্ন হিমালয় অঞ্চলের পর্যটন কেন্দ্র এবং পবিত্র স্থানগুলোতে দেশ-বিদেশের অসংখ্য ভ্রমণপিপাসু ও তীর্থযাত্রীর সমাগম ঘটেছিল। আকস্মিক এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে পড়ে তাদের একটি বড় অংশ আটকা পড়েন কিংবা ভেসে যান, যার ফলে বহু ভিন্ন দেশের নাগরিকদের এখন পর্যন্ত কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

এই দুর্যোগের প্রভাব পড়েছে পার্শ্ববর্তী তিব্বত অঞ্চলেও। সেখানেও বহু অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াও বেশ কয়েকজন নিখোঁজ ও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।


বিপ্লবী বার্তা

প্রকাশক
শেখ মাহমুদ উজ্জ্বল
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
কাইয়ুম তালুকদার (কানন)
উপদেষ্টা সম্পাদক
ড. জাহিদ আহমেদ চৌধুরী

কপিরাইট © ২০২৬ । বিপ্লবী বার্তা