সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগে রাকিব মিয়া (২২) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেলে উপজেলার সাতপাড়া বাজার থেকে শাল্লা থানা পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত রাকিব মিয়া উপজেলার কার্তিপুর গ্রামের সায়েদ মিয়ার ছেলে।
এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় একই গ্রামের রহমান মিয়ার ছেলে আজিজুর মিয়া (২২) ও বাক্কার মিয়ার ছেলে মারুফ মিয়া (২১) সহ আরও দুজনকে সহযোগী আসামি করা হয়েছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৭ এপ্রিল স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাকিব মিয়া তার দুই সহযোগীকে নিয়ে ওই শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক অপহরণ করে। এরপর একটি অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে রাতভর তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরদিন শিক্ষার্থীর বাবা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে আদালত মামলাটি রেকর্ড করার নির্দেশ দিলে শাল্লা থানায় নিয়মিত মামলা হিসেবে এটি রুজু করা হয়।
শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকিবুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুসারে থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলায় মোট তিনজনকে আসামি করা হয়েছে, যার মধ্যে প্রধান আসামি ও মূল অভিযুক্ত রাকিব মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, শাল্লা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরেফিনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে সাতপাড়া বাজার থেকে রাকিবকে গ্রেপ্তার করে। মামলার বাকি দুই আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগে রাকিব মিয়া (২২) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেলে উপজেলার সাতপাড়া বাজার থেকে শাল্লা থানা পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত রাকিব মিয়া উপজেলার কার্তিপুর গ্রামের সায়েদ মিয়ার ছেলে।
এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় একই গ্রামের রহমান মিয়ার ছেলে আজিজুর মিয়া (২২) ও বাক্কার মিয়ার ছেলে মারুফ মিয়া (২১) সহ আরও দুজনকে সহযোগী আসামি করা হয়েছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৭ এপ্রিল স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাকিব মিয়া তার দুই সহযোগীকে নিয়ে ওই শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক অপহরণ করে। এরপর একটি অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে রাতভর তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরদিন শিক্ষার্থীর বাবা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে আদালত মামলাটি রেকর্ড করার নির্দেশ দিলে শাল্লা থানায় নিয়মিত মামলা হিসেবে এটি রুজু করা হয়।
শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকিবুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুসারে থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলায় মোট তিনজনকে আসামি করা হয়েছে, যার মধ্যে প্রধান আসামি ও মূল অভিযুক্ত রাকিব মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, শাল্লা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরেফিনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে সাতপাড়া বাজার থেকে রাকিবকে গ্রেপ্তার করে। মামলার বাকি দুই আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন