ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত মনি (২৫) নামে ওই তরুণীর পরিবারের দাবি, তার স্বামী পুলিশ সদস্য নূর উদ্দিন তাকে হত্যা করে ৫ বছরের সন্তান নিয়ে পালিয়ে গেছেন। গতকাল রাতে উপজেলার বাঘড়ী বাজার এলাকায় ওয়ালটন প্লাজার পাশের একটি গলির ভেতর ভাড়া বাসা থেকে এই মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মনি রাজাপুর উপজেলার ২নং শুক্তাগড় ইউনিয়নের বামনকাঠী গ্রামের খলিলুর রহমানের মেয়ে। অভিযুক্ত স্বামী নূর উদ্দিনের বাড়ি সাতক্ষীরা জেলায়। তিনি বর্তমানে ঝালকাঠি পুলিশ লাইনে কর্মরত আছেন। এর আগে তিনি রাজাপুর উপজেলার সাবেক সার্কেল এসপি মাসুদ রানার ‘গানম্যান’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নূর উদ্দিন ও মনির মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। পরিবারের অভিযোগ, গত রাতে মনিকে নির্মমভাবে হত্যা করে নূর উদ্দিন তার ৫ বছরের সন্তানকে নিয়ে গা ঢাকা দেন। হত্যার পর নূর উদ্দিন নিজেই তার শ্বশুরকে ফোন করে বলেন, “আপনার মেয়ে আর নেই।” এই খবর পেয়ে স্বজনরা বাসায় গিয়ে মনির নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন।
খবর পেয়ে রাজাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য নূর উদ্দিন পলাতক থাকায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
একজন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে হত্যার এমন গুরুতর অভিযোগে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা ও নিহতের পরিবার এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত মনি (২৫) নামে ওই তরুণীর পরিবারের দাবি, তার স্বামী পুলিশ সদস্য নূর উদ্দিন তাকে হত্যা করে ৫ বছরের সন্তান নিয়ে পালিয়ে গেছেন। গতকাল রাতে উপজেলার বাঘড়ী বাজার এলাকায় ওয়ালটন প্লাজার পাশের একটি গলির ভেতর ভাড়া বাসা থেকে এই মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মনি রাজাপুর উপজেলার ২নং শুক্তাগড় ইউনিয়নের বামনকাঠী গ্রামের খলিলুর রহমানের মেয়ে। অভিযুক্ত স্বামী নূর উদ্দিনের বাড়ি সাতক্ষীরা জেলায়। তিনি বর্তমানে ঝালকাঠি পুলিশ লাইনে কর্মরত আছেন। এর আগে তিনি রাজাপুর উপজেলার সাবেক সার্কেল এসপি মাসুদ রানার ‘গানম্যান’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নূর উদ্দিন ও মনির মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। পরিবারের অভিযোগ, গত রাতে মনিকে নির্মমভাবে হত্যা করে নূর উদ্দিন তার ৫ বছরের সন্তানকে নিয়ে গা ঢাকা দেন। হত্যার পর নূর উদ্দিন নিজেই তার শ্বশুরকে ফোন করে বলেন, “আপনার মেয়ে আর নেই।” এই খবর পেয়ে স্বজনরা বাসায় গিয়ে মনির নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন।
খবর পেয়ে রাজাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য নূর উদ্দিন পলাতক থাকায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
একজন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে হত্যার এমন গুরুতর অভিযোগে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা ও নিহতের পরিবার এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন