এসি রুমে বসে এবং এসি গাড়িতে চলাফেরা করে জনগণের প্রকৃত সমস্যা বোঝা যায় না বলে মন্তব্য করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।
রোববার (২৬ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ২১তম বৈঠকে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, দেশের কাঠামোগত পরিবর্তনের জন্য সবার লড়াই ছিল। তিনি দাবি করেন, যদি এটি ২০১৪ সালের সংসদ হতো, তাহলে বিরোধী দল ও ঐকমত্য কমিশন থেকে আসা সংস্কার প্রস্তাবগুলোর বিপক্ষে এ সংসদের অনেকেই অবস্থান নিতেন।
মানবাধিকার কমিশন বিলুপ্তির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এটিকে আরও শক্তিশালী করে পুনর্গঠনের কথা বলা হচ্ছে। যদি সদিচ্ছা থাকত, তাহলে অধ্যাদেশ গ্রহণ করে পরে সংশোধনের সুযোগ ছিল।
সবাইকে নতুন প্রজন্মের ভাষা ও চিন্তা বোঝার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সরকারি দল ও বিরোধী দল আপেক্ষিক বিষয়। শুধু বিএনপি, জামায়াত বা এনসিপির নয়, বাংলাদেশের মানুষের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সংসদের এই চেয়ার জনগণ থেকে বিচ্ছিন্নতা তৈরি করে। সংসদের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসে, এসি গাড়িতে চড়ে এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা ভোগ করে সাধারণ মানুষের কষ্ট অনুধাবন করা কঠিন।
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চলমান অস্থিতিশীলতা নিয়েও উদ্বেগ জানান হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, ক্যাম্পাসগুলোকে অস্থিতিশীল করা হচ্ছে। দমন-পীড়নের রাজনীতিতে বাংলাদেশকে আর ফিরিয়ে নেওয়া যাবে না।
রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নির্মূল করার রাজনীতির বিরোধিতা করে তিনি বলেন, দমন বা নির্মূলের রাজনীতি করে কেউ লাভবান হতে পারবে না।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
এসি রুমে বসে এবং এসি গাড়িতে চলাফেরা করে জনগণের প্রকৃত সমস্যা বোঝা যায় না বলে মন্তব্য করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।
রোববার (২৬ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ২১তম বৈঠকে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, দেশের কাঠামোগত পরিবর্তনের জন্য সবার লড়াই ছিল। তিনি দাবি করেন, যদি এটি ২০১৪ সালের সংসদ হতো, তাহলে বিরোধী দল ও ঐকমত্য কমিশন থেকে আসা সংস্কার প্রস্তাবগুলোর বিপক্ষে এ সংসদের অনেকেই অবস্থান নিতেন।
মানবাধিকার কমিশন বিলুপ্তির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এটিকে আরও শক্তিশালী করে পুনর্গঠনের কথা বলা হচ্ছে। যদি সদিচ্ছা থাকত, তাহলে অধ্যাদেশ গ্রহণ করে পরে সংশোধনের সুযোগ ছিল।
সবাইকে নতুন প্রজন্মের ভাষা ও চিন্তা বোঝার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সরকারি দল ও বিরোধী দল আপেক্ষিক বিষয়। শুধু বিএনপি, জামায়াত বা এনসিপির নয়, বাংলাদেশের মানুষের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সংসদের এই চেয়ার জনগণ থেকে বিচ্ছিন্নতা তৈরি করে। সংসদের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসে, এসি গাড়িতে চড়ে এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা ভোগ করে সাধারণ মানুষের কষ্ট অনুধাবন করা কঠিন।
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চলমান অস্থিতিশীলতা নিয়েও উদ্বেগ জানান হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, ক্যাম্পাসগুলোকে অস্থিতিশীল করা হচ্ছে। দমন-পীড়নের রাজনীতিতে বাংলাদেশকে আর ফিরিয়ে নেওয়া যাবে না।
রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নির্মূল করার রাজনীতির বিরোধিতা করে তিনি বলেন, দমন বা নির্মূলের রাজনীতি করে কেউ লাভবান হতে পারবে না।

আপনার মতামত লিখুন