সারাদেশে গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে লোডশেডিং। শহরের তুলনায় গ্রামে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ।
এমন পরিস্থিতিতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া প্রশ্ন তুলেছেন, “মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ যায়? না কি মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ আসে?” বুধবার (২২ এপ্রিল) দিবাগত রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ প্রশ্ন করেন।
জানা গেছে, ভারতে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট কারিগরি সমস্যার কারণে বন্ধ হয়ে গেছে। এতে ভারত থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে, ফলে দেশে লোডশেডিং বেড়েছে।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মঙ্গলবার রাত ১টার পর থেকে আদানির একটি ইউনিট বন্ধ থাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ কমে গেছে।
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আদানি থেকে ১ হাজার ৪৪৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া গেলেও বুধবার দুপুরে তা কমে দাঁড়ায় ৭৫১ মেগাওয়াটে।
একই সময়ে লোডশেডিংও বেড়ে যায়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় লোডশেডিং ছিল ১ হাজার ৮৪০ মেগাওয়াট, যা বুধবার দুপুরে বেড়ে দাঁড়ায় ২ হাজার ২৭১ মেগাওয়াটে।

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
সারাদেশে গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে লোডশেডিং। শহরের তুলনায় গ্রামে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ।
এমন পরিস্থিতিতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া প্রশ্ন তুলেছেন, “মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ যায়? না কি মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ আসে?” বুধবার (২২ এপ্রিল) দিবাগত রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ প্রশ্ন করেন।
জানা গেছে, ভারতে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট কারিগরি সমস্যার কারণে বন্ধ হয়ে গেছে। এতে ভারত থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে, ফলে দেশে লোডশেডিং বেড়েছে।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মঙ্গলবার রাত ১টার পর থেকে আদানির একটি ইউনিট বন্ধ থাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ কমে গেছে।
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আদানি থেকে ১ হাজার ৪৪৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া গেলেও বুধবার দুপুরে তা কমে দাঁড়ায় ৭৫১ মেগাওয়াটে।
একই সময়ে লোডশেডিংও বেড়ে যায়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় লোডশেডিং ছিল ১ হাজার ৮৪০ মেগাওয়াট, যা বুধবার দুপুরে বেড়ে দাঁড়ায় ২ হাজার ২৭১ মেগাওয়াটে।

আপনার মতামত লিখুন