জমজমাট লড়াই আর নানা নাটকীয়তা শেষে পর্দা নামল বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বাদশ আসরের। শুক্রবার মিরপুরের ফাইনালে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৬৩ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো শিরোপা ঘরে তুলেছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।
শিরোপা জয়ের পাশাপাশি বড় অঙ্কের প্রাইজমানিও নিজেদের ঝুলিতে পুরেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। তবে দলগত অর্জনের বাইরে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে উজ্জ্বল ছিলেন শরিফুল ইসলাম ও তানজিদ তামিমরা। দেখে নেওয়া যাক, এবারের বিপিএলে কে কোন পুরস্কার জিতলেন এবং কার পকেটে গেল কত টাকা।
বিপিএলের চ্যাম্পিয়ন দল হিসেবে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স পেয়েছে ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা (পৌনে ৩ কোটি টাকা)। অন্যদিকে, ফাইনালে হেরে যাওয়া রানার্সআপ দল চট্টগ্রাম রয়্যালস পেয়েছে ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।
ফাইনালে ব্যাট হাতে ঝড় তুলে সেঞ্চুরি হাঁকানো তানজিদ হাসান তামিম নির্বাচিত হয়েছেন ফাইনালের সেরা খেলোয়াড়। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে তার দুর্দান্ত শতকের সুবাদেই ১৭৪ রানের লড়াকু পুঁজি পায় রাজশাহী। টুর্নামেন্টে ৩৫৬ রান করা এই বাঁহাতি ওপেনার ম্যাচসেরা হিসেবে পেয়েছেন ৫ লাখ টাকা।
এবারের আসরে ব্যক্তিগত অর্জনে সবার চেয়ে এগিয়ে চট্টগ্রাম রয়্যালসের পেসার শরিফুল ইসলাম। বল হাতে এক আসরে সর্বোচ্চ ২৬ উইকেট শিকারের রেকর্ড গড়েছেন তিনি। প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট হিসেবে পেয়েছেন ১০ লাখ টাকা। সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হিসেবে পেয়েছেন ৫ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে টুর্নামেন্ট সেরা শরিফুলের পকেটে গেছে মোট ১৫ লাখ টাকা।
ব্যাট হাতে রানের ফোয়ারা ছুটিয়েছেন সিলেট টাইটান্সের পারভেজ হোসেন ইমন। ১২ ইনিংসে ৩টি ফিফটিতে আসরের সর্বোচ্চ ৩৯৫ রান করেছেন তিনি। সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের পুরস্কার হিসেবে এই বাঁহাতি ব্যাটার পেয়েছেন ৫ লাখ টাকা।
উইকেটের পেছনে গ্লাভস হাতে না থাকলেও আউটফিল্ডে দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ে ১০টি ক্যাচ নিয়ে সেরা ফিল্ডারের পুরস্কার জিতেছেন রংপুর রাইডার্সের লিটন দাস। তিনি পেয়েছেন ৩ লাখ টাকা।
মাত্র ৮ ম্যাচে ১৭ উইকেট শিকার করে আসরের উদীয়মান খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন চ্যাম্পিয়ন রাজশাহীর ২২ বছর বয়সী পেসার রিপন মন্ডল। পুরস্কার হিসেবে তিনি পেয়েছেন ৩ লাখ টাকা।

