ইলিশের প্রজনন ও উৎপাদন বাড়াতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা চললেও লক্ষ্মীপুরের মেঘনা নদীতে থামছে না ইলিশ শিকার। নিষেধাজ্ঞার প্রথম ১৮ দিনে নদীতে মাছ ধরার অভিযোগে ১৩৮ জেলেকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৭৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ছাড়া ৬৫ জনকে মোট ১ লাখ ৫৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
রোববার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এ তথ্য জানান জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জসিম উদ্দীন।
জেলা মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে গত ১৮ দিনে ২০৮টি অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। এসব অভিযানে ৩ দশমিক ৯৫ মেট্রিক টন ইলিশ, প্রায় ৩৫ লাখ ২০ হাজার মিটার জাল, ১৮টি নৌকা ও একটি স্পিডবোট জব্দ করা হয়। জব্দ করা ইলিশ স্থানীয় এতিমখানা ও দুস্থদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। জাল পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়েছে এবং জব্দ করা নৌযান রাখা হয়েছে হেফাজতে।
মা ইলিশ সংরক্ষণে গত ৮ অক্টোবর থেকে ২২ দিনের জন্য লক্ষ্মীপুরসহ দেশের ২০টি জেলার নদ-নদী ও সাগরে সব ধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। আগামী ২৯ অক্টোবর মধ্যরাত পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। এ সময়ে মাছ ধরা, পরিবহন, মজুত, বাজারজাত, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় নিষিদ্ধ।
নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে মৎস্য বিভাগ, জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ এবং কোস্টগার্ডের সমন্বয়ে মেঘনা নদীতে অভিযান চালানো হচ্ছে। আইন অমান্যকারীদের সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা, দুই বছরের কারাদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড দেওয়ার বিধান রয়েছে।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জসিম উদ্দীন বলেন, নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে প্রতিদিন নদীতে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। আইন অমান্য করে যাঁরা নদীতে মাছ ধরছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ইলিশ সম্পদ রক্ষায় এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
ইলিশের প্রজনন ও উৎপাদন বাড়াতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা চললেও লক্ষ্মীপুরের মেঘনা নদীতে থামছে না ইলিশ শিকার। নিষেধাজ্ঞার প্রথম ১৮ দিনে নদীতে মাছ ধরার অভিযোগে ১৩৮ জেলেকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৭৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ছাড়া ৬৫ জনকে মোট ১ লাখ ৫৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
রোববার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এ তথ্য জানান জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জসিম উদ্দীন।
জেলা মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে গত ১৮ দিনে ২০৮টি অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। এসব অভিযানে ৩ দশমিক ৯৫ মেট্রিক টন ইলিশ, প্রায় ৩৫ লাখ ২০ হাজার মিটার জাল, ১৮টি নৌকা ও একটি স্পিডবোট জব্দ করা হয়। জব্দ করা ইলিশ স্থানীয় এতিমখানা ও দুস্থদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। জাল পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়েছে এবং জব্দ করা নৌযান রাখা হয়েছে হেফাজতে।
মা ইলিশ সংরক্ষণে গত ৮ অক্টোবর থেকে ২২ দিনের জন্য লক্ষ্মীপুরসহ দেশের ২০টি জেলার নদ-নদী ও সাগরে সব ধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। আগামী ২৯ অক্টোবর মধ্যরাত পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। এ সময়ে মাছ ধরা, পরিবহন, মজুত, বাজারজাত, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় নিষিদ্ধ।
নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে মৎস্য বিভাগ, জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ এবং কোস্টগার্ডের সমন্বয়ে মেঘনা নদীতে অভিযান চালানো হচ্ছে। আইন অমান্যকারীদের সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা, দুই বছরের কারাদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড দেওয়ার বিধান রয়েছে।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জসিম উদ্দীন বলেন, নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে প্রতিদিন নদীতে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। আইন অমান্য করে যাঁরা নদীতে মাছ ধরছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ইলিশ সম্পদ রক্ষায় এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন