কুড়িগ্রামে আমন ধানের খেতে ছড়িয়ে পড়ছে ছাতরা পোকার (মিলিবাগ) আক্রমণ। এ পোকার কারণে ধানগাছের পাতা হলদে হয়ে যাচ্ছে, থমকে যাচ্ছে গাছের বৃদ্ধি। কোথাও কোথাও শুকিয়ে যাচ্ছে গাছ। বিভিন্ন ধরনের বালাইনাশক প্রয়োগ করেও সুফল না পাওয়ায় আমনের ফলন নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকেরা।
কৃষকদের আশঙ্কা, সময়মতো এ পোকার আক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে আমন উৎপাদনে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে হতে পারে তাঁদের।
সরেজমিনে জেলার বিভিন্ন এলাকার ধানখেত ঘুরে দেখা গেছে, আক্রান্ত ধানগাছের কাণ্ড ও পাতার খোলে সাদা তুলা বা মোমের মতো আবরণ জমেছে। এর নিচে ছোট ছোট ছাতরা পোকা অবস্থান করছে। এসব পোকা গাছের রস শোষণ করায় পাতা হলদে হয়ে যাচ্ছে এবং গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে। আক্রান্ত কোনো কোনো গাছ শুকিয়ে পুড়ে যাওয়ার মতো দেখাচ্ছে।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাসুদ রানা বলেন, ছাতরা পোকা কোনো রোগ নয়, এটি ধানগাছের রস শোষণকারী ক্ষতিকর পোকা। এর আক্রমণে গাছের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়, পাতা হলদে হয়ে যায়। আক্রমণ বেশি হলে গাছ শুকিয়ে যেতে পারে। আগের বছরগুলোতে কুড়িগ্রামের আমন ধানে এ পোকার উপস্থিতি তেমন দেখা যায়নি বলেও জানান তিনি।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর কুড়িগ্রামে ১ লাখ ২১ হাজার হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর বিপরীতে আবাদ হয়েছে ১ লাখ ২১ হাজার ৬৩০ হেক্টর জমিতে।
কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবু ফাত্তাহ্ মো. রওশন কবির বলেন, খরার কারণে ধানখেতে ছাতরা পোকার আক্রমণ বাড়তে পারে। এ পোকা দমনে মাঠপর্যায়ে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সচেতনতা বাড়াতে লিফলেট বিতরণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। কৃষকেরা কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক সময়ে বালাইনাশক প্রয়োগ করলে এ পোকা দমন করা সম্ভব বলে জানান তিনি।

সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬
কুড়িগ্রামে আমন ধানের খেতে ছড়িয়ে পড়ছে ছাতরা পোকার (মিলিবাগ) আক্রমণ। এ পোকার কারণে ধানগাছের পাতা হলদে হয়ে যাচ্ছে, থমকে যাচ্ছে গাছের বৃদ্ধি। কোথাও কোথাও শুকিয়ে যাচ্ছে গাছ। বিভিন্ন ধরনের বালাইনাশক প্রয়োগ করেও সুফল না পাওয়ায় আমনের ফলন নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকেরা।
কৃষকদের আশঙ্কা, সময়মতো এ পোকার আক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে আমন উৎপাদনে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে হতে পারে তাঁদের।
সরেজমিনে জেলার বিভিন্ন এলাকার ধানখেত ঘুরে দেখা গেছে, আক্রান্ত ধানগাছের কাণ্ড ও পাতার খোলে সাদা তুলা বা মোমের মতো আবরণ জমেছে। এর নিচে ছোট ছোট ছাতরা পোকা অবস্থান করছে। এসব পোকা গাছের রস শোষণ করায় পাতা হলদে হয়ে যাচ্ছে এবং গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে। আক্রান্ত কোনো কোনো গাছ শুকিয়ে পুড়ে যাওয়ার মতো দেখাচ্ছে।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাসুদ রানা বলেন, ছাতরা পোকা কোনো রোগ নয়, এটি ধানগাছের রস শোষণকারী ক্ষতিকর পোকা। এর আক্রমণে গাছের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়, পাতা হলদে হয়ে যায়। আক্রমণ বেশি হলে গাছ শুকিয়ে যেতে পারে। আগের বছরগুলোতে কুড়িগ্রামের আমন ধানে এ পোকার উপস্থিতি তেমন দেখা যায়নি বলেও জানান তিনি।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর কুড়িগ্রামে ১ লাখ ২১ হাজার হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর বিপরীতে আবাদ হয়েছে ১ লাখ ২১ হাজার ৬৩০ হেক্টর জমিতে।
কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবু ফাত্তাহ্ মো. রওশন কবির বলেন, খরার কারণে ধানখেতে ছাতরা পোকার আক্রমণ বাড়তে পারে। এ পোকা দমনে মাঠপর্যায়ে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সচেতনতা বাড়াতে লিফলেট বিতরণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। কৃষকেরা কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক সময়ে বালাইনাশক প্রয়োগ করলে এ পোকা দমন করা সম্ভব বলে জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন