ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের লক্ষ্যে নোয়াখালীতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে (এলজিইডি) পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানের অংশ হিসেবে এলজিইডি কার্যালয় প্রাঙ্গণ ও আশপাশের এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১১ টায় নোয়াখালী এলজিইডি কার্যালয়ে এ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।
এ সময় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) নোয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী যুগল কৃষ্ণ মণ্ডল, সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী কমল কান্তি পাল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শান্তনু কুমার দাশ সহ জেলা প্রশাসন ও এলজিইডির অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিবেশ পরিচ্ছন্নতার কোনো বিকল্প নেই। মশার বংশবিস্তার রোধে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হতে হবে ও একযোগে কাজ করতে হবে। পরিচ্ছন্নতাকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে। কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে বিশেষ নজর দিতে হবে। পাশাপাশি নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমাতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) নোয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী যুগল কৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকার যে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে তার সাথে একাত্ম হয়েই এলজিইডি অফিস প্রাঙ্গন ও আশেপাশের এলাকা পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি চালানো হয়। আমাদের এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।
পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম উদ্ভোদন শেষে জেলা প্রশাসক এলজিইডি কার্যালয়ে স্থাপিত সরকারের অগ্রাধিকারমূলক সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প পরিদর্শন করেন এবং এলজিইডি প্রাঙ্গনে একটি ফলদ বৃক্ষ রোপন করেন।

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৬
ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের লক্ষ্যে নোয়াখালীতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে (এলজিইডি) পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানের অংশ হিসেবে এলজিইডি কার্যালয় প্রাঙ্গণ ও আশপাশের এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১১ টায় নোয়াখালী এলজিইডি কার্যালয়ে এ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।
এ সময় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) নোয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী যুগল কৃষ্ণ মণ্ডল, সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী কমল কান্তি পাল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শান্তনু কুমার দাশ সহ জেলা প্রশাসন ও এলজিইডির অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিবেশ পরিচ্ছন্নতার কোনো বিকল্প নেই। মশার বংশবিস্তার রোধে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হতে হবে ও একযোগে কাজ করতে হবে। পরিচ্ছন্নতাকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে। কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে বিশেষ নজর দিতে হবে। পাশাপাশি নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমাতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) নোয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী যুগল কৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকার যে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে তার সাথে একাত্ম হয়েই এলজিইডি অফিস প্রাঙ্গন ও আশেপাশের এলাকা পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি চালানো হয়। আমাদের এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।
পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম উদ্ভোদন শেষে জেলা প্রশাসক এলজিইডি কার্যালয়ে স্থাপিত সরকারের অগ্রাধিকারমূলক সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প পরিদর্শন করেন এবং এলজিইডি প্রাঙ্গনে একটি ফলদ বৃক্ষ রোপন করেন।

আপনার মতামত লিখুন