বিপ্লবী বার্তা

মূল পাতা

সারাদেশ

রায়পুর ভূমি অফিসে গায়েব ১২ লাখ টাকা তদন্তের নির্দেশ দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে।

রায়পুর ভূমি অফিসে গায়েব ১২ লাখ টাকা তদন্তের নির্দেশ দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে।
ছবিঃ বিপ্লবী বার্তা

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলা ভূমি অফিসে অর্পিত সম্পত্তির ইজারা বাবদ আদায় করা প্রায় ১২ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়।

বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার গোলাম মুস্তাফা মুন্না স্বাক্ষরিত একটি চিঠি লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো হয়।

চিঠিতে বলা হয়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের হিসাব নিরীক্ষার সময় ইজারা বাবদ আদায় করা অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা না দেওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে। অভিযুক্ত দুই কর্মচারী হলেন জাহাঙ্গীর আলম ও মো. নকিব হোসেন শান্ত। জাহাঙ্গীর আলম রায়পুর উপজেলা ভূমি অফিসের প্রধান সহকারী ও হিসাবরক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি রামগতি উপজেলা ভূমি অফিসে কর্মরত। আর মো. নকিব হোসেন শান্ত রায়পুর উপজেলা ভূমি অফিসে সার্টিফিকেট পেশকার (নাজির) হিসেবে কর্মরত।

বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের চিঠি অনুযায়ী, রায়পুর উপজেলা ভূমি অফিসের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের হিসাব নিরীক্ষা করা হয়। এতে সরকারি লিজের দুটি খাতে আদায় করা অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা না দেওয়ার বিষয়টি উঠে আসে।

নিরীক্ষা প্রতিবেদনে দেখা যায়, সরকারি লিজের দুটি খাতে যথাক্রমে ১ লাখ ৯ হাজার ১৩০ টাকা এবং ১০ লাখ ৯৮ হাজার ৭৮০ টাকা আদায় করা হয়েছিল। তবে এসব অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি। দুই খাত মিলিয়ে মোট অর্থের পরিমাণ ১২ লাখ ৭ হাজার ৯১০ টাকা।

চিঠিতে বলা হয়, সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে জাহাঙ্গীর আলম ও মো. নকিব হোসেন শান্তর বিরুদ্ধে তদন্ত করে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করে তা অবিলম্বে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে এবং গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়কে অবহিত করতে বলা হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে জাহাঙ্গীর আলমের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মো. নকিব হোসেন শান্ত বলেন, “টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। তবে ভুলবশত তা রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করা হয়নি। এ কারণে অডিট আপত্তি উঠেছে।”

চিঠির বিষয়ে জানতে চাইলে লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাহবুব হাসান চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, “এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

আপনার মতামত লিখুন

বিপ্লবী বার্তা

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬


রায়পুর ভূমি অফিসে গায়েব ১২ লাখ টাকা তদন্তের নির্দেশ দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে।

প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলা ভূমি অফিসে অর্পিত সম্পত্তির ইজারা বাবদ আদায় করা প্রায় ১২ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়।

বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার গোলাম মুস্তাফা মুন্না স্বাক্ষরিত একটি চিঠি লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো হয়।

চিঠিতে বলা হয়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের হিসাব নিরীক্ষার সময় ইজারা বাবদ আদায় করা অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা না দেওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে। অভিযুক্ত দুই কর্মচারী হলেন জাহাঙ্গীর আলম ও মো. নকিব হোসেন শান্ত। জাহাঙ্গীর আলম রায়পুর উপজেলা ভূমি অফিসের প্রধান সহকারী ও হিসাবরক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি রামগতি উপজেলা ভূমি অফিসে কর্মরত। আর মো. নকিব হোসেন শান্ত রায়পুর উপজেলা ভূমি অফিসে সার্টিফিকেট পেশকার (নাজির) হিসেবে কর্মরত।

বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের চিঠি অনুযায়ী, রায়পুর উপজেলা ভূমি অফিসের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের হিসাব নিরীক্ষা করা হয়। এতে সরকারি লিজের দুটি খাতে আদায় করা অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা না দেওয়ার বিষয়টি উঠে আসে।

নিরীক্ষা প্রতিবেদনে দেখা যায়, সরকারি লিজের দুটি খাতে যথাক্রমে ১ লাখ ৯ হাজার ১৩০ টাকা এবং ১০ লাখ ৯৮ হাজার ৭৮০ টাকা আদায় করা হয়েছিল। তবে এসব অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি। দুই খাত মিলিয়ে মোট অর্থের পরিমাণ ১২ লাখ ৭ হাজার ৯১০ টাকা।

চিঠিতে বলা হয়, সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে জাহাঙ্গীর আলম ও মো. নকিব হোসেন শান্তর বিরুদ্ধে তদন্ত করে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করে তা অবিলম্বে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে এবং গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়কে অবহিত করতে বলা হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে জাহাঙ্গীর আলমের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মো. নকিব হোসেন শান্ত বলেন, “টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। তবে ভুলবশত তা রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করা হয়নি। এ কারণে অডিট আপত্তি উঠেছে।”

চিঠির বিষয়ে জানতে চাইলে লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাহবুব হাসান চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, “এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”


বিপ্লবী বার্তা

প্রকাশক
শেখ মাহমুদ উজ্জ্বল
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
কাইয়ুম তালুকদার (কানন)
উপদেষ্টা সম্পাদক
ড. জাহিদ আহমেদ চৌধুরী

কপিরাইট © ২০২৬ । বিপ্লবী বার্তা