চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এ. এফ. রহমান হল সংসদের জেনারেল সেক্রেটারি (জিএস) ও শাখা ছাত্রদলের দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক তামিম চৌধুরীর বিরুদ্ধে হলের ক্যান্টিনে খাবার খেয়ে নিয়মিত বিল পরিশোধ না করার অভিযোগ উঠেছে।
ক্যান্টিন কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, জিএস হওয়ার পর থেকে তামিম চৌধুরী ক্যান্টিনে খাবার খেয়ে অনেক সময় বিল পরিশোধ না করেই চলে যান। খাবারের বিল চাইলে তিনি ক্যান্টিন বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে তামিম চৌধুরী। তিনি বলেন, "আমি গত ২ মাসে শুধু কয়েকবার খেয়েছি। প্রতিবার টাকা শোধ করেছি। তবে এর আগে আমাকে নিজ থেকেই খাবার অফার করতো। এটা দেখে আমি ওখানে খাওয়া কমিয়ে দিয়েছি। আমার হল সংসদের সবাই এটা জানতো।"
ক্যান্টিন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তামিম চৌধুরী ক্যান্টিনে খাবার খাওয়ার পর নিয়মিত বিল পরিশোধ না করেই চলে যান। পরে বিল চাইলে ক্যান্টিন বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ তাদের।
ক্যান্টিনের একজন কর্মচারী বলেন, “জিএস হওয়ার পর থেকে ক্যান্টিনে খাওয়ার পর তিনি টাকা দেননি। বাকি থাকার বিষয়টা এমন নয়-অনেকেরই বাকি রয়েছে। কিন্তু তিনি খেয়ে কোনো কথা না বলে টাকা না দিয়ে চলে যান। যখনই আসেন, খেয়ে টাকা না দিয়ে চলে যান। টাকা চাইলে বলেন, কোনো অপরাধ পেলে দোকান একেবারে বন্ধ করে দেব।”
ক্যান্টিন কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, হল সংসদের নেতৃত্বে থাকা এবং রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে তামিম চৌধুরী প্রভাব খাটিয়ে এমন আচরণ করছেন।
এ বিষয়ে চবির এএফ রহমান হল সংসদের ভিপি শাহরিয়ার আহমেদ বলেন, "আমরা এ বিষয়টি খুতিয়ে দেখবো। আমাদের হল সংসদের সভাপতি প্রোভোস্ট স্যার সহ আমরা হল সংসদ ও ক্যান্টিন কর্তৃপক্ষের সাথে বসবো। বিষয়টি সত্য হবে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবো।"
চবির এএফ রহমান হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক আলম চৌধুরী বলেন, "আমার কাছে এ বিষয়ে মৌখিক বা লিখিত কোনো অভিযোগ আসেনি। আমি এখন শুনছি এটা। ক্যান্টিন কর্তৃপক্ষ যদি আমাকে অভিযোগ জানায় তাহলে যথাযথ ব্যবস্থা নিবো।"
শাখা ছাত্রদলের সভাপতি আলাউদ্দিন মহসিন বলেন, "৫ আগস্টের পর আমরা ছাত্রদল শপথ নিয়েছি যে ছাত্রলীগ যেভাবে চাঁদাবাজি করতো সেই সংস্কৃতি আমরা ফিরিয়ে আনবো না। তামিম এর বিরুদ্ধে অভিযোগ যদি সত্য হয় তাহলে আমরা যথাযথ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিবো। আমরা তদন্তের নামে মূলা ঝুলিয়ে রাখবো না।"
এ বিষয়ে চাকসুর জিএস সাঈদ বিন হাবিব বলেন, "তামিম রাজনৈতিকভাবে ছাত্রদলের সাথে যুক্ত। ৫ আগস্ট পরবর্তি ক্যাম্পাসে ছাত্রদল চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি এবং 'ফাও' খাবার রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনছে। আমরা যে অভিযোগ পেয়েছি এ ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানাবো প্রশাসনের কাছে।"

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এ. এফ. রহমান হল সংসদের জেনারেল সেক্রেটারি (জিএস) ও শাখা ছাত্রদলের দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক তামিম চৌধুরীর বিরুদ্ধে হলের ক্যান্টিনে খাবার খেয়ে নিয়মিত বিল পরিশোধ না করার অভিযোগ উঠেছে।
ক্যান্টিন কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, জিএস হওয়ার পর থেকে তামিম চৌধুরী ক্যান্টিনে খাবার খেয়ে অনেক সময় বিল পরিশোধ না করেই চলে যান। খাবারের বিল চাইলে তিনি ক্যান্টিন বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে তামিম চৌধুরী। তিনি বলেন, "আমি গত ২ মাসে শুধু কয়েকবার খেয়েছি। প্রতিবার টাকা শোধ করেছি। তবে এর আগে আমাকে নিজ থেকেই খাবার অফার করতো। এটা দেখে আমি ওখানে খাওয়া কমিয়ে দিয়েছি। আমার হল সংসদের সবাই এটা জানতো।"
ক্যান্টিন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তামিম চৌধুরী ক্যান্টিনে খাবার খাওয়ার পর নিয়মিত বিল পরিশোধ না করেই চলে যান। পরে বিল চাইলে ক্যান্টিন বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ তাদের।
ক্যান্টিনের একজন কর্মচারী বলেন, “জিএস হওয়ার পর থেকে ক্যান্টিনে খাওয়ার পর তিনি টাকা দেননি। বাকি থাকার বিষয়টা এমন নয়-অনেকেরই বাকি রয়েছে। কিন্তু তিনি খেয়ে কোনো কথা না বলে টাকা না দিয়ে চলে যান। যখনই আসেন, খেয়ে টাকা না দিয়ে চলে যান। টাকা চাইলে বলেন, কোনো অপরাধ পেলে দোকান একেবারে বন্ধ করে দেব।”
ক্যান্টিন কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, হল সংসদের নেতৃত্বে থাকা এবং রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে তামিম চৌধুরী প্রভাব খাটিয়ে এমন আচরণ করছেন।
এ বিষয়ে চবির এএফ রহমান হল সংসদের ভিপি শাহরিয়ার আহমেদ বলেন, "আমরা এ বিষয়টি খুতিয়ে দেখবো। আমাদের হল সংসদের সভাপতি প্রোভোস্ট স্যার সহ আমরা হল সংসদ ও ক্যান্টিন কর্তৃপক্ষের সাথে বসবো। বিষয়টি সত্য হবে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবো।"
চবির এএফ রহমান হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক আলম চৌধুরী বলেন, "আমার কাছে এ বিষয়ে মৌখিক বা লিখিত কোনো অভিযোগ আসেনি। আমি এখন শুনছি এটা। ক্যান্টিন কর্তৃপক্ষ যদি আমাকে অভিযোগ জানায় তাহলে যথাযথ ব্যবস্থা নিবো।"
শাখা ছাত্রদলের সভাপতি আলাউদ্দিন মহসিন বলেন, "৫ আগস্টের পর আমরা ছাত্রদল শপথ নিয়েছি যে ছাত্রলীগ যেভাবে চাঁদাবাজি করতো সেই সংস্কৃতি আমরা ফিরিয়ে আনবো না। তামিম এর বিরুদ্ধে অভিযোগ যদি সত্য হয় তাহলে আমরা যথাযথ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিবো। আমরা তদন্তের নামে মূলা ঝুলিয়ে রাখবো না।"
এ বিষয়ে চাকসুর জিএস সাঈদ বিন হাবিব বলেন, "তামিম রাজনৈতিকভাবে ছাত্রদলের সাথে যুক্ত। ৫ আগস্ট পরবর্তি ক্যাম্পাসে ছাত্রদল চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি এবং 'ফাও' খাবার রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনছে। আমরা যে অভিযোগ পেয়েছি এ ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানাবো প্রশাসনের কাছে।"

আপনার মতামত লিখুন