বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভিক্ষা করে দিন কাটতো যাঁর, সেই অসহায় বুলবুলি খাতুনের চোখে এখন নতুন স্বপ্নের ঝিলিক। ভিক্ষাবৃত্তি ছেড়ে তিনি এখন একজন আত্মবিশ্বাসী দোকানদার।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলুকদিয়া ইউনিয়নের বুলবুলি খাতুনকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে একটি দোকান ও সম্পূর্ণ মালামাল কিনে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয়।
আজ মঙ্গলবার ২২ শে সেপ্টেম্বর সকালে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জনাব তিথি মিত্র সরেজমিনে আলুকদিয়া ইউনিয়নে বুলবুলির দোকানটি পরিদর্শনে যান। এ সময় তিনি বুলবুলি খাতুনের খোঁজখবর নেন এবং তাঁর ব্যবসার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
পরিদর্শনকালে দেখা যায়, বুলবুলি খাতুন তাঁর নিজের দোকানে বসে হাসিমুখে বেচাকেনা করছেন। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয়ের এই যৌথ মানবিক উদ্যোগের ফলে সমাজের একজন চরম অবহেলিত মানুষ এখন নিশ্চিন্তে ও সসম্মানে বেঁচে থাকার আলো খুঁজে পেয়েছেন।উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, সমাজের পিছিয়ে পড়া ও অসহায় মানুষদের স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে এই ধরণের টেকসই পুনর্বাসন কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
তিনি বলেন বুলবুলি খাতুনের মতো সমাজের আর সব অসহায় মানুষও যেন স্বাবলম্বী হয়ে ভালো থাকতে পারে, এটাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভিক্ষা করে দিন কাটতো যাঁর, সেই অসহায় বুলবুলি খাতুনের চোখে এখন নতুন স্বপ্নের ঝিলিক। ভিক্ষাবৃত্তি ছেড়ে তিনি এখন একজন আত্মবিশ্বাসী দোকানদার।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলুকদিয়া ইউনিয়নের বুলবুলি খাতুনকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে একটি দোকান ও সম্পূর্ণ মালামাল কিনে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয়।
আজ মঙ্গলবার ২২ শে সেপ্টেম্বর সকালে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জনাব তিথি মিত্র সরেজমিনে আলুকদিয়া ইউনিয়নে বুলবুলির দোকানটি পরিদর্শনে যান। এ সময় তিনি বুলবুলি খাতুনের খোঁজখবর নেন এবং তাঁর ব্যবসার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
পরিদর্শনকালে দেখা যায়, বুলবুলি খাতুন তাঁর নিজের দোকানে বসে হাসিমুখে বেচাকেনা করছেন। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয়ের এই যৌথ মানবিক উদ্যোগের ফলে সমাজের একজন চরম অবহেলিত মানুষ এখন নিশ্চিন্তে ও সসম্মানে বেঁচে থাকার আলো খুঁজে পেয়েছেন।উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, সমাজের পিছিয়ে পড়া ও অসহায় মানুষদের স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে এই ধরণের টেকসই পুনর্বাসন কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
তিনি বলেন বুলবুলি খাতুনের মতো সমাজের আর সব অসহায় মানুষও যেন স্বাবলম্বী হয়ে ভালো থাকতে পারে, এটাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

আপনার মতামত লিখুন