নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের দুবরাজপুর গ্রামের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল কুদ্দুস ফরাজী মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় দুর্গাপুর দ্বীনি আলিম মাদ্রাসায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার দেওয়া হয় এবং প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে গতকাল সোমবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। গার্ড অব অনারে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহমেদ সাদাত, থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকার শাকের আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দ সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি ৫ মেয়ে ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মুক্তিযুদ্ধে রিক্রুটিং কমান্ডার রফিক উদ্দিন ফরাজীর ছোট ভাই এবং দৈনিক কালের কণ্ঠের ময়মনসিংহ প্রতিনিধি আলম ফরাজীর চাচা ছিলেন এই বীর মুক্তিযোদ্ধা।
জানা গেছে, দুর্গাপুরে প্রথম জানাজা শেষে মরহুমের মরদেহ ময়মনসিংহে নেওয়া হয়। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁর স্ত্রীর কবরের পাশে তাঁকে দাফন করা হবে। এই বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুতে দুর্গাপুর উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড কাউন্সিল, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, দুর্গাপুর প্রেসক্লাব সাংবাদিক সমিতি সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ গভীর শোক ও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের দুবরাজপুর গ্রামের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল কুদ্দুস ফরাজী মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় দুর্গাপুর দ্বীনি আলিম মাদ্রাসায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার দেওয়া হয় এবং প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে গতকাল সোমবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। গার্ড অব অনারে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহমেদ সাদাত, থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকার শাকের আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দ সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি ৫ মেয়ে ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মুক্তিযুদ্ধে রিক্রুটিং কমান্ডার রফিক উদ্দিন ফরাজীর ছোট ভাই এবং দৈনিক কালের কণ্ঠের ময়মনসিংহ প্রতিনিধি আলম ফরাজীর চাচা ছিলেন এই বীর মুক্তিযোদ্ধা।
জানা গেছে, দুর্গাপুরে প্রথম জানাজা শেষে মরহুমের মরদেহ ময়মনসিংহে নেওয়া হয়। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁর স্ত্রীর কবরের পাশে তাঁকে দাফন করা হবে। এই বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুতে দুর্গাপুর উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড কাউন্সিল, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, দুর্গাপুর প্রেসক্লাব সাংবাদিক সমিতি সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ গভীর শোক ও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন