নওগাঁর নিয়ামতপুরে মাদকাসক্ত মাহিদুল ইসলাম (৪৫) নামের এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার চন্দননগর ইউনিয়নের ছাতড়া গরুহাটি এলাকার একটি পুকুর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মাহিদুল ইসলাম ছাতড়া নিচতানী এলাকার মোশাররফ হোসেনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাহিদুল দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত মাদক সেবন করতেন। গত সোমবার বিকেলে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর কোনো সন্ধান পাননি। মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় লোকজন পুকুরের মাঝে মরদেহ ভেসে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং স্থানীয়রা মাহিদুল ইসলামের মরদেহ বলে শনাক্ত করেন।
স্থানীয় চন্দননগর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নাজমুল হুদা জানান, মাহিদুল নিয়মিত মাদক গ্রহণ করতেন। মাদকের কবল থেকে তাঁকে দূরে রাখতে পরিবারের লোকজন বিভিন্ন সময় তাঁকে বেঁধেও রাখতেন।
নিহতের স্ত্রী জোসনা বেগম বলেন, "আমার স্বামীর মাদক গ্রহণের অভ্যাস ছিল। ধারণা করছি, মাদক সেবন করে বাড়ি ফেরার পথে পুকুরপাড়ে পড়ে গিয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। কারো সাথে আমাদের কোনো শত্রুতা বা বিরোধ ছিল না।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান পিপিএম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ পুকুর থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া হিসেবে একটি অপমৃত্যু মামলার প্রস্তুতি চলছে।

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নওগাঁর নিয়ামতপুরে মাদকাসক্ত মাহিদুল ইসলাম (৪৫) নামের এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার চন্দননগর ইউনিয়নের ছাতড়া গরুহাটি এলাকার একটি পুকুর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মাহিদুল ইসলাম ছাতড়া নিচতানী এলাকার মোশাররফ হোসেনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাহিদুল দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত মাদক সেবন করতেন। গত সোমবার বিকেলে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর কোনো সন্ধান পাননি। মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় লোকজন পুকুরের মাঝে মরদেহ ভেসে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং স্থানীয়রা মাহিদুল ইসলামের মরদেহ বলে শনাক্ত করেন।
স্থানীয় চন্দননগর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নাজমুল হুদা জানান, মাহিদুল নিয়মিত মাদক গ্রহণ করতেন। মাদকের কবল থেকে তাঁকে দূরে রাখতে পরিবারের লোকজন বিভিন্ন সময় তাঁকে বেঁধেও রাখতেন।
নিহতের স্ত্রী জোসনা বেগম বলেন, "আমার স্বামীর মাদক গ্রহণের অভ্যাস ছিল। ধারণা করছি, মাদক সেবন করে বাড়ি ফেরার পথে পুকুরপাড়ে পড়ে গিয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। কারো সাথে আমাদের কোনো শত্রুতা বা বিরোধ ছিল না।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান পিপিএম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ পুকুর থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া হিসেবে একটি অপমৃত্যু মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আপনার মতামত লিখুন