জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) চলমান বিভিন্ন অসংগতি ও নিয়মবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে চার দফা দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেছে জাতীয় ছাত্রশক্তি জাবি সংসদ। আজ বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪ টায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে এক বৈঠকে এসব দাবি জানান সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।
জাতীয় ছাত্রশক্তির উত্থাপিত চার দফা দাবিগুলো হলো- জাকসু ও হল সংসদের নেতাদের হলে থাকার মেয়াদ সংক্রান্ত বিতর্কিত প্রজ্ঞাপন অবিলম্বে প্রত্যাহার, পদোন্নতি বোর্ডের রেজুলেশনে অসংগতির (এক কর্মচারীর নাম নিয়মবহির্ভূতভাবে অন্তর্ভুক্তি) অভিযোগে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে ফলাফল প্রকাশ, রিকশা ও দোকান থেকে চাঁদা বা অননুমোদিত অর্থ আদায়ের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনা, ফজিলাতুন্নেছা হলের ভিপি ঐশী সরকার ও তাঁর সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে নিষ্পত্তি করা।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে জাতীয় ছাত্রশক্তি জাবি সংসদের সভাপতি জিয়া উদ্দিন আয়ান জানান, আলোচনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের দাবিগুলো গুরুত্বের সাথে শুনেছে এবং মৌখিক আশ্বাস দিয়েছে।
জাকসু নেতাদের আবাসন প্রজ্ঞাপন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন ও স্বয়ং জাকসু এই প্রজ্ঞাপনের প্রতিবাদ জানালেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এটি প্রত্যাহারে বিলম্ব করছে। আমাদের দাবির প্রেক্ষিতে প্রশাসন জানিয়েছে, তারা অবিলম্বে একটি প্রশাসনিক সভার মাধ্যমে এ বিষয়ে পুনরায় সিদ্ধান্ত নেবে; তবে আমরা এটি প্রত্যাহারের দাবিতে অটুট আছি।”
চাঁদাবাজির বিষয়ে আয়ান বলেন, “শহীদ সালাম-বরকত হলের এক কম্পিউটার অপারেটরের অডিও রেকর্ড ফাঁস হয়েছে, যেখানে জাকসু ভিপি ও হল ভিপির সংশ্লিষ্টতায় প্রতিটি অটোরিকশা থেকে ১০ হাজার টাকা চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রশাসন দ্রুত এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠনের আশ্বাস দিয়েছে।”
ফজিলাতুন্নেছা হলের ভিপি ঐশী সরকারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ভিপি ঐশী সরকার একটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে বটতলায় বসার সুযোগ দিয়ে ৬০ হাজার টাকা নিয়েছেন, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলে জমা দেওয়া হয়নি। প্রশাসন এ বিষয়েও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।”
সবশেষে হুঁশিয়ারি দিয়ে আয়ান বলেন, তদন্তাধীন কোনো বিষয়কে রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক ক্ষমতা দিয়ে ধামাচাপা দেওয়া যাবে না। প্রতিটি তদন্তে উভয় পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ করতে হবে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) চলমান বিভিন্ন অসংগতি ও নিয়মবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে চার দফা দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেছে জাতীয় ছাত্রশক্তি জাবি সংসদ। আজ বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪ টায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে এক বৈঠকে এসব দাবি জানান সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।
জাতীয় ছাত্রশক্তির উত্থাপিত চার দফা দাবিগুলো হলো- জাকসু ও হল সংসদের নেতাদের হলে থাকার মেয়াদ সংক্রান্ত বিতর্কিত প্রজ্ঞাপন অবিলম্বে প্রত্যাহার, পদোন্নতি বোর্ডের রেজুলেশনে অসংগতির (এক কর্মচারীর নাম নিয়মবহির্ভূতভাবে অন্তর্ভুক্তি) অভিযোগে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে ফলাফল প্রকাশ, রিকশা ও দোকান থেকে চাঁদা বা অননুমোদিত অর্থ আদায়ের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনা, ফজিলাতুন্নেছা হলের ভিপি ঐশী সরকার ও তাঁর সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে নিষ্পত্তি করা।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে জাতীয় ছাত্রশক্তি জাবি সংসদের সভাপতি জিয়া উদ্দিন আয়ান জানান, আলোচনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের দাবিগুলো গুরুত্বের সাথে শুনেছে এবং মৌখিক আশ্বাস দিয়েছে।
জাকসু নেতাদের আবাসন প্রজ্ঞাপন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন ও স্বয়ং জাকসু এই প্রজ্ঞাপনের প্রতিবাদ জানালেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এটি প্রত্যাহারে বিলম্ব করছে। আমাদের দাবির প্রেক্ষিতে প্রশাসন জানিয়েছে, তারা অবিলম্বে একটি প্রশাসনিক সভার মাধ্যমে এ বিষয়ে পুনরায় সিদ্ধান্ত নেবে; তবে আমরা এটি প্রত্যাহারের দাবিতে অটুট আছি।”
চাঁদাবাজির বিষয়ে আয়ান বলেন, “শহীদ সালাম-বরকত হলের এক কম্পিউটার অপারেটরের অডিও রেকর্ড ফাঁস হয়েছে, যেখানে জাকসু ভিপি ও হল ভিপির সংশ্লিষ্টতায় প্রতিটি অটোরিকশা থেকে ১০ হাজার টাকা চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রশাসন দ্রুত এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠনের আশ্বাস দিয়েছে।”
ফজিলাতুন্নেছা হলের ভিপি ঐশী সরকারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ভিপি ঐশী সরকার একটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে বটতলায় বসার সুযোগ দিয়ে ৬০ হাজার টাকা নিয়েছেন, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলে জমা দেওয়া হয়নি। প্রশাসন এ বিষয়েও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।”
সবশেষে হুঁশিয়ারি দিয়ে আয়ান বলেন, তদন্তাধীন কোনো বিষয়কে রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক ক্ষমতা দিয়ে ধামাচাপা দেওয়া যাবে না। প্রতিটি তদন্তে উভয় পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ করতে হবে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন