রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার হত্যা মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার শিকার হওয়া দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসার ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
শনিবার (২৩ মে) বিকেলে প্রতিবেদনটি তদন্ত কর্মকর্তার কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান জানান, আগামী রোববার (২৪ মে) আদালতে মামলার চার্জশিট জমা দেওয়া হতে পারে।
উল্লেখ্য, গত ১৯ মে পল্লবী থানার মিল্লাত ক্যাম্প এলাকার একটি বাসায় পপুলার মডেল হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পরদিন নিহত শিশুর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আসামি করা হয়।
ঘটনার পর পুলিশ অভিযুক্ত দম্পতিকে গ্রেপ্তার করে। পরে আদালতে নেওয়া হলে সোহেল রানা নিজের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। তিনি জানান, ঘটনার আগে তিনি ইয়াবা সেবন করেছিলেন। একইদিন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে ২০২৬
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার হত্যা মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার শিকার হওয়া দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসার ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
শনিবার (২৩ মে) বিকেলে প্রতিবেদনটি তদন্ত কর্মকর্তার কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান জানান, আগামী রোববার (২৪ মে) আদালতে মামলার চার্জশিট জমা দেওয়া হতে পারে।
উল্লেখ্য, গত ১৯ মে পল্লবী থানার মিল্লাত ক্যাম্প এলাকার একটি বাসায় পপুলার মডেল হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পরদিন নিহত শিশুর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আসামি করা হয়।
ঘটনার পর পুলিশ অভিযুক্ত দম্পতিকে গ্রেপ্তার করে। পরে আদালতে নেওয়া হলে সোহেল রানা নিজের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। তিনি জানান, ঘটনার আগে তিনি ইয়াবা সেবন করেছিলেন। একইদিন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আপনার মতামত লিখুন