যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতি ও পারমাণবিক ইস্যু নিয়ে আলোচনায় অনিশ্চয়তা দেখা দেওয়ায় আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম। তেহরানের ইউরেনিয়াম মজুত এবং হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে অচলাবস্থা চলমান রয়েছে।
শুক্রবার (২২ মে) গ্রিনিচ মান সময় ১২টা ৩৪ মিনিটে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২ দশমিক ৩ শতাংশ বা ২ দশমিক ৩৮ ডলার বেড়ে ১০৪ দশমিক ৯৬ ডলারে পৌঁছায়।
একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ১ দশমিক ৮ শতাংশ বা ১ দশমিক ৭৩ ডলার বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৮ দশমিক ০৮ ডলারে দাঁড়ায়। এর আগে বৃহস্পতিবার দুই ধরনের তেলের দাম প্রায় ২ শতাংশ কমে দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছিল।
এদিকে পারমাণবিক ইস্যু নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানের কাছে থাকা উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। তবে জানিয়েছে, তারা এই উপাদান কোনোভাবেই হস্তান্তর করবে না।
হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, “আমরা এটা নিয়েই আসব। আমাদের এটার প্রয়োজন নেই, আমরা এটা চাইও না। সম্ভবত হাতে পাওয়ার পর আমরা এটি ধ্বংস করে দেব, কিন্তু আমরা তাদের কাছে এটা থাকতে দেব না।”
অন্যদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নির্দেশ দিয়েছেন, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত দেশের বাইরে পাঠানো যাবে না। ইরানি দুই জ্যেষ্ঠ সূত্রের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে।
এক ইরানি সূত্র বলেন, “সর্বোচ্চ নেতার নির্দেশ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ঐকমত্য হলো সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত দেশের বাইরে যাবে না।” ফলে আলোচনায় অচলাবস্থা আরও গভীর হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতি ও পারমাণবিক ইস্যু নিয়ে আলোচনায় অনিশ্চয়তা দেখা দেওয়ায় আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম। তেহরানের ইউরেনিয়াম মজুত এবং হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে অচলাবস্থা চলমান রয়েছে।
শুক্রবার (২২ মে) গ্রিনিচ মান সময় ১২টা ৩৪ মিনিটে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২ দশমিক ৩ শতাংশ বা ২ দশমিক ৩৮ ডলার বেড়ে ১০৪ দশমিক ৯৬ ডলারে পৌঁছায়।
একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ১ দশমিক ৮ শতাংশ বা ১ দশমিক ৭৩ ডলার বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৮ দশমিক ০৮ ডলারে দাঁড়ায়। এর আগে বৃহস্পতিবার দুই ধরনের তেলের দাম প্রায় ২ শতাংশ কমে দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছিল।
এদিকে পারমাণবিক ইস্যু নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানের কাছে থাকা উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। তবে জানিয়েছে, তারা এই উপাদান কোনোভাবেই হস্তান্তর করবে না।
হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, “আমরা এটা নিয়েই আসব। আমাদের এটার প্রয়োজন নেই, আমরা এটা চাইও না। সম্ভবত হাতে পাওয়ার পর আমরা এটি ধ্বংস করে দেব, কিন্তু আমরা তাদের কাছে এটা থাকতে দেব না।”
অন্যদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নির্দেশ দিয়েছেন, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত দেশের বাইরে পাঠানো যাবে না। ইরানি দুই জ্যেষ্ঠ সূত্রের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে।
এক ইরানি সূত্র বলেন, “সর্বোচ্চ নেতার নির্দেশ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ঐকমত্য হলো সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত দেশের বাইরে যাবে না।” ফলে আলোচনায় অচলাবস্থা আরও গভীর হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন