ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান একসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলা নানা প্রশ্নের পর তিনি এ তথ্য স্পষ্ট করেন।
বুধবার (১৩ মে) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বিষয়টি উল্লেখ করেন।
আসিফ নজরুল লিখেন, তারেক রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হয়েছিলেন এবং কিছুদিন ক্লাসও করেছেন। ওই সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এ বিষয়ে তিনি ব্যক্তিগতভাবেও অবগত ছিলেন বলে জানান।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ওই ব্যাচে তারেক রহমানের সহপাঠীদের মধ্যে পরবর্তীতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা একাধিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। এর মধ্যে সাবেক স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী, সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান এবং আপিল বিভাগের বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের নামও উল্লেখ করেন তিনি।
পোস্টে তিনি আরও লেখেন, রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নিরাপত্তাজনিত বিভিন্ন কারণে পরবর্তীতে তারেক রহমানের বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে সামাজিক মাধ্যমে চলা বিভ্রান্তি দূর করতেই তিনি এই ব্যাখ্যা দেন বলে তার পোস্টে ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান একসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলা নানা প্রশ্নের পর তিনি এ তথ্য স্পষ্ট করেন।
বুধবার (১৩ মে) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বিষয়টি উল্লেখ করেন।
আসিফ নজরুল লিখেন, তারেক রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হয়েছিলেন এবং কিছুদিন ক্লাসও করেছেন। ওই সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এ বিষয়ে তিনি ব্যক্তিগতভাবেও অবগত ছিলেন বলে জানান।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ওই ব্যাচে তারেক রহমানের সহপাঠীদের মধ্যে পরবর্তীতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা একাধিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। এর মধ্যে সাবেক স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী, সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান এবং আপিল বিভাগের বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের নামও উল্লেখ করেন তিনি।
পোস্টে তিনি আরও লেখেন, রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নিরাপত্তাজনিত বিভিন্ন কারণে পরবর্তীতে তারেক রহমানের বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে সামাজিক মাধ্যমে চলা বিভ্রান্তি দূর করতেই তিনি এই ব্যাখ্যা দেন বলে তার পোস্টে ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

আপনার মতামত লিখুন