আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে নৌযাত্রা নিরাপদ ও শৃঙ্খলিত করতে নতুন সিদ্ধান্ত জানিয়েছে শেখ রবিউল আলম–এর নেতৃত্বাধীন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।
সোমবার (১১ মে) ঢাকায় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঈদযাত্রা প্রস্তুতি বিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, এখন থেকে কোনো যাত্রী নৌকা বা স্পিডবোট ব্যবহার করে নদীর মাঝপথ থেকে সরাসরি লঞ্চে উঠতে পারবে না। তবে নির্ধারিত টার্মিনাল পন্টুন ব্যবহার করে লঞ্চে ওঠা যাবে।
তিনি জানান, গত ঈদে দুইটি নৌ দুর্ঘটনার পর গঠিত উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে সদরঘাট এলাকায় নতুন এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সভায় আরও জানানো হয়, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, ঈদের আগে ও পরে নির্দিষ্ট কয়েকদিন বালুবাহী বাল্কহেড ও রাতে স্পিডবোট চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। একইসঙ্গে ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানের ফেরি পারাপার সীমিত করা হলেও কোরবানির পশুবাহী যান অগ্রাধিকার পাবে।
যাত্রীদের চাপ কমাতে ঢাকার বসিলা ঘাট ও পূর্বাচল কাঞ্চন ব্রিজ সংলগ্ন শিমুলিয়া ঘাট থেকে অতিরিক্ত লঞ্চ সার্ভিস চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কুড়িল থেকে শিমুলিয়া রুটে বিআরটিসি শাটল বাস চালানোর কথাও জানানো হয়।
সদরঘাটে যাত্রীদের জন্য নিয়মিত ট্রলি ও প্রবীণ এবং অসুস্থ যাত্রীদের জন্য হুইলচেয়ারের ব্যবস্থা থাকবে। কোরবানির পশুবাহী নৌযান যাতে হয়রানির শিকার না হয়, সে বিষয়েও কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয় স্পষ্ট জানায়, কোনো অবস্থাতেই নির্ধারিত ভাড়ার বেশি আদায় করা যাবে না এবং নিয়ম ভাঙলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে নৌযাত্রা নিরাপদ ও শৃঙ্খলিত করতে নতুন সিদ্ধান্ত জানিয়েছে শেখ রবিউল আলম–এর নেতৃত্বাধীন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।
সোমবার (১১ মে) ঢাকায় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঈদযাত্রা প্রস্তুতি বিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, এখন থেকে কোনো যাত্রী নৌকা বা স্পিডবোট ব্যবহার করে নদীর মাঝপথ থেকে সরাসরি লঞ্চে উঠতে পারবে না। তবে নির্ধারিত টার্মিনাল পন্টুন ব্যবহার করে লঞ্চে ওঠা যাবে।
তিনি জানান, গত ঈদে দুইটি নৌ দুর্ঘটনার পর গঠিত উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে সদরঘাট এলাকায় নতুন এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সভায় আরও জানানো হয়, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, ঈদের আগে ও পরে নির্দিষ্ট কয়েকদিন বালুবাহী বাল্কহেড ও রাতে স্পিডবোট চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। একইসঙ্গে ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানের ফেরি পারাপার সীমিত করা হলেও কোরবানির পশুবাহী যান অগ্রাধিকার পাবে।
যাত্রীদের চাপ কমাতে ঢাকার বসিলা ঘাট ও পূর্বাচল কাঞ্চন ব্রিজ সংলগ্ন শিমুলিয়া ঘাট থেকে অতিরিক্ত লঞ্চ সার্ভিস চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কুড়িল থেকে শিমুলিয়া রুটে বিআরটিসি শাটল বাস চালানোর কথাও জানানো হয়।
সদরঘাটে যাত্রীদের জন্য নিয়মিত ট্রলি ও প্রবীণ এবং অসুস্থ যাত্রীদের জন্য হুইলচেয়ারের ব্যবস্থা থাকবে। কোরবানির পশুবাহী নৌযান যাতে হয়রানির শিকার না হয়, সে বিষয়েও কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয় স্পষ্ট জানায়, কোনো অবস্থাতেই নির্ধারিত ভাড়ার বেশি আদায় করা যাবে না এবং নিয়ম ভাঙলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন