নরসিংদীর মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজের ৪ ঘণ্টা পর মাহির শাহরিয়ার (১৭) নামে এক কলেজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (১১ মে) বিকেল ৪টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তার মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত মাহির শাহরিয়ার ঢাকার বিএএফ শাহীন কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে ঢাকা থেকে বিএএফ শাহীন কলেজ এবং আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজসহ ৪-৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী নরসিংদীতে ভ্রমণে আসেন। তারা নরসিংদী শহরতলীর নাগরিয়াকান্দি সেতু এলাকায় মেঘনার শাখা নদীতে গোসল করতে নামলে বিপত্তি ঘটে।
সাঁতার না জানায় মাহিরসহ আরও দুই শিক্ষার্থী নদীর স্রোতে তলিয়ে যেতে থাকেন। এসময় সহপাঠীরা তাৎক্ষণিক দুইজনকে উদ্ধার করতে পারলেও মাহির পানির নিচে তলিয়ে যান। সহপাঠীরা অনেক খোঁজাখুঁজি করে তাকে না পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়।
খবর পেয়ে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার কাজ শুরু করে। তবে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর সন্ধান না পাওয়ায় ঢাকা থেকে ফায়ার সার্ভিসের বিশেষ ডুবুরি দল তলব করা হয়। পরবর্তীতে ডুবুরিরা ৪ ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস অভিযান চালিয়ে মাহিরের নিথর দেহ উদ্ধার করে।
করিমপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক এস এম মাকসুদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, "মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকা থেকে অভিভাবকরা আসার পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।"
এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহতের সহপাঠী ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
নরসিংদীর মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজের ৪ ঘণ্টা পর মাহির শাহরিয়ার (১৭) নামে এক কলেজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (১১ মে) বিকেল ৪টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তার মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত মাহির শাহরিয়ার ঢাকার বিএএফ শাহীন কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে ঢাকা থেকে বিএএফ শাহীন কলেজ এবং আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজসহ ৪-৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী নরসিংদীতে ভ্রমণে আসেন। তারা নরসিংদী শহরতলীর নাগরিয়াকান্দি সেতু এলাকায় মেঘনার শাখা নদীতে গোসল করতে নামলে বিপত্তি ঘটে।
সাঁতার না জানায় মাহিরসহ আরও দুই শিক্ষার্থী নদীর স্রোতে তলিয়ে যেতে থাকেন। এসময় সহপাঠীরা তাৎক্ষণিক দুইজনকে উদ্ধার করতে পারলেও মাহির পানির নিচে তলিয়ে যান। সহপাঠীরা অনেক খোঁজাখুঁজি করে তাকে না পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়।
খবর পেয়ে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার কাজ শুরু করে। তবে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর সন্ধান না পাওয়ায় ঢাকা থেকে ফায়ার সার্ভিসের বিশেষ ডুবুরি দল তলব করা হয়। পরবর্তীতে ডুবুরিরা ৪ ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস অভিযান চালিয়ে মাহিরের নিথর দেহ উদ্ধার করে।
করিমপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক এস এম মাকসুদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, "মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকা থেকে অভিভাবকরা আসার পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।"
এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহতের সহপাঠী ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন