বিপ্লবী বার্তা

মূল পাতা

সারাদেশ

কদমতলীতে রান্নাঘরের গ্যাস লিকেজে অগ্নিদগ্ধ পুরো পরিবার

কদমতলীতে রান্নাঘরের গ্যাস লিকেজে অগ্নিদগ্ধ পুরো পরিবার
গ্যাস লিকেজে আগুন, কদমতলীতে একই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ—অবস্থা আশঙ্কাজনক

রাজধানীর কদমতলী থানার গিরিধারা এলাকায় গ্যাসের চুলা লিকেজ থেকে লাগা আগুনে একই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন। দগ্ধদের মধ্যে তিন শিশু রয়েছে বলে জানা গেছে।

রোববার (১০ মে) সকাল পৌনে ৮টার দিকে দগ্ধ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

দগ্ধরা হলেন মো: কালাম মিয়া (৪৭), তার স্ত্রী সালমা আক্তার (৩৫), ছেলে মুন্না (১২) এবং দুই মেয়ে মুন্নি (১০) ও কথা (৫)।

হাসপাতালে নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দা মো: রাকিব জানান, কালাম মিয়া পেশায় ভ্যানে সবজি বিক্রেতা। ভোরের দিকে তার স্ত্রী নয়তলা ভবনের নিচতলায় রান্নার সময় গ্যাস লিকেজ থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। পরে ম্যাচ জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিবারের সবাই দগ্ধ হন। এরপর স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়।

তিনি আরও জানান, দগ্ধ পরিবারের গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বলুকদিয়া গ্রামে। বর্তমানে তারা গিরিধারা এলাকার সাদ্দাম মার্কেটের পাশে একটি ভবনের নিচতলায় বসবাস করতেন।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, দগ্ধদের মধ্যে কালামের শরীরের প্রায় ৯৫ শতাংশ, স্ত্রী সালমার ৬০ শতাংশ, ছেলে মুন্নার ৩০ শতাংশ, মেয়ে মুন্নির ৩৫ শতাংশ এবং ছোট মেয়ে কথারও উল্লেখযোগ্য অংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

কদমতলী গ্যাস লিকেজ

আপনার মতামত লিখুন

বিপ্লবী বার্তা

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬


কদমতলীতে রান্নাঘরের গ্যাস লিকেজে অগ্নিদগ্ধ পুরো পরিবার

প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬

featured Image

রাজধানীর কদমতলী থানার গিরিধারা এলাকায় গ্যাসের চুলা লিকেজ থেকে লাগা আগুনে একই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন। দগ্ধদের মধ্যে তিন শিশু রয়েছে বলে জানা গেছে।

রোববার (১০ মে) সকাল পৌনে ৮টার দিকে দগ্ধ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

দগ্ধরা হলেন মো: কালাম মিয়া (৪৭), তার স্ত্রী সালমা আক্তার (৩৫), ছেলে মুন্না (১২) এবং দুই মেয়ে মুন্নি (১০) ও কথা (৫)।

হাসপাতালে নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দা মো: রাকিব জানান, কালাম মিয়া পেশায় ভ্যানে সবজি বিক্রেতা। ভোরের দিকে তার স্ত্রী নয়তলা ভবনের নিচতলায় রান্নার সময় গ্যাস লিকেজ থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। পরে ম্যাচ জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিবারের সবাই দগ্ধ হন। এরপর স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়।

তিনি আরও জানান, দগ্ধ পরিবারের গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বলুকদিয়া গ্রামে। বর্তমানে তারা গিরিধারা এলাকার সাদ্দাম মার্কেটের পাশে একটি ভবনের নিচতলায় বসবাস করতেন।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, দগ্ধদের মধ্যে কালামের শরীরের প্রায় ৯৫ শতাংশ, স্ত্রী সালমার ৬০ শতাংশ, ছেলে মুন্নার ৩০ শতাংশ, মেয়ে মুন্নির ৩৫ শতাংশ এবং ছোট মেয়ে কথারও উল্লেখযোগ্য অংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।


বিপ্লবী বার্তা

প্রকাশক
শেখ মাহমুদ উজ্জ্বল
সম্পাদক
ড. জাহিদ আহমেদ চৌধুরী
নির্বাহী সম্পাদক
কাইয়ুম তালুকদার (কানন)

কপিরাইট © ২০২৬ । বিপ্লবী বার্তা