বিশ্ব বাণিজ্যের লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত ‘হরমুজ প্রণালি’ পুনরায় সচল করতে বড় ধরনের কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে ইউরোপের দুই প্রধান শক্তি যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স। আজ শুক্রবার প্রায় ৪০টি দেশের নেতাদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের ভার্চ্যুয়াল বৈঠকের আয়োজন করেছে দেশ দুটি। বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট কাটাতে এবং নৌপথের নিরাপত্তা ফেরাতে এই বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে। এর প্রতিক্রিয়ায় তেহরান নিজেদের জাহাজ ছাড়া অন্য সব দেশের বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে। অন্যদিকে, গত সোমবার ওয়াশিংটন ইরানের বন্দরগুলোতে প্রবেশকারী বা সেখান থেকে বের হওয়া সব জাহাজের ওপর কঠোর অবরোধ আরোপ করে। ফলে স্থবির হয়ে পড়েছে বিশ্বের প্রধান এই জ্বালানি সরবরাহ পথ।
যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য এই বৈঠকে মূলত দুটি বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে:
১. যুদ্ধবিরতি সমর্থন: দেশগুলো সম্মিলিতভাবে ইরানের বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানাবে এবং একটি স্থায়ী সমাধানের পথ খুঁজবে।
২. নৌ-নিরাপত্তা: হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি 'আন্তর্জাতিক মিশন' গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হতে পারে।
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (১০ ডাউনিং স্ট্রিট) থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বিশ্বনেতারা এই প্রণালিটি পুনরায় চালু করতে একটি সম্মিলিত আন্তর্জাতিক তদারকি দল বা মিশন গঠনের উদ্যোগ নেবেন। এই মিশনের মূল কাজ হবে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং বৈশ্বিক সরবরাহ চেইন সচল রাখা।
হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে প্রতিটি মহাদেশে। আজকের এই ভার্চ্যুয়াল বৈঠক থেকে কোনো ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত আসে কি না, সেদিকেই এখন তাকিয়ে আছে বিশ্ববাজার।

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬
বিশ্ব বাণিজ্যের লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত ‘হরমুজ প্রণালি’ পুনরায় সচল করতে বড় ধরনের কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে ইউরোপের দুই প্রধান শক্তি যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স। আজ শুক্রবার প্রায় ৪০টি দেশের নেতাদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের ভার্চ্যুয়াল বৈঠকের আয়োজন করেছে দেশ দুটি। বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট কাটাতে এবং নৌপথের নিরাপত্তা ফেরাতে এই বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে। এর প্রতিক্রিয়ায় তেহরান নিজেদের জাহাজ ছাড়া অন্য সব দেশের বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে। অন্যদিকে, গত সোমবার ওয়াশিংটন ইরানের বন্দরগুলোতে প্রবেশকারী বা সেখান থেকে বের হওয়া সব জাহাজের ওপর কঠোর অবরোধ আরোপ করে। ফলে স্থবির হয়ে পড়েছে বিশ্বের প্রধান এই জ্বালানি সরবরাহ পথ।
যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য এই বৈঠকে মূলত দুটি বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে:
১. যুদ্ধবিরতি সমর্থন: দেশগুলো সম্মিলিতভাবে ইরানের বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানাবে এবং একটি স্থায়ী সমাধানের পথ খুঁজবে।
২. নৌ-নিরাপত্তা: হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি 'আন্তর্জাতিক মিশন' গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হতে পারে।
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (১০ ডাউনিং স্ট্রিট) থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বিশ্বনেতারা এই প্রণালিটি পুনরায় চালু করতে একটি সম্মিলিত আন্তর্জাতিক তদারকি দল বা মিশন গঠনের উদ্যোগ নেবেন। এই মিশনের মূল কাজ হবে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং বৈশ্বিক সরবরাহ চেইন সচল রাখা।
হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে প্রতিটি মহাদেশে। আজকের এই ভার্চ্যুয়াল বৈঠক থেকে কোনো ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত আসে কি না, সেদিকেই এখন তাকিয়ে আছে বিশ্ববাজার।

আপনার মতামত লিখুন