জকসু নির্বাচন: ভোটারের নারী উপস্থিতিতে সরব ক্যাম্পাস
ছবিঃ সংগৃহীত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া এ ভোটে নারী শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা গেছে। বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে নারী ভোটারদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিতে দেখা যায়, যা ক্যাম্পাসজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করেছে।


বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৯টি ভোটকেন্দ্রের ১৭৮টি বুথে শিক্ষার্থীরা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিকেল ৩টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। এ সময়ের মধ্যে কেন্দ্রে লাইনে অবস্থান করা শিক্ষার্থীরা ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন।


ভোটার ও কেন্দ্রের পরিসংখ্যান

এ নির্বাচনে মোট ১৬ হাজার ৬৪৫ জন শিক্ষার্থী ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। পাশাপাশি একটি হল সংসদে ১ হাজার ২৪২ জন শিক্ষার্থী ভোট দেবেন।


প্রার্থীদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা

নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা অনুযায়ী—

মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্র সম্পাদক পদে ৪ জন, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক পদে ৯ জন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে ৫ জন, স্বাস্থ্য ও পরিবেশসম্পাদক পদে ৫ জন, আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক পদে ৪ জন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক পদে ৮ জন, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক পদে ৭ জন, ক্রীড়া সম্পাদক পদে ৭ জন, পরিবহন সম্পাদক পদে ৪ জন, সমাজসেবা ও শিক্ষার্থী কল্যাণ সম্পাদক পদে ১০ জন এবং পাঠাগার ও সেমিনার সম্পাদক পদে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এছাড়া সদস্য পদে ৭টি আসনের বিপরীতে ৫৭ জন প্রার্থী প্রতিযোগিতায় রয়েছেন।


ছাত্রী হল সংসদ

ছাত্রী হল সংসদের প্রাথমিক তালিকায় ১৩টি পদের জন্য প্রার্থীদের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে ৩ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ৩ জন, সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে ২ জন, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে ২ জন, সংস্কৃতি সম্পাদক পদে ৪ জন, পাঠাগার সম্পাদক পদে ২ জন, ক্রীড়া সম্পাদক পদে ২ জন, সমাজসেবা ও শিক্ষার্থী কল্যাণ সম্পাদক পদে ৩ জন, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক পদে ৪ জন এবং চারটি সদস্য পদের বিপরীতে ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।


নিরাপত্তা ব্যবস্থা

নির্বাচন ঘিরে ক্যাম্পাসজুড়ে বাড়তি নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবকরা দায়িত্ব পালন করছেন।